হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৪১
আন্তর্জাতিক নং: ৩৪৮
- তায়াম্মুমের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ শিরোনামবিহীন পরিচ্ছেদ।
৩৪১। আবদান (রাহঃ) .... আবু রাজা’ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ইমরান ইবনে হুসাইন খুযাঈ (রাযিঃ) বলেছেন যে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে জামাআতে নামায আদায় না করে পৃথক দাড়িয়ে থাকতে দেখলেন। তিনি লোকটিকে ডেকে বললেনঃ হে অমুক! তুমি জামাআতে নামায আদায় করলে না কেন? লোকটি বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার গোসলের প্রয়োজন হয়েছিল, কিন্তু পানি নেই। তিনি বললেনঃ তুমি পবিত্র মাটির ব্যবহার (তায়াম্মুম) করবে। তা-ই তোমার জন্য যথেষ্ট।
كتاب التيمم
باب التَّيَمُّمُ ضَرْبَةٌ
348 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَوْفٌ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ الخُزَاعِيُّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى رَجُلًا مُعْتَزِلًا لَمْ يُصَلِّ فِي القَوْمِ، فَقَالَ: «يَا فُلاَنُ مَا مَنَعَكَ أَنْ تُصَلِّيَ فِي القَوْمِ؟» فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ: أَصَابَتْنِي جَنَابَةٌ وَلاَ مَاءَ، قَالَ: «عَلَيْكَ بِالصَّعِيدِ فَإِنَّهُ يَكْفِيكَ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৪২
আন্তর্জাতিক নং: ৩৪৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪২। নামাযের অধ্যায়ঃ মি’রাজে কিভাবে নামায ফরয হল?
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ আমার কাছে আবু সুফিয়ান ইবনে হারব (রাযিঃ) হিরাকল-এর হাদীসে বর্ণনা করেছেন। তাতে তিনি এ কথাও বলেছেন যে, নবী (ﷺ) আমদেরকে নামায, সত্যবাদিতা ও চারিত্রিক পবিত্রতার নির্দেশ দিয়েছেন।
৩৪২। ইয়াহয়া ইবনে বুকায়র (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আবু যর (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমার ঘরের ছাদ খুলে দেয়া হল। তখন আমি মক্কায় ছিলাম। তারপর জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) এসে আমার বক্ষ বিদীর্ণ করলেন। আর তা যমযমের পানি দিয়ে ধুলেন। এরপর হিকমত ও ঈমানে পরিপূর্ণ একটি সোনার পাত্র নিয়ে আসলেন এবং তা আমার বক্ষে ঢেলে দিয়ে বন্ধ করে দিলেন। তারপর হাত ধরে আমাকে দুনিয়ার আসমানের দিকে নিয়ে চললেন। যখন দুনিয়ার আসমানে পৌঁছালাম, তখন জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) আসমানের রক্ষককে বললেনঃ দরজা খোল। তিনি বললেনঃ কে? উত্তর দিলেনঃ আমি জিবরাঈল, আবার জিজ্ঞাসা করলেনঃ আপনার সঙ্গে আর কেউ আছে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমার সঙ্গে মুহাম্মাদ (ﷺ)। তিনি আবার বললেনঃ তাঁকে কি আহবান করা হয়েছে? তিনি উত্তরে বললেনঃ হ্যাঁ।
তারপর আসমান খোলা হলে আমরা প্রথম আসমানে উঠলাম। সেখানে দেখলাম, এক লোক বসে আছেন এবং অনেকগুলো মানুষের আকৃতি তাঁর ডান পাশে রয়েছে এবং অনেকগুলো মানুষের আকৃতি বাম পাশেও রয়েছে। যখন তিনি ডান দিকে তাকাচ্ছেন, হাসছেন আর যখন তিনি বাঁ দিকে তাকাচ্ছেন, কাঁদছেন। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ, হে পুণ্যবান নবী! হে নেক সন্তান! আমি জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) কে জিজ্ঞাসা করলামঃ ইনি কে? তিনি বললেনঃ ইনি আদম (আলাইহিস সালাম)। আর তাঁর ডানে ও বাঁয়ে তাঁর সন্তানদের রুহ। ডান দিকের লোকেরা জান্নাতী আর বাঁ দিকের লোকেরা জাহান্নামী। এজন্য তিনি ডান দিকে তাকালে হাসেন আর বাঁ দিকে তাকালে কাঁদেন।
তারপর জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) আমাকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় আকাশে উঠলেন। সেখানে উঠে রক্ষক কে বললেনঃ দরজা খোল। তখন রক্ষক প্রথম আসমানের রক্ষকের অনুরূপ প্রশ্ন করলেন। তারপর দরজা খুলে দিলেন।
আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ এরপর আবু যর বলেনঃ তিনি (নবী ﷺ) আসমানসমূহে আদম (আলাইহিস সালাম), ইদরীস (আলাইহিস সালাম), মুসা (আলাইহিস সালাম), ঈসা (আলাইহিস সালাম), ও ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-কে পেলেন। আবু যর (রাযিঃ) তাঁদের অবস্থান নির্দিষ্টভাবে বলেন নি। কেবল এতটুকু বলেছেন যে, নবী (ﷺ) আদম (আলাইহিস সালাম)-কে প্রথম আসমানে এবং ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-কে ষষ্ঠ আসমানে পেয়েছেন।
আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ যখন জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) নবী (ﷺ)-কে ইদরীস (আলাইহিস সালাম) এর পাশ দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন ইদরীস (আলাইহিস সালাম) বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান নবী এবং নেক ভাই! আমি জিজ্ঞাসা করলাম ইনি কে? জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) বললেনঃ ইনি ঈদরীস (আলাইহিস সালাম)। তারপর আমি মুসা (আলাইহিস সালাম) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ! পূণ্যবান নবী এবং নেক ভাই। আমি বললাম ইনি কে? জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) বললেনঃ মুসা (আলাইহিস সালাম)। তারপর আমি ঈসা (আলাইহিস সালাম) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান নবী ও নেক ভাই। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ইনি কে? জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) বললেনঃ ইনি ঈসা (আলাইহিস সালাম)।
তারপর ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ খোশ আমদেদ! পুণ্যবান নবী এবং নেক সন্তান। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ইনি কে? জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) বললেনঃ ইনি ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)।
ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেন যে, ইবনে হাযম আমাকে খবর দিয়েছেন ইবনে আব্বাস ও আবু হাব্বা আনসারী (রাযিঃ) উভয়ে বলেনঃ নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তারপর আমাকে আরো উপরে উঠানো হল, আমি এমন এক সমতল স্থানে উপনীত হলাম, যেখান থেকে কলমের লেখার শব্দ শুনতে পেলাম। ইবনে হাযম (রাহঃ) ও আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) বলেনঃ নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তারপর আল্লাহ তাআলা আমার উম্মতের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামায ফরয করে দিলেন। আমি এ নিয়ে প্রত্যাবর্তনকালে যখন মুসা (আলাইহিস সালাম) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন মুসা (আলাইহিস সালাম) বললেনঃ আপনার উম্মতের উপর আল্লাহ কি ফরয করেছেন? আমি বললামঃ পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছেন। তিনি বললেনঃ আপনি আপনার রবের কাছে ফিরে যান। কারণ আপনার উম্মত তা আদায় করতে সক্ষম হবে না। আমি ফিরে গেলাম। আল্লাহ পাক কিছু অংশ কমিয়ে দিলেন। আমি মুসা (আলাইহিস সালাম) এর কাছে আবার গেলাম আর বললামঃ কিছু অংশ কমিয়ে দিয়েছেন। তিনি বললেনঃ আপনি আবার আপনার রবের কাছে যান। কারণ আপনার উম্মত এও আদায় করতে সক্ষম হবে না। আমি ফিরে গেলাম। তখন আরো কিছু অংশ কমিয়ে দেওয়া হল। আবারও মুসা (আলাইহিস সালাম) এর কাছে গেলাম, এবারও তিনি বললেনঃ আপনি আবার আপনার রবের কাছে যান। কারণ আপনার উম্মত এও আদায় করতে সক্ষম হবে না। তখন আমি আবার গেলাম, তখন আল্লাহ বললেনঃ এই পাঁচই (সাওয়াবের দিক দিয়ে) পঞ্চাশ (গণ্য হবে)। আমার কথার কোন পরিবর্তন নেই। আমি আবার মুসা (আলাইহিস সালাম) এর কাছে আসলে তিনি আমাকে আবারও বলললেনঃ আপনার রবের কাছে আবার যান। আমি বললামঃ আবার আমার রবের কাছে যেতে আমি লজ্জাবোধ করছি। তারপর জিবরাঈল(আলাইহিস সালাম) আমাকে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত নিয়ে গেলেন। আর তখন তা বিভিন্ন রংে ঢাকা ছিল, যার তাৎপর্য আমার জানা ছিল না। তারপর আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হল। আমি দেখলাম তাতে মুক্তার হার রয়েছে আর তার মাটি কস্তুরী।
كتاب الصلاة
كتاب الصلاة
باب كَيْفَ فُرِضَتِ الصَّلاَةُ فِي الإِسْرَاءِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ حَدَّثَنِي أَبُو سُفْيَانَ فِي حَدِيثِ هِرَقْلَ فَقَالَ يَأْمُرُنَا- يَعْنِي النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالصَّلاَةِ وَالصِّدْقِ وَالْعَفَافِ
349 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كَانَ أَبُو ذَرٍّ يُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " فُرِجَ عَنْ سَقْفِ بَيْتِي وَأَنَا بِمَكَّةَ، فَنَزَلَ جِبْرِيلُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَفَرَجَ صَدْرِي، ثُمَّ غَسَلَهُ بِمَاءِ زَمْزَمَ، ثُمَّ جَاءَ بِطَسْتٍ مِنْ ذَهَبٍ مُمْتَلِئٍ حِكْمَةً وَإِيمَانًا، فَأَفْرَغَهُ فِي صَدْرِي، ثُمَّ أَطْبَقَهُ، ثُمَّ أَخَذَ بِيَدِي، فَعَرَجَ بِي إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا، فَلَمَّا جِئْتُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا، قَالَ جِبْرِيلُ: لِخَازِنِ السَّمَاءِ افْتَحْ، قَالَ: مَنْ هَذَا؟ قَالَ هَذَا جِبْرِيلُ، قَالَ: هَلْ مَعَكَ أَحَدٌ؟ قَالَ: نَعَمْ مَعِي مُحَمَّدٌ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: أُرْسِلَ إِلَيْهِ؟ قَالَ: نَعَمْ، فَلَمَّا فَتَحَ عَلَوْنَا السَّمَاءَ الدُّنْيَا، فَإِذَا رَجُلٌ قَاعِدٌ عَلَى يَمِينِهِ أَسْوِدَةٌ، وَعَلَى يَسَارِهِ أَسْوِدَةٌ، إِذَا نَظَرَ قِبَلَ يَمِينِهِ ضَحِكَ، وَإِذَا نَظَرَ قِبَلَ يَسَارِهِ بَكَى، فَقَالَ: مَرْحَبًا بِالنَّبِيِّ الصَّالِحِ وَالِابْنِ الصَّالِحِ، قُلْتُ لِجِبْرِيلَ: مَنْ هَذَا؟ قَالَ: هَذَا آدَمُ، وَهَذِهِ الأَسْوِدَةُ عَنْ يَمِينِهِ وَشِمَالِهِ نَسَمُ بَنِيهِ، فَأَهْلُ اليَمِينِ مِنْهُمْ أَهْلُ الجَنَّةِ، وَالأَسْوِدَةُ الَّتِي عَنْ شِمَالِهِ أَهْلُ النَّارِ، فَإِذَا نَظَرَ عَنْ يَمِينِهِ ضَحِكَ، وَإِذَا نَظَرَ قِبَلَ شِمَالِهِ بَكَى حَتَّى عَرَجَ بِي إِلَى السَّمَاءِ الثَّانِيَةِ، فَقَالَ لِخَازِنِهَا: افْتَحْ، فَقَالَ لَهُ خَازِنِهَا مِثْلَ مَا قَالَ الأَوَّلُ: فَفَتَحَ، - قَالَ أَنَسٌ: فَذَكَرَ أَنَّهُ [ص:79] وَجَدَ فِي السَّمَوَاتِ آدَمَ، وَإِدْرِيسَ، وَمُوسَى، وَعِيسَى، وَإِبْرَاهِيمَ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِمْ، وَلَمْ يُثْبِتْ كَيْفَ مَنَازِلُهُمْ غَيْرَ أَنَّهُ ذَكَرَ أَنَّهُ وَجَدَ آدَمَ فِي السَّمَاءِ الدُّنْيَا وَإِبْرَاهِيمَ فِي السَّمَاءِ السَّادِسَةِ، قَالَ أَنَسٌ - فَلَمَّا مَرَّ جِبْرِيلُ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِإِدْرِيسَ قَالَ: مَرْحَبًا بِالنَّبِيِّ الصَّالِحِ وَالأَخِ الصَّالِحِ، فَقُلْتُ مَنْ هَذَا؟ قَالَ: هَذَا إِدْرِيسُ، ثُمَّ مَرَرْتُ بِمُوسَى فَقَالَ: مَرْحَبًا بِالنَّبِيِّ الصَّالِحِ وَالأَخِ الصَّالِحِ، قُلْتُ: مَنْ هَذَا؟ قَالَ: هَذَا مُوسَى، ثُمَّ مَرَرْتُ بِعِيسَى فَقَالَ: مَرْحَبًا بِالأَخِ الصَّالِحِ وَالنَّبِيِّ الصَّالِحِ، قُلْتُ: مَنْ هَذَا؟ قَالَ: هَذَا عِيسَى، ثُمَّ مَرَرْتُ بِإِبْرَاهِيمَ، فَقَالَ: مَرْحَبًا بِالنَّبِيِّ الصَّالِحِ وَالِابْنِ الصَّالِحِ، قُلْتُ: مَنْ هَذَا؟ قَالَ: هَذَا إِبْرَاهِيمُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ "، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: فَأَخْبَرَنِي ابْنُ حَزْمٍ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، وَأَبَا حَبَّةَ الأَنْصَارِيَّ، كَانَا يَقُولاَنِ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ثُمَّ عُرِجَ بِي حَتَّى ظَهَرْتُ لِمُسْتَوَى أَسْمَعُ فِيهِ صَرِيفَ الأَقْلاَمِ» ، قَالَ ابْنُ حَزْمٍ، وَأَنَسُ بْنُ مَالِكٍ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " فَفَرَضَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى أُمَّتِي خَمْسِينَ صَلاَةً، فَرَجَعْتُ بِذَلِكَ، حَتَّى مَرَرْتُ عَلَى مُوسَى، فَقَالَ: مَا فَرَضَ اللَّهُ لَكَ عَلَى أُمَّتِكَ؟ قُلْتُ: فَرَضَ خَمْسِينَ صَلاَةً، قَالَ: فَارْجِعْ إِلَى رَبِّكَ، فَإِنَّ أُمَّتَكَ لاَ تُطِيقُ ذَلِكَ، فَرَاجَعْتُ، فَوَضَعَ شَطْرَهَا، فَرَجَعْتُ إِلَى مُوسَى، قُلْتُ: وَضَعَ شَطْرَهَا، فَقَالَ: رَاجِعْ رَبَّكَ، فَإِنَّ أُمَّتَكَ لاَ تُطِيقُ، فَرَاجَعْتُ فَوَضَعَ شَطْرَهَا، فَرَجَعْتُ إِلَيْهِ، فَقَالَ: ارْجِعْ إِلَى رَبِّكَ، فَإِنَّ أُمَّتَكَ لاَ تُطِيقُ ذَلِكَ، فَرَاجَعْتُهُ، فَقَالَ: هِيَ خَمْسٌ، وَهِيَ خَمْسُونَ، لاَ يُبَدَّلُ القَوْلُ لَدَيَّ، فَرَجَعْتُ إِلَى مُوسَى، فَقَالَ: رَاجِعْ رَبَّكَ، فَقُلْتُ: اسْتَحْيَيْتُ مِنْ رَبِّي، ثُمَّ انْطَلَقَ بِي، حَتَّى انْتَهَى بِي إِلَى سِدْرَةِ المُنْتَهَى، وَغَشِيَهَا أَلْوَانٌ لاَ أَدْرِي مَا هِيَ؟ ثُمَّ أُدْخِلْتُ الجَنَّةَ، فَإِذَا فِيهَا حَبَايِلُ اللُّؤْلُؤِ وَإِذَا تُرَابُهَا المِسْكُ "

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৪৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫০
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪২। নামাযের অধ্যায়ঃ মি’রাজে কিভাবে নামায ফরয হল?
৩৪৩। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ..... উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আল্লাহ তাআলা মুকীম অবস্থায় ও সফরে দুই রাক’আত করে নামায ফরয করেছিলেন। পরে সফরের নামায পূর্বের মত রাখা হল আর মুকীম অবস্থার নামায বৃদ্ধি করা হল।
كتاب الصلاة
كتاب الصلاة
باب كَيْفَ فُرِضَتِ الصَّلاَةُ فِي الإِسْرَاءِ
350 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ المُؤْمِنِينَ، قَالَتْ: «فَرَضَ اللَّهُ الصَّلاَةَ حِينَ فَرَضَهَا، رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ، فِي الحَضَرِ وَالسَّفَرِ، فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ، وَزِيدَ فِي صَلاَةِ الحَضَرِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৪৪
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৩। নামায আদায়ের সময় কাপড় পরার প্রয়োজনীয়তা।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন- (خُذُوا زِينَتَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ) ″তোমরা প্রত্যেক নামাযের সময় সুন্দর পরিচ্ছদ পরিধান করবে″ (৭ : ৩১)।
এক বস্ত্র শরীরে জড়িয়ে নামায আদায় করা। সালামা ইবনুল আকওয়া’ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা জামায় বোতাম লাগিয়ে নাও এমন কি কাঁটা দিয়ে হলেও। এই হাদীসের সনদ সম্পর্কে কথা আছে।
যে কাপড় পরে স্ত্রী সহবাস করা হয়েছে তাতে কোন নাপাকি দেখা না গেলে তা পরিধান করে নামায আদায় করা যায়। আর নবী (ﷺ) নির্দেশ দিয়েছেন যে, উলঙ্গ অবস্থায় যেন কেউ বায়তুল্লাহর তাওয়াফ না করে।
৩৪৪। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ..... উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) ঈদের দিনে ঋতুবতী এবং পর্দানশীন মহিলাদের বের করে আনার নির্দেশ দিলেন, যাতে তাঁরা মুসলমানদের জামাআতে ও দুআয় শরীক হতে পারে। অবশ্য ঋতুবতী মহিলারা নামাযের স্থান থেকে দূরে থাকবে। এক মহিলা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের কারো কারো ওড়না নেই। তিনি বললেনঃ তাঁর সাথীর উচিত তাঁকে নিজের ওড়না থেকে পরিয়ে দেওয়া।

আব্দুল্লাহ ইবনে রাজা (রাহঃ) সূত্রে.............................. উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি নবী (ﷺ) কে এরূপ বলতে শুনেছি।
كتاب الصلاة
بَابُ وُجُوبِ الصَّلاَةِ فِي الثِّيَابِ وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {خُذُوا زِينَتَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ} [الأعراف: 31] وَمَنْ صَلَّى مُلْتَحِفًا فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ وَيُذْكَرُ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «يَزُرُّهُ وَلَوْ بِشَوْكَةٍ فِي إِسْنَادِهِ نَظَرٌ» وَمَنْ صَلَّى فِي الثَّوْبِ الَّذِي يُجَامِعُ فِيهِ مَا لَمْ [ص:80] يَرَأَذًى «وَأَمَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ لاَ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ»
351 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، قَالَتْ: أُمِرْنَا أَنْ نُخْرِجَ الحُيَّضَ يَوْمَ العِيدَيْنِ، وَذَوَاتِ الخُدُورِ فَيَشْهَدْنَ جَمَاعَةَ المُسْلِمِينَ، وَدَعْوَتَهُمْ وَيَعْتَزِلُ الحُيَّضُ عَنْ مُصَلَّاهُنَّ، قَالَتِ امْرَأَةٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِحْدَانَا لَيْسَ لَهَا جِلْبَابٌ؟ قَالَ: «لِتُلْبِسْهَا صَاحِبَتُهَا مِنْ جِلْبَابِهَا» ، وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ: حَدَّثَنَا عِمْرَانُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ، حَدَّثَتْنَا أُمُّ عَطِيَّةَ، سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِهَذَا
tahqiq

তাহকীক:

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫২
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৪। নামাযে কাঁধে তহবন্দ বাঁধা।
আর আবু হাযিম (রাহঃ) সাহল ইবনে সা’দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সাহাবায়ে কিরাম নবী (ﷺ) এর সঙ্গে তহবন্দ কাঁধে বেঁধে নামায আদায় করেছিলেন।
৩৪৫। আহমদ ইবনে ইউনুস (রাহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একদা জাবির (রাযিঃ) কাঁধে তহবন্দ বেঁধে নামায আদায় করেন। আর তাঁর কাপড় (জামা) আলনায় রক্ষিত ছিল। তখন তাঁকে এক ব্যক্তি বললঃ আপনি যে এক তহবন্দ পরে নামায আদায় করলেন? তিনি উত্তরে বললেনঃ তোমার মত আহাম্মকদের দেখানোর জন্য আমি এরূপ করেছি। নবী (ﷺ) এর যুগে আমাদের মধ্যে কারই বা দু’টো কাপড় ছিল?
كتاب الصلاة
باب عَقْدِ الإِزَارِ عَلَى الْقَفَا فِي الصَّلاَةِ وَقَالَ أَبُو حَازِمٍ عَنْ سَهْلٍ صَلَّوْا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَاقِدِي أُزْرِهِمْ عَلَى عَوَاتِقِهِمْ
352 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي وَاقِدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ المُنْكَدِرِ، قَالَ: «صَلَّى جَابِرٌ فِي إِزَارٍ قَدْ عَقَدَهُ مِنْ قِبَلِ قَفَاهُ وَثِيَابُهُ مَوْضُوعَةٌ عَلَى المِشْجَبِ» ، قَالَ لَهُ قَائِلٌ: تُصَلِّي فِي إِزَارٍ وَاحِدٍ؟، فَقَالَ: «إِنَّمَا صَنَعْتُ ذَلِكَ لِيَرَانِي أَحْمَقُ مِثْلُكَ وَأَيُّنَا كَانَ لَهُ ثَوْبَانِ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৪। নামাযে কাঁধে তহবন্দ বাঁধা।
৩৪৬। মুতাররিফ আবু মূসআব (রাহঃ) .... মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি জাবির (রাযিঃ)-কে এক কাপড়ে নামায আদায় করতে দেখেছি। আর তিনি বলেছেনঃ আমি নবী (ﷺ)-কে এক কাপড়ে নামায আদায় করতে দেখেছি।
كتاب الصلاة
باب عَقْدِ الإِزَارِ عَلَى الْقَفَا فِي الصَّلاَةِ
353 - حَدَّثَنَا مُطَرِّفٌ أَبُو مُصْعَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي المَوَالِي، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ المُنْكَدِرِ، قَالَ: رَأَيْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يُصَلِّي فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ، وَقَالَ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِي ثَوْبٍ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৪
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৫। এক কাপড় গায়ে জড়িয়ে নামায আদায় করা ।
যুহরী (রাহঃ) তাঁর হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, ملٔتحف এর অর্থ متوشح -অর্থাৎ যে চাদরের উভয় অংশ বিপরীত কাঁধে রাখে। এভাবে কাঁধের উপর চাদর রাখাকে ইশতিমাল বলে। উম্মে হানী (রাযিঃ) বলেন যে, নবী (ﷺ) এক চাদর গায়ে দিলেন এবং তিনি চাদরের উভয় প্রান্ত বিপরীত কাঁধে রাখলেন।
৩৪৭। উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা (রাহঃ) .... উমর ইবনে আবু সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) এক কাপড় পরে নামায আদায় করলেন, আর তাঁর উভয় প্রান্ত বিপরীত দিকে রাখলেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ مُلْتَحِفًا بِهِ قَالَ الزُّهْرِيُّ فِي حَدِيثِهِ الْمُلْتَحِفُ الْمُتَوَشِّحُ، وَهْوَ الْمُخَالِفُ بَيْنَ طَرَفَيْهِ عَلَى عَاتِقَيْهِ، وَهْوَ الاِشْتِمَالُ عَلَى مَنْكِبَيْهِ. قَالَ وَقَالَتْ أُمُّ هَانِئٍ الْتَحَفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِثَوْبٍ، وَخَالَفَ بَيْنَ طَرَفَيْهِ عَلَى عَاتِقَيْهِ
354 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ قَدْ خَالَفَ بَيْنَ طَرَفَيْهِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৫
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৫। এক কাপড় গায়ে জড়িয়ে নামায আদায় করা ।
৩৪৮। মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রাহঃ) ..... উমর ইবনে আবু সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে উম্মে সালামা (রাযিঃ)-এর ঘরে এক কাপড়ে নামায আদায় করতে দেখেছেন। তিনি [রাসূলুল্লাহ (ﷺ)] সে কাপড়ের উভয় প্রান্ত নিজের উভয় কাঁধে রেখেছিলেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ مُلْتَحِفًا بِهِ
355 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ المُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّهُ «رَأَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ فِي بَيْتِ أُمِّ سَلَمَةَ قَدْ أَلْقَى طَرَفَيْهِ عَلَى عَاتِقَيْهِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৪৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৬
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৫। এক কাপড় গায়ে জড়িয়ে নামায আদায় করা ।
৩৪৯। উবাইদ ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ..... উমর ইবনে আবু সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল (ﷺ)-কে এক কাপড় জড়িয়ে উম্মে সালামা (রাযিঃ)-এর ঘরে নামায আদায় করতে দেখেছি, যার উভয় প্রান্ত তাঁর উভয় কাঁধের উপর রেখেছিলেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ مُلْتَحِفًا بِهِ
356 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ أَبِي سَلَمَةَ أَخْبَرَهُ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ مُشْتَمِلًا بِهِ فِي بَيْتِ أُمِّ سَلَمَةَ وَاضِعًا طَرَفَيْهِ عَلَى عَاتِقَيْهِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৫০
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৭
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৫। এক কাপড় গায়ে জড়িয়ে নামায আদায় করা ।
৩৫০। ইসমাঈল ইবনে আবু উওয়ায়স (রাহঃ) .... উম্মে হানী বিনতে আবু তালিব (রাযিঃ) বলেনঃ আমি বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে গিয়ে দেখলাম যে, তিনি গোসল করছেন আর তাঁর মেয়ে ফাতিমা (রাযিঃ) তাঁকে পর্দা করে রেখেছেন। তিনি বলেনঃ আমি তাঁকে সালাম দিলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ এ কে? আমি উত্তর দিলামঃ আমি উম্মে হানী বিনতে আবু তালিব। তিনি বললেনঃ মারহাবা, হে উম্মে হানী! গোসল করার পরে তিনি এক কাপড় জড়িয়ে আট রাকআত নামায আদায় করলেন। নামায শেষ করলে তাঁকে আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার সহোদর ভাই [আলী ইবনে আবু তালিব (রাযিঃ)] এক লোককে হত্যা করতে চায়, অথচ আমি সে লোকটিকে আশ্রয় দিয়েছি। সে লোকটি হুবায়রার ছেলে অমুক। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ হে উম্মে হানী! তুমি যাকে আশ্রয় দিয়েছ, আমিও তাঁকে আশ্রয় দিলাম। উম্মে হানী (রাযিঃ) বলেনঃ তখন ছিল চাশতের সময়।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ مُلْتَحِفًا بِهِ
357 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَنَّ أَبَا مُرَّةَ مَوْلَى أُمِّ هَانِئٍ بِنْتِ أَبِي طَالِبٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أُمَّ هَانِئٍ بِنْتَ أَبِي طَالِبٍ، تَقُولُ: ذَهَبْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الفَتْحِ، فَوَجَدْتُهُ يَغْتَسِلُ وَفَاطِمَةُ ابْنَتُهُ تَسْتُرُهُ، قَالَتْ: فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ، فَقَالَ: «مَنْ هَذِهِ» [ص:81]، فَقُلْتُ: أَنَا أُمُّ هَانِئٍ بِنْتُ أَبِي طَالِبٍ فَقَالَ: «مَرْحَبًا بِأُمِّ هَانِئٍ» ، فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ غُسْلِهِ، قَامَ فَصَلَّى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ مُلْتَحِفًا فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ، فَلَمَّا انْصَرَفَ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، زَعَمَ ابْنُ أُمِّي أَنَّهُ قَاتِلٌ رَجُلًا قَدْ أَجَرْتُهُ، فُلاَنَ ابْنَ هُبَيْرَةَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَدْ أَجَرْنَا مَنْ أَجَرْتِ يَا أُمَّ هَانِئٍ» قَالَتْ أُمُّ هَانِئٍ: وَذَاكَ ضُحًى

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৫১
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৮
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৫। এক কাপড় গায়ে জড়িয়ে নামায আদায় করা ।
৩৫১। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এক কাপড়ে নামায আদায়ের হুকুম জিজ্ঞাসা করল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উত্তরে বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের কি দু’টি করে কাপড় আছে?
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ مُلْتَحِفًا بِهِ
358 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ المُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ سَائِلًا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الصَّلاَةِ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَوَلِكُلِّكُمْ ثَوْبَانِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৫২
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৬। কেউ এক কাপড়ে নামায আদায় করলে সে যেন উভয় কাঁধের উপর (কিছু অংশ) রাখে
৩৫২। আবু আসিম (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ এক কাপড় পরে এমনভাবে যেন নামায আদায় না করে যে, তার উভয় কাঁধে এর কোন অংশ নেই।
كتاب الصلاة
باب إِذَا صَلَّى فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ فَلْيَجْعَلْ عَلَى عَاتِقَيْهِ
359 - حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لاَ يُصَلِّي أَحَدُكُمْ فِي الثَّوْبِ الوَاحِدِ لَيْسَ عَلَى عَاتِقَيْهِ شَيْءٌ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬০
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৬। কেউ এক কাপড়ে নামায আদায় করলে সে যেন উভয় কাঁধের উপর (কিছু অংশ) রাখে
৩৫৩। আবু নুআয়ম (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি এক কাপড়ে নামায আদায় করে, সে যেন কাপড়ের দু’প্রান্ত বিপরীত পার্শ্বে রাখে।
كتاب الصلاة
باب إِذَا صَلَّى فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ فَلْيَجْعَلْ عَلَى عَاتِقَيْهِ
360 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُهُ - أَوْ كُنْتُ سَأَلْتُهُ - قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: أَشْهَدُ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ صَلَّى فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ فَلْيُخَالِفْ بَيْنَ طَرَفَيْهِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৭। কাপড় যদি সংকীর্ণ হয়
৩৫৪। ইয়াহয়া ইবনে সালিহ (রাহঃ) ......... সাঈদ ইবনে হারিস (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ)-কে এক কাপড়ে নামায আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেনঃ আমি নবী (ﷺ) এর সঙ্গে কোন সফরে বের হয়েছিলাম। এক রাতে আমি কোন প্রয়োজনে তাঁর কাছে গেলাম। দেখলাম, তিনি নামাযরত আছেন। তখন আমার শরীরে মাত্র একখানা কাপড় ছিল। আমি কাপড় দিয়ে শরীর জড়িয়ে নিলাম আর তাঁর পার্শ্বে নামাযে দাঁড়ালাম। তিনি নামায শেষ করে জিজ্ঞাসা করলেনঃ জাবির! রাতের বেলা আসার কারণ কি? তখন আমি তাঁকে আমার প্রয়োজনের কথা জানালাম। আমার কাজ শেষ হলে তিনি বললেনঃ এ কিরূপ জড়ানো অবস্থায় তোমাকে দেখলাম? আমি বললামঃ কাপড় একটিই ছিল (তাই এভাবে করেছি)। তিনি বললেনঃ কাপড় যদি বড় হয়, তাহলে শরীরে জড়িয়ে পরবে। আর যদি ছোট হয়, তাহলে তহবন্দরূপে ব্যবহার করবে।
كتاب الصلاة
باب إِذَا كَانَ الثَّوْبُ ضَيِّقًا
361 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الحَارِثِ، قَالَ: سَأَلْنَا جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ الصَّلاَةِ فِي الثَّوْبِ الوَاحِدِ، فَقَالَ: خَرَجْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ، فَجِئْتُ لَيْلَةً لِبَعْضِ أَمْرِي، فَوَجَدْتُهُ يُصَلِّي، وَعَلَيَّ ثَوْبٌ وَاحِدٌ، فَاشْتَمَلْتُ بِهِ وَصَلَّيْتُ إِلَى جَانِبِهِ، فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ: «مَا السُّرَى يَا جَابِرُ» فَأَخْبَرْتُهُ بِحَاجَتِي، فَلَمَّا فَرَغْتُ قَالَ: «مَا هَذَا الِاشْتِمَالُ الَّذِي رَأَيْتُ» ، قُلْتُ: كَانَ ثَوْبٌ - يَعْنِي ضَاقَ - قَالَ: «فَإِنْ كَانَ وَاسِعًا فَالْتَحِفْ بِهِ، وَإِنْ كَانَ ضَيِّقًا فَاتَّزِرْ بِهِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬২
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৭। কাপড় যদি সংকীর্ণ হয়
৩৫৫। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... সাহল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, লোকেরা বাচ্চাদের মত নিজেদের তহবন্দ কাঁধে বেঁধে নবী (ﷺ) এর সাথে নামায আদায় করতেন। আর মহিলাদের প্রতি নির্দেশ ছিল যে, তাঁরা যেন পুরুষদের ঠিকমত বসে যাওয়ার পূর্বে সিজদা থেকে মাথা না উঠায়।
كتاب الصلاة
باب إِذَا كَانَ الثَّوْبُ ضَيِّقًا
362 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: كَانَ رِجَالٌ يُصَلُّونَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَاقِدِي أُزْرِهِمْ عَلَى أَعْنَاقِهِمْ، كَهَيْئَةِ الصِّبْيَانِ، وَيُقَالُ لِلنِّسَاءِ: «لاَ تَرْفَعْنَ رُءُوسَكُنَّ حَتَّى يَسْتَوِيَ الرِّجَالُ جُلُوسًا»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৮। শামী জুব্বা পরে নামায আদায় করা।
হাসান (রাহঃ) বলেনঃ মাজূসী (অগ্নিপূজক)-দের তৈরী কাপড়ে নামায আদায় করায় কোন ক্ষতি নেই।
আর মা’মার (রাহঃ) বলেনঃ আমি যুহরী (রাহঃ)-কে ইয়ামানের তৈরী কাপড়ে নামায আদায় করতে দেখেছি, যা পেশাবের* দ্বারা রঞ্জিত ছিল।
আলী ইবনে আবু তালিব (রাযিঃ) অধোয়া নতুন কাপড়ে নামায আদায় করেছেন।

* কাপড় ধৌত করার পরও পেশাবের দাগ যায়নি এমন কাপড়ে।
৩৫৬। ইয়াহয়া (রাহঃ) .... মুগীরা ইবনে শু’বা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি কোন এক সফরে নবী (ﷺ) এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি বললেনঃ হে মুগীরা! লোটাটি লও। আমি তা নিলাম। তিনি আমার দৃষ্টির বাইরে গিয়ে প্রয়োজন সমাধা করলেন। তখন তাঁর দেহে ছিল শামী জুব্বা। তিনি জুব্বার আস্তিন থেকে হাত বের করতে চাইলেন। কিন্তু আস্তিন সংকীর্ণ হওয়ায় তিনি নীচের দিক দিয়ে হাত বের করলেন। আমি পানি ঢেলে দিলাম এবং তিনি নামাযের উযুর ন্যায় উযু করলেন। আর তাঁর উভয় মোজার উপর মাসাহ করলেন ও পরে নামায আদায় করলেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الْجُبَّةِ الشَّأْمِيَّةِ وَقَالَ الْحَسَنُ فِي الثِّيَابِ يَنْسُجُهَا الْمَجُوسِيُّ لَمْ يَرَ بِهَا بَأْسًا. وَقَالَ مَعْمَرٌ رَأَيْتُ الزُّهْرِيَّ يَلْبَسُ مِنْ ثِيَابِ الْيَمَنِ مَا صُبِغَ بِالْبَوْلِ. وَصَلَّى عَلِيٌّ فِي ثَوْبٍ غَيْرِ مَقْصُورٍ
363 - حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ مُغِيرَةَ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ، فَقَالَ: «يَا مُغِيرَةُ خُذِ الإِدَاوَةَ» ، فَأَخَذْتُهَا، فَانْطَلَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى تَوَارَى عَنِّي، فَقَضَى حَاجَتَهُ، وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ شَأْمِيَّةٌ، فَذَهَبَ [ص:82] لِيُخْرِجَ يَدَهُ مِنْ كُمِّهَا فَضَاقَتْ، فَأَخْرَجَ يَدَهُ مِنْ أَسْفَلِهَا، فَصَبَبْتُ عَلَيْهِ، فَتَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ، وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ، ثُمَّ صَلَّى

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৪
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪৯। নামাযে ও তার বাইরে বিবস্ত্র হওয়া অপছন্দনীয়
৩৫৭। মাতার ইবনে ফযল (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (নবুওয়াতের পূর্বে) কুরাইশদের সাথে কাবার (মেরামতের) জন্য পাথর তুলে দিচ্ছিলেন। তাঁর পরনে ছিল লুঙ্গী। তাঁর চাচা আব্বাস (রাযিঃ) তাঁকে বললেন; ভাতিজা! তুমি লুঙ্গী খুলে কাঁধে পাথরের নীচে রাখলে ভাল হত। জাবির (রাযিঃ) বলেনঃ তিনি লুঙ্গী খুলে কাঁধে রাখলেন এবং তৎক্ষণাত বেহুশ হয়ে পড়লেন। এরপর তাঁকে আর কখনো বিবস্ত্র অবস্থায় দেখা যায়নি।
كتاب الصلاة
باب كَرَاهِيَةِ التَّعَرِّي فِي الصَّلاَةِ وَغَيْرِهَا
364 - حَدَّثَنَا مَطَرُ بْنُ الفَضْلِ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَوْحٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، قَالَ: سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يُحَدِّثُ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَنْقُلُ مَعَهُمُ الحِجَارَةَ لِلْكَعْبَةِ وَعَلَيْهِ إِزَارُهُ» ، فَقَالَ لَهُ العَبَّاسُ عَمُّهُ: يَا ابْنَ أَخِي، لَوْ حَلَلْتَ إِزَارَكَ فَجَعَلْتَ عَلَى مَنْكِبَيْكَ دُونَ الحِجَارَةِ، قَالَ: «فَحَلَّهُ فَجَعَلَهُ عَلَى مَنْكِبَيْهِ، فَسَقَطَ مَغْشِيًّا عَلَيْهِ، فَمَا رُئِيَ بَعْدَ ذَلِكَ عُرْيَانًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৫
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫০। জামা, পায়জামা, জাঙ্গিয়া ও কাবা পরে নামায আদায় করা।
৩৫৮। সুলাইমান ইবনে হারব (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে দাঁড়িয়ে এক কাপড়ে নামায আদায়ের হুকুম জিজ্ঞাসা করল। তিনি বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের কাছে কি দু’খানা করে কাপড় আছে? এরপর এক ব্যক্তি উমর (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করল। তিনি বললেনঃ আল্লাহ যখন তোমাদের সামর্থ্য দিয়েছেন তখন তোমরাও নিজেদের সামর্থ্য প্রকাশ কর। লোকেরা যেন পুরো পোশাক একত্রে পরিধান করে অর্থাৎ মানুষ তহবন্দ ও চাঁদর, তহবন্দ ও জামা, তহবন্দ ও কাবা*, পায়জামা ও চাঁদর, পায়জামা ও জামা, পায়জামা ও কাবা, জাঙ্গিয়া ও কাবা, জাঙ্গিয়া ও জামা পরে নামায আদায় করে। আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বলেন যে, আমার মনে হয় উমর (রাযিঃ) জাঙ্গিয়া ও চাঁদরের কথাও বলেছিলেন।

* কাবা : সাধারণত জামার উপরিভাগে যে ঢিলাঢালা জোব্বা আচকান পরা হয় ।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الْقَمِيصِ وَالسَّرَاوِيلِ وَالتُّبَّانِ وَالْقَبَاءِ
365 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَامَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَهُ عَنِ الصَّلاَةِ فِي الثَّوْبِ الوَاحِدِ، فَقَالَ: «أَوَكُلُّكُمْ يَجِدُ ثَوْبَيْنِ» ثُمَّ سَأَلَ رَجُلٌ عُمَرَ، فَقَالَ: «إِذَا وَسَّعَ اللَّهُ فَأَوْسِعُوا» ، جَمَعَ رَجُلٌ عَلَيْهِ ثِيَابَهُ، صَلَّى رَجُلٌ فِي إِزَارٍ وَرِدَاءٍ، فِي إِزَارٍ، وَقَمِيصٍ فِي إِزَارٍ وَقَبَاءٍ، فِي سَرَاوِيلَ وَرِدَاءٍ، فِي سَرَاوِيلَ وَقَمِيصٍ، فِي سَرَاوِيلَ وَقَبَاءٍ، فِي تُبَّانٍ وَقَبَاءٍ، فِي تُبَّانٍ وَقَمِيصٍ، قَالَ: وَأَحْسِبُهُ قَالَ: فِي تُبَّانٍ وَرِدَاءٍ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৬
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫০। জামা, পায়জামা, জাঙ্গিয়া ও কাবা পরে নামায আদায় করা।
৩৫৯। আসিম ইবনে আলী (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলো, ইহরামকারী কি পরিধান করবে? তিনি বললেনঃ সে জামা পরবে না, পায়জামা পরবে না, টুপি পরবে না, যাফরান বা ওয়ারস* রংে রঞ্জিত কাপড় পরবে না। আর জুতা না পেলে মোজা পরবে। তবে তা পায়ের গিরার নীচে পর্যন্ত কেটে নেবে।

নাফি’ (রাহঃ) ইবনে উমর (রাযিঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

*ওয়ারসঃ এক প্রকার হলুদ রংের তৃণ জাতীয় সুগন্ধি।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الْقَمِيصِ وَالسَّرَاوِيلِ وَالتُّبَّانِ وَالْقَبَاءِ
366 - حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: مَا يَلْبَسُ المُحْرِمُ؟ فَقَالَ: «لاَ يَلْبَسُ القَمِيصَ وَلاَ السَّرَاوِيلَ، وَلاَ البُرْنُسَ، وَلاَ ثَوْبًا مَسَّهُ الزَّعْفَرَانُ، وَلاَ وَرْسٌ، فَمَنْ لَمْ يَجِدِ النَّعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسِ الخُفَّيْنِ، وَلْيَقْطَعْهُمَا حَتَّى يَكُونَا أَسْفَلَ مِنَ الكَعْبَيْنِ» ، وَعَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৬০
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৭
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫১। লজ্জাস্থান ঢাকা
৩৬০। কুতায়বা (রাহঃ) .... আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) ইশতিমালে সাম্মা* এবং কাপড়ে ইহতিবা* করতে নিষেধ করেছেন যাতে তাঁর লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ থাকে না।

*ইশতিমালে সাম্মা বলা হয়- চাদরজাতীয় কোনো পোষাক পুরো শরীরে এমনভাবে পেঁচিয়ে নেওয়া, যাতে সহজভাবে চলাফেরা করা যায় না এবং প্রয়োজনের সময় তাড়াতাড়ি হাত বের করা যায় না। যেমন গ্রামাঞ্চলে দেখা যায়, শীতকালে মায়েরা শিশুদের গায়ে চাদর জড়িয়ে ঘাড়ের কাছে গিঁট মেরে দেন। এভাবে কাপড় পড়া অনুচিত।
*আর ইহতিবা বলা হয়- মাটিতে দুই হাঁটু খাড়া করে নিতম্বের উপর বসে এক চাদরে পুরো শরীর ও দুই পা আবৃত করা। যাতে লজ্জাস্থান খুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
كتاب الصلاة
باب مَا يَسْتُرُ مِنَ الْعَوْرَةِ
367 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ اشْتِمَالِ الصَّمَّاءِ، وَأَنْ يَحْتَبِيَ الرَّجُلُ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ، لَيْسَ عَلَى فَرْجِهِ مِنْهُ شَيْءٌ»