হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৭৬
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হারাম সম্পদের অশুভ ও মন্দ পরিণতি
৩৭৬. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, আল্লাহ পবিত্র, পবিত্র ছাড়া তিনি গ্রহণ করেন না। আল্লাহ তা'আলা মু'মিনগণকে সেই নির্দেশ দিয়েছেন যে নির্দেশ দিয়েছেন রাসূলগণকে। আল্লাহ বলেন, "হে রাসূলগণ! তোমরা পাক-পবিত্র খাদ্য গ্রহণ কর এবং উত্তম কাজ কর।" আর মু'মিনগণকে বলেন, "হে মু'মিনগণ! তোমরা পাক পবিত্র খাদ্য গ্রহণ কর যা আমি তোমাদেরকে দিয়েছি।" এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ এরূপ ব্যক্তির উল্লেখ করেন যে, ঔসকু-খুসকু চুল এবং ধূলায় ধূসরিত কাপড় ও দেহে দূর-দূরান্ত হতে ভ্রমণ করে এসে আসমানের প্রতি হাত তুলে দু'আ করে, হে আল্লাহ! অথচ তার খাদ্য হারাম, তার পানীয় হারাম, তার পোশাক হারাম। আর হারাম খাদ্য গ্রহণ দ্বারা জীবিত আছে। সুতরাং তার দু'আ কিভাবে কবুল করা হবে? (মুসলিম)
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّ اللهَ طَيِّبٌ لَا يَقْبَلُ إِلَّا طَيِّبًا، وَإِنَّ اللهَ أَمَرَ الْمُؤْمِنِينَ بِمَا أَمَرَ بِهِ الْمُرْسَلِينَ، فَقَالَ: {يَا أَيُّهَا الرُّسُلُ كُلُوا مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَاعْمَلُوا صَالِحًا، إِنِّي بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌ} وَقَالَ: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ} ثُمَّ ذَكَرَ الرَّجُلَ يُطِيلُ السَّفَرَ أَشْعَثَ أَغْبَرَ، يَمُدُّ يَدَهُ إِلَى السَّمَاءِ، يَا رَبِّ، يَا رَبِّ، وَمَطْعَمُهُ حَرَامٌ، وَمَشْرَبُهُ حَرَامٌ، وَمَلْبَسُهُ حَرَامٌ، وَغُذِيَ بِالْحَرَامِ، فَأَنَّى يُسْتَجَابُ لِذَلِكَ ؟ " (رواه مسلم)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৭৭
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হারাম সম্পদের অশুভ ও মন্দ পরিণতি
৩৭৭. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দশ দিরহাম দিয়ে কোন কাপড় ক্রয় করল আর এতে একটা দিরহাম হারাম ছিল, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত উক্ত কাপড় তার শরীরে থাকে তার নামায আল্লাহ তা'আলা কবুল করবেন না। (একথা বলে) হযরত ইবনে উমর স্বীয় দুই আঙ্গুল তার দু'কানে ঢুকান এবং বলেন, আমার এ দু'কান বধির হয়ে যাক যদি আমি একথা রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনে না থাকি। (অর্থাৎ আমি যা বলেছি তা আমি নিজ কানে রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি। (আহমদ, বায়হাকী)
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: «مَنِ اشْتَرَى ثَوْبًا بِعَشَرَةِ دَرَاهِمَ، وَفِيهِ دِرْهَمٌ حَرَامٌ، لَمْ يَقْبَلِ اللَّهُ لَهُ صَلَاةً مَادَامَ عَلَيْهِ» ، قَالَ: ثُمَّ أَدْخَلَ أُصْبُعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: «صُمَّتَا إِنْ لَمْ يَكُنِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمِعْتُهُ يَقُولُهُ» (رواه احمد والبيهقى فى شعب الايمان)
tahqiq

তাহকীক:

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৭৮
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হারাম সম্পদের অশুভ ও মন্দ পরিণতি
৩৭৮. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, সেই গোশত ও সেই দেহ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না, যা হারাম মাল দ্বারা বর্ধিত হয়েছে। আর প্রত্যেক দেহ যা হারাম মাল দ্বারা বর্ধিত হয়েছে জাহান্নামই তার উপযুক্ত স্থান। (আহমদ, দারিমী, বায়হাকী)
کتاب المعاشرت والمعاملات
َعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ لَحْمٌ نَبَتَ مِنَ السُّحْتِ، كَانَتِ النَّارُ أَوْلَى بِهِ. (رواه احمد والدارمى والبيهقى فى شعب الايمان)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৭৯
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হারাম সম্পদের অশুভ ও মন্দ পরিণতি
৩৭৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন, মানুষের মধ্যে এমন এক সময় আসবে যে, মানুষ চিন্তা করবে না অন্যের নিকট হতে সে কী গ্রহণ করছে, হালাল না কি হারাম? (বুখারী)
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: « يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ، لاَ يُبَالِي المَرْءُ بِمَا أَخَذَ مِنْهُ، مِنَ الْحَلاَلِ أَمْ مِنْ الحَرَامِ» (رواه البخارى وزاد عليه فاذ ذالك لا تجاب لهم دعوة)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৮০
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরহেজগারীর স্থান, সন্দেহজনক বস্তু থেকেও বেঁচে থাকা প্রয়োজন
৩৮০. হযরত নু'মান ইবনে বশীর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, হালাল প্রকাশ্য ও স্পষ্ট। হারামও স্পষ্ট ও প্রকাশ্য। আর এ দু'য়ের মধ্যে আছে সন্দেহজনক বিষয়াবলী। অনেক মানুষই তা জানে না। সুতরাং যে সন্দেহজনক বিষয়াবলী থেকে দূরে রইল সে তার দীন ও সম্মানকে রক্ষা করল। আর যে সন্দেহজনক বিষয়াবলীতে পতিত হয়, সে হারামের সীমানায় পতিত হয়, সেই রাখালের ন্যায় যে সংরক্ষিত এলাকার পাশে তার পশু পাল চড়ায়। এতে পশুপাল পতিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। (যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ) সাবধান। প্রত্যেক রাজারই থাকে একটি সংরক্ষিত এলাকা। শুন, আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হচ্ছে তাঁর হারামসমূহ। (মানুষের এর নিকটেও না যাওয়া উচিত, অর্থাৎ সন্দেহজনক জিনিস থেকেও বেঁচে থাকবে)। সাবধান! মানুষের শরীরে একটি গোশতের টুকরা রয়েছে। (যার অবস্থা হচ্ছে) যদি এটা ভাল থাকে (অর্থাৎ এতে ঈমানী নূর, আল্লাহর মা'আরিফত ও তাঁর ভয় থাকে) তবে গোটা শরীরই ভাল থাকে। (অর্থাৎ তার কার্যাবলী ও অবস্থাদি সঠিক থাকে) আর যদি এটা বিগড়ায় তবে গোটা শরীরই বিগড়াবে। (অর্থাৎ এর কার্যাবলী ও অবস্থাদি খারাপ হয়ে দাঁড়ায়) সাবধান এটা হচ্ছে কলব। (বুখারী, মুসলিম)
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " الحَلاَلُ بَيِّنٌ، وَالحَرَامُ بَيِّنٌ، وَبَيْنَهُمَا مُشَبَّهَاتٌ لاَ يَعْلَمُهُنَّ كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ، فَمَنِ اتَّقَى الشُبْهَاتَ اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ، وَمَنْ وَقَعَ فِي الشُّبُهَاتِ وَقَعَ فِي الْحَرَامِ، كَالرَّاعِي يَرْعَى حَوْلَ الْحِمَى، يُوشِكُ أَنْ يَرْتَعَ فِيهِ، أَلَا وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمًى، أَلَا وَإِنَّ حِمَى اللهِ مَحَارِمُهُ، أَلَا وَإِنَّ فِي الْجَسَدِ مُضْغَةً، إِذَا صَلَحَتْ، صَلَحَ الْجَسَدُ كُلُّهُ، وَإِذَا فَسَدَتْ، فَسَدَ الْجَسَدُ كُلُّهُ، أَلَا وَهِيَ الْقَلْبُ " (رواه البخارى ومسلم)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৮১
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরহেজগারীর স্থান, সন্দেহজনক বস্তু থেকেও বেঁচে থাকা প্রয়োজন
৩৮১. হযরত আতিয়া সা'দী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন, কোন বান্দা মুত্তাকীর স্তরে পৌঁছতে সক্ষম হবে না যতক্ষণ না সে গোনাহ থেকে বাঁচার জন্য মুবাহ্ জিনিস পরিত্যাগ করে। (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَطِيَّةَ السَّعْدِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَبْلُغُ الْعَبْدُ أَنْ يَكُونَ مِنَ الْمُتَّقِينَ، حَتَّى يَدَعَ مَا لَا بَأْسَ بِهِ، حَذَرًا لِمَا بِهِ الْبَأْسُ» (رواه الترمذى وابن ماجه)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৮২
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আর্থিক লেন-দেনে অন্যান্যদের লাখে নম্রতা ও ছাড় দেয়া

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দাওয়াত ও শিক্ষায় ঈমান এবং আল্লাহর ইবাদতের পর আল্লাহর বান্দাগণের ও সাধারণ সৃষ্টজীবের সাথে সদাচারণ বিশেষ করে দুর্বল ও অভাবীদের সেবা ও সাহায্যের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। আর এটা তার শিক্ষা ও উপদেশের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মা'আরিফুল হাদীসের এ ধারাবাহিকতারই ‘কিতাবুল আখলাক’ (দ্বিতীয় খণ্ড) ও ‘কিতাবুল মুআশারাহ’ (ষষ্ঠ খন্ড)-এর মধ্যে সম্মানিত পাঠকবৃন্দ বিভিন্ন বিষয়ের অধীনে রাসূলুল্লাহ-এর এরূপ পঞ্চাশটি বাণী পাঠ করেছেন, যেগুলোর সম্পর্ক এই বিশাল অধ্যায়ের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখার সাথে সম্পৃক্ত।
৩৮২. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, আল্লাহর রহম সেই বান্দার ওপর, যে বিক্রয়ে, ক্রয়ে ও নিজের পাওনা তলবের সময় নম্রতা ও উদারতা প্রদর্শন করে। (বুখারী)
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «رَحِمَ اللَّهُ رَجُلًا سَمْحًا إِذَا بَاعَ، وَإِذَا اشْتَرَى، وَإِذَا اقْتَضَى» (رواه البخارى)
tahqiq

তাহকীক:

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৮৩
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আর্থিক লেন-দেনে অন্যান্যদের লাখে নম্রতা ও ছাড় দেয়া
৩৮৩ . হযরত হুযাইফা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, তোমাদের পূর্বে কোন জাতির মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল। মৃত্যুর ফেরেশতা যখন তার রূহ কবজ করতে তার নিকট এলেন (আর রূহ কবজের পর যখন সে এ জগত ছেড়ে অন্য জগতে চলে গেল) তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো তুমি কি দুনিয়াতে কোন পুণ্যের কাজ করেছিলে? (যা তোমার জন্য মুক্তির উপায় হতে পারে) সে বলল, আমার জানা মতে এরূপ কোন কাজ নেই। তাকে বলা হল, (নিজের জীবনের প্রতি) দৃষ্টিপাত কর। (চিন্তা করে দেখ) সে পুনরায় বলল, আমার জানা মতে (আমার কোন আমল) কোন কিছু নেই ইহা ছাড়া যে, আমি লোকজনের সাথে কাজ-কারবার, ক্রয়-বিক্রয় করতাম। তাদের সাথে আমার রীতি ছিল ক্ষমা ও ইহসান সুলভ। আমি স্বচ্ছলদেরকেও সময় দিতাম। (যে পারে সে যখন চাইবে পরিশোধ করবে) আর দরিদ্রদেরকে ক্ষমাও করে দিতাম। এতে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে প্রবেশের নির্দেশ দিলেন। (বুখারী, মুসলিম)

আর সহীহ মুসলিমে হযরত উকবা ইব্‌ন আমির ও হযরত আবূ মাসউদ আনসারী (রা) থেকেও এ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আর এর শেষাংশে فأدخله الله الجنة পরিবর্তে এই শব্দগুলো এসেছে:
فقال الله أنا أحق بِذَا مِنْكَ تَجَاوَزُوا عَنْ عَبْدِي .
আল্লাহ তা'আলা ঐ ব্যক্তিকে বললেন, ইহসান ও ক্ষমার যে ব্যাপার তুমি আমার বান্দাদের সাথে করতে যে, (দরিদ্রদেরকে ক্ষমাও করে দিতে) এ (ক্ষমার রীতি) আমার জন্য অধিক শোভনীয় আর এ বিষয়ে আমি তোমার থেকে বেশী হক (যে ক্ষমা করে দিব)। আল্লাহ ফেরেশতাদের নির্দেশ দিলেন, আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দাও।
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ رَجُلًا كَانَ فِيمَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ، أَتَاهُ المَلَكُ لِيَقْبِضَ رُوحَهُ، فَقِيلَ لَهُ: هَلْ عَمِلْتَ مِنْ خَيْرٍ؟ قَالَ: مَا أَعْلَمُ، قِيلَ لَهُ: انْظُرْ، قَالَ: مَا أَعْلَمُ شَيْئًا غَيْرَ أَنِّي كُنْتُ أُبَايِعُ النَّاسَ فِي الدُّنْيَا وَأُجَازِيهِمْ، فَأُنْظِرُ المُوسِرَ، وَأَتَجَاوَزُ عَنِ المُعْسِرِ، فَأَدْخَلَهُ اللَّهُ الجَنَّةَ " (رواه البخارى ومسلم وفى رواية لمسلم)
نحوه عن عقبة بن عامر وابى مسعود الانصارى فقال الله انا احق بذا منك تجاوزوا عن عبدى.

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৮৪
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আর্থিক লেন-দেনে অন্যান্যদের লাখে নম্রতা ও ছাড় দেয়া
৩৮৪. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেন, এক ব্যক্তি মানুষকে কর্জ দিত। সে তার চাকরকে বলে রেখেছিল যখন তুমি কোন দরিদ্রের নিকট যাও তখন তাকে ক্ষমা করে দিও। সম্ভবত এ কারণে আল্লাহ আমাকে গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। নবী ﷺ বলেন, মৃত্যুর পর সে আল্লাহর সাথে এমতাবস্থায় সাক্ষাৎ করেছে যে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: " كَانَ الرَّجُلُ يُدَايِنُ النَّاسَ، فَكَانَ يَقُولُ لِفَتَاهُ: إِذَا أَتَيْتَ مُعْسِرًا فَتَجَاوَزْ عَنْهُ، لَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يَتَجَاوَزَ عَنَّا، قَالَ: فَلَقِيَ اللَّهَ فَتَجَاوَزَ عَنْهُ " (رواه البخارى ومسلم)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৮৫
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আর্থিক লেন-দেনে অন্যান্যদের লাখে নম্রতা ও ছাড় দেয়া
৩৮৫. হযরত আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কোন দরিদ্রকে সময় দিল অথবা (নিজের পাওনা পূর্ণ কিংবা আংশিক) ক্ষমা করে দিল কিয়ামতের দিন কষ্ট ও পেরেশানী থেকে আল্লাহ তাকে মুক্তি দিবেন। (মুসলিম)
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبي قَتَادَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا، أَوْ وَضَعَ عَنْهُ، أَنْجَاهُ اللَّهُ مِنْ كُرْبِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ» (رواه مسلم)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৮৬
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আর্থিক লেন-দেনে অন্যান্যদের লাখে নম্রতা ও ছাড় দেয়া
৩৮৬. হযরত আবুল ইয়াসার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কোন দরিদ্রকে (যার নিকট তার কর্জ ইত্যাদি রয়েছে) অবকাশ দেয় অথবা (পাওনার পূর্ণ কিংবা আংশিক) মাফ করে দেয় (কিয়ামতের দিন) আল্লাহ তা'আলা তাকে তাঁর রহমতের ছায়ায় স্থান দিবেন। (মুসলিম)
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبي الْيُسْرِ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا، أَوْ وَضَعَ عَنْهُ، أَظَلَّهُ اللَّهُ فِي ظِلِّهِ» (رواه مسلم)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ৩৮৭
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আর্থিক লেন-দেনে অন্যান্যদের লাখে নম্রতা ও ছাড় দেয়া
৩৮৭. হযরত ইমরান ইবনে হোসাইন (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, যে লোকের অন্য কোন ব্যক্তির ওপর কোন হক (ঋণ ইত্যাদি) রয়েছে আর সে ঋণ গ্রহীতাকে অবকাশ দেয় তবে প্রতিদিনের জন্য সাদকার সাওয়াব পাবে। (আহমদ)
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ كَانَ لَهُ عَلَى رَجُلٍ حَقٌّ، فَمَنْ أَخَّرَهُ كَانَ لَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ صَدَقَةٌ» (رواه احمد)