হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৮১
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮৮
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৬। মোজা পরে নামায আদায় করা
৩৮১। ইসহাক ইবনে নসর (রাহঃ) .... মুগীরা ইবনে শু’বা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি নবী (ﷺ)-কে উযু করিয়েছি। তিনি (উযুর সময়) মোজা দু’টির উপর মাসাহ করলেন ও নামায আদায় করলেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الْخِفَافِ
388 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنِ المُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ: «وَضَّأْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ وَصَلَّى»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৮২
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৭। সিজদা পূর্ণভাবে না করলে
৩৮২। সালত ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ..... হুযাইফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তাঁর রুকু-সিজদা পুরোপুরি আদায় করছিল না। সে যখন নামায শেষ করলো তখন তাকে হুযাইফা (রাযিঃ) বললেনঃ তোমার নামায ঠিক হয়নি। রাবী বলেনঃ আমার মনে হয় তিনি (হুযাইফা) এ কথাও বলেছেন, (এ অবস্থায়) তোমার মৃত্যু হলে তা মুহাম্মাদ (ﷺ) এর তরীকা অনুযায়ী হবে না।
كتاب الصلاة
باب إِذَا لَمْ يُتِمَّ السُّجُودَ
389 - أَخْبَرَنَا الصَّلْتُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا مَهْدِيٌّ، عَنْ وَاصِلٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، رَأَى رَجُلًا لاَ يُتِمُّ رُكُوعَهُ وَلاَ سُجُودَهُ، فَلَمَّا قَضَى صَلاَتَهُ قَالَ لَهُ حُذَيْفَةُ: «مَا صَلَّيْتَ؟» قَالَ: وَأَحْسِبُهُ قَالَ: «لَوْ مُتَّ مُتَّ عَلَى غَيْرِ سُنَّةِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৮৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯০
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৮। সিজদায় বাহুমূল খোলা রাখা এবং দু’পাশ আলগা রাখা
৩৮৩। ইয়াহয়া ইবনে বুকায়র (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) নামাযের সময় উভয় বাহু পৃথক রাখতেন। এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা প্রকাশ পেতো।

লাইস (রাহঃ) বলেনঃ জা’ফর ইবনে রবী’আ (রাহঃ) আমার কাছে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الصلاة
باب يُبْدِي ضَبْعَيْهِ وَيُجَافِي فِي السُّجُودِ
390 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنِ ابْنِ هُرْمُزَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكٍ ابْنِ بُحَيْنَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا صَلَّى فَرَّجَ بَيْنَ يَدَيْهِ حَتَّى يَبْدُوَ بَيَاضُ إِبْطَيْهِ» وَقَالَ اللَّيْثُ: حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ رَبِيعَةَ نَحْوَهُ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৮৪
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৯। কিবলামুখী হওয়ার ফযীলত।
পায়ের আঙুলকেও কিবলামুখী রাখবে। আবু হুমায়দ (রাযিঃ) নবী (ﷺ) থেকে এরূপ বর্ণনা করেছেন।
৩৮৪। আমর ইবনে আব্বাস (রাহঃ) ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের ন্যায় নামায আদায় করে, আমাদের কিবলামুখী হয় আর আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সে-ই মুসলিম, যার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যিম্মাদার। সুতরাং তোমরা আল্লাহর যিম্মাদারীতে খিয়ানত করো না।
كتاب الصلاة
باب فَضْلِ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ يَسْتَقْبِلُ بِأَطْرَافِ رِجْلَيْهِ. قَالَ أَبُو حُمَيْدٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
391 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَبَّاسٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ المَهْدِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ سِيَاهٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ صَلَّى صَلاَتَنَا وَاسْتَقْبَلَ قِبْلَتَنَا، وَأَكَلَ ذَبِيحَتَنَا فَذَلِكَ المُسْلِمُ الَّذِي لَهُ ذِمَّةُ اللَّهِ وَذِمَّةُ رَسُولِهِ، فَلاَ تُخْفِرُوا اللَّهَ فِي ذِمَّتِهِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৮৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯২ - ৩৯৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৯। কিবলামুখী হওয়ার ফযীলত।
৩৮৫। নুআইম (রাহঃ) ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ আমাকে লোকের বিরুদ্ধে জিহাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ স্বীকার করবে। যখন তারা তা স্বীকার করে নেয়, আমাদের মত নামায আদায় করে, আমাদের কিবলামুখী হয় এবং আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, তখন তাদের জান-মালসমূহ আমাদের জন্য হারাম হয়ে যায়। অবশ্য রক্তের বা সম্পদের দাবীর কথা ভিন্ন। আর তাদের হিসাব আল্লাহর কাছে।
ইবনে আবু মারয়াম, ইয়াহয়া ইবনে আইয়ুব (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে (অনুরূপ) বর্ণনা করেন।
আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) হুমায়দ (রাহঃ) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ মায়মুন ইবনে সিয়াহ আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ হে আবু হামযাহ, কিসে মানুষের জান-মাল হারাম হয়? তিনি জবাব দিলেন, যে ব্যক্তি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর সাক্ষ্য দেয়, আমাদের কিবলামুখী হয়, আমাদের নামায আদায় করে, আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সে-ই মুসলিম। অন্য মুসলমানের মতই তার অধিকার রয়েছে। আর অন্য মুসলমানদের মতই তার দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।
كتاب الصلاة
باب فَضْلِ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ يَسْتَقْبِلُ بِأَطْرَافِ رِجْلَيْهِ. قَالَ أَبُو حُمَيْدٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
حَدَّثَنَا نُعَيْمٌ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ. فَإِذَا قَالُوهَا وَصَلَّوْا صَلاَتَنَا، وَاسْتَقْبَلُوا قِبْلَتَنَا، وَذَبَحُوا ذَبِيحَتَنَا، فَقَدْ حَرُمَتْ عَلَيْنَا دِمَاؤُهُمْ وَأَمْوَالُهُمْ إِلاَّ بِحَقِّهَا، وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ ".
قَالَ ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، حَدَّثَنَا أَنَسٌ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ،
وَقَالَ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الحَارِثِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ: سَأَلَ مَيْمُونُ بْنُ سِيَاهٍ، أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، قَالَ: يَا أَبَا حَمْزَةَ، مَا يُحَرِّمُ دَمَ العَبْدِ وَمَالَهُ؟ فَقَالَ: «مَنْ شَهِدَ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاسْتَقْبَلَ قِبْلَتَنَا، وَصَلَّى صَلاَتَنَا، وَأَكَلَ ذَبِيحَتَنَا، فَهُوَ المُسْلِمُ، لَهُ مَا لِلْمُسْلِمِ، وَعَلَيْهِ مَا عَلَى المُسْلِمِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৮৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯৪
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭০। মদীনা, সিরিয়া ও (মদীনার) পূর্ব দিকের অধিবাসীদের কিবলা। কিবলা পূর্বে বা পশ্চিমে নয়। কারণ নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা পায়খানা বা পেশাব করতে কিবলামুখী হবে না, বরং তোমরা (উত্তর অঞ্চলের অধিবাসীরা) পূর্বদিকে কিংবা পশ্চিম দিকে মুখ ফিরাবে।
৩৮৬। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) .... আবু আইয়ুব আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমরা পায়খানা করতে যাও, তখন কিবলার দিকে মুখ করবে না কিংবা পিঠও দিবে না, বরং তোমরা পূর্বদিকে অথবা পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে। আবু আইয়ুব আনসারী (রাযিঃ) বলেনঃ আমরা যখন সিরিয়ায় এলাম তখন পায়খানাগুলো কিবলামুখী বানানো পেলাম। আমরা কিছুটা ঘুরে বসতাম এবং আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতাম।

যুহরী (রাহঃ) আতা (রাহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, আমি আবু আইয়ুব (রাযিঃ)-কে নবী (ﷺ) এর নিকট থেকে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি।
كتاب الصلاة
بَابُ قِبْلَةِ أَهْلِ المَدِينَةِ وَأَهْلِ الشَّأْمِ وَالمَشْرِقِ «لَيْسَ فِي المَشْرِقِ وَلاَ فِي المَغْرِبِ قِبْلَةٌ» لِقَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لاَ تَسْتَقْبِلُوا القِبْلَةَ بِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ، وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا»
394 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا أَتَيْتُمُ الغَائِطَ فَلاَ تَسْتَقْبِلُوا القِبْلَةَ، وَلاَ تَسْتَدْبِرُوهَا وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا» قَالَ أَبُو أَيُّوبَ: «فَقَدِمْنَا الشَّأْمَ فَوَجَدْنَا مَرَاحِيضَ بُنِيَتْ قِبَلَ القِبْلَةِ فَنَنْحَرِفُ، وَنَسْتَغْفِرُ اللَّهَ تَعَالَى» ، وَعَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أَيُّوبَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৮৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯৫ - ৩৯৬
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭১। মহান আল্লাহর বাণীঃ মাকামে ইবরাহীমকে নামাযের স্থান রূপে গ্রহণ কর (২:১২৫)
৩৮৭। হুমায়দী (রাহঃ) ..... আমর ইবনে দীনার (রাহঃ) বলেনঃ আমরা ইবনে উমর (রাযিঃ)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম—যে ব্যক্তি উমরার জন্য বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেছেন কিন্তু সাফা-মারওয়া সা’ঈ করে নি, সে কি তাঁর স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হতে পারবে? তিনি জবাব দিলেন, নবী (ﷺ) এসে সাতবার বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেছেন, মাকামে ইবরাহীমের কাছে দু’রাকআত নামায আদায় করেছেন আর সাফা-মারওয়া সা’ঈ করেছেন। তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।
আমরা জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বলেছেনঃ সাফা-মারওয়ায় সা’ঈ করার আগ পর্যন্ত স্ত্রীর কাছে যাবে না।
كتاب الصلاة
بَابُ قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى} [البقرة: 125]
حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، قَالَ سَأَلْنَا ابْنَ عُمَرَ عَنْ رَجُلٍ، طَافَ بِالْبَيْتِ الْعُمْرَةَ، وَلَمْ يَطُفْ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، أَيَأْتِي امْرَأَتَهُ فَقَالَ قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَطَافَ بِالْبَيْتِ سَبْعًا، وَصَلَّى خَلْفَ الْمَقَامِ رَكْعَتَيْنِ، وَطَافَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، وَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ.
وَسَأَلْنَا جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ لاَ يَقْرَبَنَّهَا حَتَّى يَطُوفَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ.

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯৭
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭১। মহান আল্লাহর বাণীঃ মাকামে ইবরাহীমকে নামাযের স্থান রূপে গ্রহণ কর (২:১২৫)
৩৮৮। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... মুজাহিদ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি ইবনে উমর (রাযিঃ)-এর নিকট এলেন, এবং বললেনঃ ইনি হলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ), তিনি কাবা ঘরে প্রবেশ করেছেন। ইবনে উমর (রাযিঃ) বলেনঃ আমি সেদিকে এগিয়ে গেলাম এবং দেখলাম যে, নবী (ﷺ) কাবা থেকে বেরিয়ে পড়েছেন। আমি বিলাল (রাযিঃ)-কে উভয় কপাটের মাঝখানে দাঁড়ানো দেখে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী (ﷺ) কি কাবা ঘরের অভ্যন্তরে নামায আদায় করেছেন? তিনি জবাব দিলেন, হ্যাঁ, কাবায় প্রবেশ করার সময় তোমার বাঁ দিকের দুই স্তম্ভের মধ্যখানে দুই রাকআত নামায আদায় করেছেন। তারপর তিনি বের হলেন এবং কাবার সামনে দুই রাকআত নামায আদায় করলেন।
كتاب الصلاة
بَابُ قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى} [البقرة: 125]
397 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سَيْفٍ يَعْنِي ابْنَ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ مُجَاهِدًا، قَالَ: أُتِيَ ابْنُ عُمَرَ فَقِيلَ لَهُ: هَذَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ الكَعْبَةَ، فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ: فَأَقْبَلْتُ وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ خَرَجَ وَأَجِدُ بِلاَلًا قَائِمًا بَيْنَ البَابَيْنِ، فَسَأَلْتُ بِلاَلًا، فَقُلْتُ: أَصَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الكَعْبَةِ؟ قَالَ: «نَعَمْ، رَكْعَتَيْنِ، بَيْنَ السَّارِيَتَيْنِ اللَّتَيْنِ عَلَى يَسَارِهِ إِذَا دَخَلْتَ، ثُمَّ خَرَجَ، فَصَلَّى فِي وَجْهِ الكَعْبَةِ رَكْعَتَيْنِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯৮
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭১। মহান আল্লাহর বাণীঃ মাকামে ইবরাহীমকে নামাযের স্থান রূপে গ্রহণ কর (২:১২৫)
৩৮৯। ইসহাক ইবনে নসর (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ যখন রাসূল (ﷺ) কাবায় প্রবেশ করেন, তখন তাঁর সকল দিকে দুআ করেছেন, নামায আদায় না করেই বেরিয়ে এসেছেন এবং বের হওয়ার পর কাবার সামনে দু’রাকআত নামায আদায় করেছেন, আর বলেছেন, এই কিবলা।
كتاب الصلاة
بَابُ قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى} [البقرة: 125]
398 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، قَالَ: لَمَّا دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ البَيْتَ، دَعَا فِي نَوَاحِيهِ كُلِّهَا، وَلَمْ يُصَلِّ حَتَّى خَرَجَ مِنْهُ، فَلَمَّا خَرَجَ رَكَعَ رَكْعَتَيْنِ فِي قُبُلِ الكَعْبَةِ، وَقَالَ: «هَذِهِ القِبْلَةُ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৯০
আন্তর্জাতিক নং: ৩৯৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭২। যেখানেই হোক (নামাযে) কিবলামুখী হওয়া।
আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বলেন যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কিবলামুখী হও এবং তাকবীর বল।
৩৯০। আব্দুল্লাহ ইবনে রাজা’ (রাহঃ) .... বারা’ ইবনে আযিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বায়তুল মুকাদ্দাসমুখী হয়ে ষোল বা সতের মাস নামায আদায় করেছেন। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাবার দিকে কিবলা করা পছন্দ করতেন। মহান আল্লাহ নাযিল করেনঃ “আকাশের দিকে আপনার বারবার তাকানোকে আমি অবশ্য লক্ষ্য করছি। (২ : ১৪৪) তারপর তিনি কাবার দিকে মুখ করেন। আর নির্বোধ লোকেরা—তারা ইয়াহুদী, বলতো, ″তারা এ যাবত যে কিবলা অনুসরণ করে আসছিলো, তা থেকে কিসে তাঁদের কে ফিরিয়ে দিল″? বলুনঃ (হে রাসূল) পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই। তিনি যাকে ইচ্ছা সঠিক পথে পরিচালিত করেন। (২ : ১৪২)
তখন নবী (ﷺ) এর সঙ্গে এক ব্যক্তি নামায আদায় করলেন এবং বেরিয়ে গেলেন। তিনি আসরের নামাযের সময় আনসারগণের এক গোত্রের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁরা বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামায আদায় করেছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ (তিনি নিজেই) সাক্ষী যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে তিনি নামায আদায় করেছেন, আর তিনি (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)) কাবার দিকে মুখ করেছেন। তখন সে গোত্রের লোকজন ঘুরে কাবার দিকে মুখ করলেন।
كتاب الصلاة
بَابُ التَّوَجُّهِ نَحْوَ القِبْلَةِ حَيْثُ كَانَ وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اسْتَقْبِلِ القِبْلَةَ وَكَبِّرْ»
399 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ البَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: " كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى نَحْوَ بَيْتِ المَقْدِسِ، سِتَّةَ عَشَرَ أَوْ سَبْعَةَ عَشَرَ شَهْرًا، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُحِبُّ أَنْ يُوَجَّهَ إِلَى الكَعْبَةِ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ: {قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ} [البقرة: 144] ، فَتَوَجَّهَ نَحْوَ الكَعْبَةِ "، وَقَالَ السُّفَهَاءُ مِنَ النَّاسِ، وَهُمُ اليَهُودُ: {مَا وَلَّاهُمْ} [البقرة: 142] عَنْ قِبْلَتِهِمُ الَّتِي كَانُوا عَلَيْهَا، قُلْ لِلَّهِ المَشْرِقُ [ص:89] وَالمَغْرِبُ يَهْدِي مَنْ يَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ فَصَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ، ثُمَّ خَرَجَ بَعْدَ مَا صَلَّى، فَمَرَّ عَلَى قَوْمٍ مِنَ الأَنْصَارِ فِي صَلاَةِ العَصْرِ نَحْوَ بَيْتِ المَقْدِسِ، فَقَالَ: هُوَ يَشْهَدُ: أَنَّهُ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَنَّهُ تَوَجَّهَ نَحْوَ الكَعْبَةِ، فَتَحَرَّفَ القَوْمُ، حَتَّى تَوَجَّهُوا نَحْوَ الكَعْبَةِ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৯১
আন্তর্জাতিক নং: ৪০০
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭২। যেখানেই হোক (নামাযে) কিবলামুখী হওয়া।
৩৯১। মুসলিম ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ..... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) নিজের সওয়ারীর উপর (নফল) নামায আদায় করতেন—সওয়ারী তাঁকে নিয়ে যে দিকেই মুখ করত না কেন। কিন্তু যখন ফরয নামায আদায়ের ইচ্ছা করতেন, তখন নেমে পড়তেন এবং কিবলার দিকে মুখ করতেন।
كتاب الصلاة
بَابُ التَّوَجُّهِ نَحْوَ القِبْلَةِ حَيْثُ كَانَ
400 - حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ، حَيْثُ تَوَجَّهَتْ فَإِذَا أَرَادَ الفَرِيضَةَ نَزَلَ فَاسْتَقْبَلَ القِبْلَةَ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৯২
আন্তর্জাতিক নং: ৪০১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭২। যেখানেই হোক (নামাযে) কিবলামুখী হওয়া।
৩৯২। উসমান (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) নামায আদায় করলেন। রাবী ইবরাহীম (রাহঃ) বলেনঃ আমার জানা নেই, তিনি বেশী করেছেন বা কম করেছেন। সালাম ফিরানোর পর তাঁকে বলা হল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! নামাযের মধ্যে নতুন কিছু হয়েছে কি? তিনি বললেনঃ তা কী? তাঁরা বললেনঃ আপনি তো এরূপ এরূপ নামায আদায় করলেন। তিনি তখন তাঁর দু’পা ঘুরিয়ে কিবলামুখী হলেন। আর দু’টি সিজদা আদায় করলেন। এরপর সালাম ফিরালেন। পরে তিনি আমাদের দিকে ফিরে বললেনঃ যদি নামায সম্পর্কে নতুন কিছু হতো, তবে অবশ্যই তোমাদের তা জানিয়ে দিতাম। কিন্তু আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল করে থাক, আমিও তোমাদের মত ভুলে যাই। আমি কোন সময় ভুলে গেলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দেবে। তোমাদের কেউ নামায সম্বন্ধে সন্দেহে পতিত হলে সে যেন নিঃসন্দেহ হওয়ার চেষ্টা করে এবং সে অনুযায়ী নামায পূর্ণ করে। তারপর যেন সালাম ফিরিয়ে দু’টি সিজদা আদায় করে।
كتاب الصلاة
بَابُ التَّوَجُّهِ نَحْوَ القِبْلَةِ حَيْثُ كَانَ
401 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ صَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ إِبْرَاهِيمُ: لاَ أَدْرِي زَادَ أَوْ نَقَصَ - فَلَمَّا سَلَّمَ قِيلَ لَهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَحَدَثَ فِي الصَّلاَةِ شَيْءٌ؟ قَالَ: «وَمَا ذَاكَ» ، قَالُوا: صَلَّيْتَ كَذَا وَكَذَا، فَثَنَى رِجْلَيْهِ، وَاسْتَقْبَلَ القِبْلَةَ، وَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ، ثُمَّ سَلَّمَ، فَلَمَّا أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ، قَالَ: «إِنَّهُ لَوْ حَدَثَ فِي الصَّلاَةِ شَيْءٌ لَنَبَّأْتُكُمْ بِهِ، وَلَكِنْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ، أَنْسَى كَمَا تَنْسَوْنَ، فَإِذَا نَسِيتُ فَذَكِّرُونِي، وَإِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلاَتِهِ، فَلْيَتَحَرَّ الصَّوَابَ فَلْيُتِمَّ عَلَيْهِ، ثُمَّ لِيُسَلِّمْ، ثُمَّ يَسْجُدُ سَجْدَتَيْنِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ৪০২
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৩। কিবলা সম্পর্কে বর্ণনা।
ভুলবশত কিবলার পরিবর্তে অন্যদিকে মুখ করে নামায আদায় করলে তা পুনরায় আদায় করা যাদের মতে আবশ্যকীয় নয়।
নবী (ﷺ) যোহরের দু’রাকআত নামায আদায় করে সালাম ফিরিয়ে মুসল্লীগণের দিকে মুখ করলেন। তারপরে বাকী নামায পূর্ণ করলেন।
৩৯৩। আমর ইবনে আওন (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমর (রাযিঃ) বলেছেনঃ তিনটি বিষয়ে আমার অভিমত আল্লাহর ওহীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে। আমি বলেছিলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমরা যদি মাকামে ইবরাহীমকে নামাযের স্থান বানাতে পারতাম! তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ (وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى) “তোমরা মাকামে ইবরাহীমকে নামাযের স্থান বানাও” (২ : ১২৫)

(দ্বিতীয়) পর্দার আয়াত, আমি বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি যদি আপনার সহধর্মিনীগণকে পর্দার আদেশ করতেন! কেননা, সৎ ও অসৎ সবাই তাদের সাথে কথা বলে। তখন পর্দার আয়াত নাযিল হয়।

আর একবার নবী (ﷺ) এর সহধর্মিণীগণ অভিমান সহকারে একত্রে তাঁর নিকট উপস্থিত হন। তখন আমি তাদেরকে বললামঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যদি তোমাদের তালাক দেন, তাহলে তাঁর রব তাঁকে তোমাদের পরিবর্তে তোমাদের চাইতে উত্তম অনুগত স্ত্রী দান করবেন। (৬৬ : ৫) তখন এ আয়াত নাযিল হয়।

অপর সনদে ইবনে আবু মারয়াম (রাহঃ) .... আনাস (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
كتاب الصلاة
بَابُ مَا جَاءَ فِي القِبْلَةِ، وَمَنْ لَمْ يَرَ الإِعَادَةَ عَلَى مَنْ سَهَا، فَصَلَّى إِلَى غَيْرِ القِبْلَةِ «وَقَدْ سَلَّمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَكْعَتَيِ الظُّهْرِ، وَأَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ بِوَجْهِهِ ثُمَّ أَتَمَّ مَا بَقِيَ»
402 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، " وَافَقْتُ رَبِّي فِي ثَلاَثٍ: فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَوِ اتَّخَذْنَا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى، فَنَزَلَتْ: {وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى} [البقرة: 125] وَآيَةُ الحِجَابِ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَوْ أَمَرْتَ نِسَاءَكَ أَنْ يَحْتَجِبْنَ، فَإِنَّهُ يُكَلِّمُهُنَّ البَرُّ وَالفَاجِرُ، فَنَزَلَتْ آيَةُ الحِجَابِ، وَاجْتَمَعَ نِسَاءُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الغَيْرَةِ عَلَيْهِ، فَقُلْتُ لَهُنَّ: (عَسَى رَبُّهُ إِنْ طَلَّقَكُنَّ أَنْ يُبَدِّلَهُ أَزْوَاجًا خَيْرًا مِنْكُنَّ) ، فَنَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ "
قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ:
وحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسًا بِهَذَا

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ৪০৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৩। কিবলা সম্পর্কে বর্ণনা। ভুলবশত কিবলার পরিবর্তে অন্যদিকে মুখ করে নামায আদায় করলে তা পুনরায় আদায় করা যাদের মতে আবশ্যকীয় নয়।
৩৯৪। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক সময় লোকেরা কুবা নামক স্থানে ফজরের নামায আদায় করছিলেন। এমন সময় তাঁদের নিকট এক ব্যক্তি এসে বললেন যে, এ রাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর প্রতি ওহী নাযিল হয়েছে। আর তাঁকে কাবামুখী হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই তোমরা কাবার দিকে মুখ কর। তখন তাঁদের চেহারা ছিল বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে। একথা শুনে তাঁরা কাবার দিকে মুখ করে নিলেন।
كتاب الصلاة
بَابُ مَا جَاءَ فِي القِبْلَةِ، وَمَنْ لَمْ يَرَ الإِعَادَةَ عَلَى مَنْ سَهَا، فَصَلَّى إِلَى غَيْرِ القِبْلَةِ
403 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: بَيْنَا النَّاسُ بِقُبَاءٍ فِي صَلاَةِ الصُّبْحِ، إِذْ جَاءَهُمْ آتٍ، فَقَالَ: «إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أُنْزِلَ عَلَيْهِ اللَّيْلَةَ قُرْآنٌ، وَقَدْ أُمِرَ أَنْ يَسْتَقْبِلَ الكَعْبَةَ، فَاسْتَقْبِلُوهَا، وَكَانَتْ وُجُوهُهُمْ إِلَى الشَّأْمِ، فَاسْتَدَارُوا إِلَى الكَعْبَةِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ৪০৪
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৩। কিবলা সম্পর্কে বর্ণনা। ভুলবশত কিবলার পরিবর্তে অন্যদিকে মুখ করে নামায আদায় করলে তা পুনরায় আদায় করা যাদের মতে আবশ্যকীয় নয়।
৩৯৫। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ [ইবনে মাসউদ (রাযিঃ)] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একবার নবী (ﷺ) যোহরের নামায পাঁচ রাকআত আদায় করেন। তখন মুসল্লীগণ জিজ্ঞাসা করলেনঃ নামাযে কি কিছু বৃদ্ধি করা হয়েছে? তিনি বললেনঃ তা কি? তাঁরা বললেনঃ আপনি যে পাঁচ রাকআত নামায আদায় করেছেন।
রাবী বলেন, তিনি নিজের পা ঘুরিয়ে (কিবলামুখী হয়ে) দুই সিজদা (সিজদা সাহু) করে নিলেন।
كتاب الصلاة
بَابُ مَا جَاءَ فِي القِبْلَةِ، وَمَنْ لَمْ يَرَ الإِعَادَةَ عَلَى مَنْ سَهَا، فَصَلَّى إِلَى غَيْرِ القِبْلَةِ
404 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: صَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: الظُّهْرَ خَمْسًا، فَقَالُوا: أَزِيدَ فِي الصَّلاَةِ؟ قَالَ: «وَمَا ذَاكَ» قَالُوا: صَلَّيْتَ خَمْسًا [ص:90]، فَثَنَى رِجْلَيْهِ وَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ৪০৫
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৪। মসজিদে থুথু হাতের সাহায্যে পরিষ্কার করা
৩৯৬। কুতায়বা (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) কিবলার দিকে (দেওয়ালে) ‘কফ’ দেখলেন। এটা তাঁর কাছে কষ্টদায়ক মনে হল। এমনকি তাঁর চেহারায় তা ফুটে উঠলো। তিনি উঠে গিয়ে তা হাত দিয়ে পরিষ্কার করলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ যখন নামাযে দাঁড়ায় তখন সে তাঁর রবের সাথে একান্তে কথা বলে। অথবা বলেছেন, তার ও কিবলার মাঝখানে তাঁর রব আছেন। কাজেই, তোমাদের কেউ যেন কিবলার দিকে থুথু না ফেলে। বরং সে যেন তাঁর বাম দিকে বা পায়ের নীচে তা ফেলে। তারপর চাঁদরের আঁচল নিয়ে তাতে তিনি থুথু ফেললেন এবং তাঁর এক অংশকে অন্য অংশের উপর ভাঁজ করলেন এবং বললেনঃ অথবা সে এরূপ করবে।
كتاب الصلاة
باب حَكِّ الْبُزَاقِ بِالْيَدِ مِنَ الْمَسْجِدِ
405 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى نُخَامَةً فِي القِبْلَةِ، فَشَقَّ ذَلِكَ عَلَيْهِ حَتَّى رُئِيَ فِي وَجْهِهِ، فَقَامَ فَحَكَّهُ بِيَدِهِ، فَقَالَ: «إِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا قَامَ فِي صَلاَتِهِ فَإِنَّهُ يُنَاجِي رَبَّهُ، أَوْ إِنَّ رَبَّهُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ القِبْلَةِ، فَلاَ يَبْزُقَنَّ أَحَدُكُمْ قِبَلَ قِبْلَتِهِ، وَلَكِنْ عَنْ يَسَارِهِ أَوْ تَحْتَ قَدَمَيْهِ» ثُمَّ أَخَذَ طَرَفَ رِدَائِهِ، فَبَصَقَ فِيهِ ثُمَّ رَدَّ بَعْضَهُ عَلَى بَعْضٍ، فَقَالَ: «أَوْ يَفْعَلُ هَكَذَا»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ৪০৬
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৪। মসজিদে থুথু হাতের সাহায্যে পরিষ্কার করা
৩৯৭। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কিবলার দিকে দেওয়ালে থুথু দেখে তা পরিষ্কার করে দিলেন। তারপর লোকদের দিকে ফিরে বললেনঃ যখন তোমাদের কেউ নামায আদায় করে সে যেন তাঁর সামনের দিকে থুথু না ফেলে। কেননা, সে যখন নামায আদায় করে তখন তাঁর সামনের দিকে আল্লাহ তাআলা থাকেন।
كتاب الصلاة
باب حَكِّ الْبُزَاقِ بِالْيَدِ مِنَ الْمَسْجِدِ
406 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى بُصَاقًا فِي جِدَارِ القِبْلَةِ، فَحَكَّهُ، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ، فَقَالَ: «إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّي، فَلاَ يَبْصُقُ قِبَلَ وَجْهِهِ، فَإِنَّ اللَّهَ قِبَلَ وَجْهِهِ إِذَا صَلَّى»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ৪০৭
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৪। মসজিদে থুথু হাতের সাহায্যে পরিষ্কার করা
৩৯৮। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ..... উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কিবলার দিকের দেওয়ালে নাকের শ্লেষ্মা, থুথু কিংবা কফ দেখলেন এবং তা পরিষ্কার করলেন।
كتاب الصلاة
باب حَكِّ الْبُزَاقِ بِالْيَدِ مِنَ الْمَسْجِدِ
407 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ المُؤْمِنِينَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «رَأَى فِي جِدَارِ القِبْلَةِ مُخَاطًا أَوْ بُصَاقًا أَوْ نُخَامَةً، فَحَكَّهُ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ৪০৮ - ৪০৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৫। কাঁকর দিয়ে মসজিদ থেকে নাকের শ্লেস্মা পরিষ্কার করা।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেছেনঃ যদি আর্দ্র আবর্জনায় তোমার পা ফেল, তখন তা ধুয়ে ফেলবে, আর শুকনো হলে ধোয়ার প্রয়োজন নেই।
৩৯৯। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা ও আবু সাইদ (খুদরী) (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদের দেওয়ালে কফ দেখে কাঁকর নিয়ে তা মুছে ফেললেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ যেন সামনের দিকে অথবা ডান দিকে কফ না ফেলে, বরং সে যেন তাঁর বাম দিকে অথবা তার বাঁ পায়ের নীচে ফেলে।
كتاب الصلاة
باب حَكِّ الْمُخَاطِ بِالْحَصَى مِنَ الْمَسْجِدِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِنْ وَطِئْتَ عَلَى قَذَرٍ رَطْبٍ فَاغْسِلْهُ وَإِنْ كَانَ يَابِسًا فَلاَ
408 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، وَأَبَا سَعِيدٍ حَدَّثَاهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى نُخَامَةً فِي جِدَارِ المَسْجِدِ، فَتَنَاوَلَ حَصَاةً فَحَكَّهَا، فَقَالَ: «إِذَا تَنَخَّمَ أَحَدُكُمْ فَلاَ يَتَنَخَّمَنَّ قِبَلَ وَجْهِهِ، وَلاَ عَنْ يَمِينِهِ وَلْيَبْصُقْ عَنْ يَسَارِهِ، أَوْ تَحْتَ قَدَمِهِ اليُسْرَى»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৪০০
আন্তর্জাতিক নং: ৪১০ - ৪১১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৬। নামাযে ডান দিকে থুথু ফেলবে না
৪০০। ইয়াহয়া ইবনে বুকায়র (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) ও আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদের দেওয়ালে কফ দেখলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কিছু কাঁকর নিলেন এবং তা মুছে ফেললেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ কফ ফেললে তা যেন সামনে অথবা ডানে না ফেলে বরং (প্রয়োজনে) সে বাঁ দিকে অথবা বাঁ পায়ের নীচে ফেলবে।
كتاب الصلاة
باب لاَ يَبْصُقْ عَنْ يَمِينِهِ، فِي الصَّلاَةِ
410 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، وَأَبَا سَعِيدٍ أَخْبَرَاهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى نُخَامَةً فِي حَائِطِ المَسْجِدِ، فَتَنَاوَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَصَاةً، فَحَتَّهَا، ثُمَّ قَالَ: «إِذَا تَنَخَّمَ أَحَدُكُمْ، فَلاَ يَتَنَخَّمْ قِبَلَ وَجْهِهِ، وَلاَ عَنْ يَمِينِهِ، وَلْيَبْصُقْ عَنْ يَسَارِهِ، أَوْ تَحْتَ قَدَمِهِ اليُسْرَى»