কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ৫১১
আন্তর্জাতিক নং: ৫১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. ইকামতের বর্ণনা।
৫১১. মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহয়া ..... মসজিদুল-উরইয়ান (কূফায় অবস্থিত মসজিদ)-এর মুয়াযযিন আবু জাফর হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কূফার বড় মসজিদের মুয়াযযিন আবুল মুছান্নাকে বলতে শুনেছিঃ আমি ইবনে উমর (রাযিঃ) এর সূত্রে শুনেছি ......... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
كتاب الصلاة
باب فِي الإِقَامَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، - يَعْنِي الْعَقَدِيَّ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو - حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، مُؤَذِّنِ مَسْجِدِ الْعُرْيَانِ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْمُثَنَّى، مُؤَذِّنَ مَسْجِدِ الأَكْبَرِ يَقُولُ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، وَسَاقَ الْحَدِيثَ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১২
আন্তর্জাতিক নং: ৫১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৪. একজনে আযান এবং অন্যজনে ইকামত দেয়া।
৫১২. উছমান ইবনে আবি শাঈবা ..... মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ্ থেকে তাঁর চাচা আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দ (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিভিন্ন জিনিসের মাধ্যমে আযান প্রথা চালু করা সম্পর্কে চিন্তা করছিলেন। কিন্তু বিশেষ কারণে এর কোনটিই গৃহীত হয়নি। আব্দুল্লাহ্ ইবনে যায়দ (রাযিঃ)-কে স্বপ্নযোগে আযানের শব্দ জ্ঞাত করা হয়। অতঃপর তিনি নবী (ﷺ)-এর খিদমতে হাযির হয়ে স্বপ্নের বৃত্তান্ত প্রকাশ করেন। তিনি বলেনঃ তুমি তা বিলালকে শিক্ষা দাও। অতঃপর তিনি তা বিলালকে শিখানোর পর তিনি (বিলাল) আযান দেন। অতঃপর আব্দুল্লাহ্ ইবনে যায়দ (রাযিঃ) বলেন, যেহেতু আযান সস্পর্কিত স্বপ্নটি আমিই দেখেছি, কাজেই আমি স্বয়ং আযান দিতে ইরাদা করেছিলাম। নবী (ﷺ) তাকে বলেন, তুমি ইকামত দাও।
كتاب الصلاة
باب فِي الرَّجُلِ يُؤَذِّنُ وَيُقِيمُ آخَرُ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَمِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ أَرَادَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي الأَذَانِ أَشْيَاءَ لَمْ يَصْنَعْ مِنْهَا شَيْئًا قَالَ فَأُرِيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ الأَذَانَ فِي الْمَنَامِ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ فَقَالَ " أَلْقِهِ عَلَى بِلاَلٍ " . فَأَلْقَاهُ عَلَيْهِ فَأَذَّنَ بِلاَلٌ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ أَنَا رَأَيْتُهُ وَأَنَا كُنْتُ أُرِيدُهُ قَالَ " فَأَقِمْ أَنْتَ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৪. একজনে আযান এবং অন্যজনে ইকামত দেয়া।
৫১৩. উবাইদুল্লাহ্ ইবনে উমর .... মুহাম্মাদ ইবনে আমর বলেন, আমি আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি- আমার দাদা আব্দুল্লাহ্ ইবনে যায়দ (রাযিঃ) পূর্বোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করতেন। রাবী বলেন, অতঃপর আমার দাদা ইকামত দেন।
كتاب الصلاة
باب فِي الرَّجُلِ يُؤَذِّنُ وَيُقِيمُ آخَرُ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، - شَيْخٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ مِنَ الأَنْصَارِ - قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدٍ قَالَ كَانَ جَدِّي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ يُحَدِّثُ بِهَذَا الْخَبَرِ قَالَ فَأَقَامَ جَدِّي .
হাদীস নং: ৫১৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫. মুয়াযযিনই ইকামত দিবে।
৫১৪. আব্দুল্লাহ্ ইবনে মাসলামা ..... যিয়াদ ইবনুল হারিছ আস-সুদাঈ (রাযিঃ) বলেন, যখন আযানের প্রথম সময় উপনীত হয়, তখন নবী (ﷺ) আযানের নির্দেশ দিলে আমি আযান দেই। অতঃপর আমি বলি, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি ইকামত দিব কি? তখন নবী (ﷺ) পূর্বদিগন্তের দিকে লক্ষ্য করে বলেনঃ না। অতঃপর পূর্বাকাশ পরিস্কার হওয়ার পর তিনি তাঁর বাহন হতে অবতরণ করেন। অতঃপর তিনি পেশাব করে আমার নিকট আসেন যখন সাহাবায়ে কিরাম তাঁর চারপাশে উপস্থিত ছিলেন। অতঃপর তিনি উযু করেন। এ সময় বিলাল (রাযিঃ) ইকামত দিতে চাইলে নবী (ﷺ) তাকে নিষেধ করে বলেনঃ তোমার ভাই যিয়াদ আস-সুদাঈ আযান দিয়েছে এবং (নিয়ম এই যে,) যে ব্যক্তি আযান দিবে- সেই ইকামত দেওয়ার অধিকারী। রাবী বলেন, অতঃপর আমি ইকামত দেই।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ غَانِمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادٍ، - يَعْنِي الإِفْرِيقِيَّ - أَنَّهُ سَمِعَ زِيَادَ بْنَ نُعَيْمٍ الْحَضْرَمِيَّ، أَنَّهُ سَمِعَ زِيَادَ بْنَ الْحَارِثِ الصُّدَائِيَّ، قَالَ لَمَّا كَانَ أَوَّلُ أَذَانِ الصُّبْحِ أَمَرَنِي - يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم - فَأَذَّنْتُ فَجَعَلْتُ أَقُولُ أُقِيمُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَجَعَلَ يَنْظُرُ إِلَى نَاحِيَةِ الْمَشْرِقِ إِلَى الْفَجْرِ فَيَقُولُ " لاَ " . حَتَّى إِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ نَزَلَ فَبَرَزَ ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَىَّ وَقَدْ تَلاَحَقَ أَصْحَابُهُ - يَعْنِي فَتَوَضَّأَ - فَأَرَادَ بِلاَلٌ أَنْ يُقِيمَ فَقَالَ لَهُ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ أَخَا صُدَاءٍ هُوَ أَذَّنَ وَمَنْ أَذَّنَ فَهُوَ يُقِيمُ " . قَالَ فَأَقَمْتُ .
হাদীস নং: ৫১৫
আন্তর্জাতিক নং: ৫১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬. উচ্চস্বরে আযান দেওয়া সুন্নত।
৫১৫. হাফস ইবনে উমর .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেনঃ মুয়াযযিনের আযানের ধ্বনি যতদূর পৌছাবে তাকে ততদুর ক্ষমা করা হবে। তার জন্য কিয়ামতের দিন সমস্ত তাজা ও শুষ্ক বস্তু সাক্ষী দেবে এবং যে ব্যক্তি আযান শুনার পর জামাআতে নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদে হাযির হবে, সে ব্যক্তি পঁচিশ গুণ অধিক সাওয়াবের অধিকারী হবে এবং দুই নামাযের মধ্যবর্তী সময়ে কৃত যাবতীয় (সগীরাহ) গুনাহগুলি ক্ষমা করা হবে।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الصَّوْتِ بِالأَذَانِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ النَّمَرِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي يَحْيَى، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْمُؤَذِّنُ يُغْفَرُ لَهُ مَدَى صَوْتِهِ وَيَشْهَدُ لَهُ كُلُّ رَطْبٍ وَيَابِسٍ وَشَاهِدُ الصَّلاَةِ يُكْتَبُ لَهُ خَمْسٌ وَعِشْرُونَ صَلاَةً وَيُكَفَّرُ عَنْهُ مَا بَيْنَهُمَا " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬. উচ্চস্বরে আযান দেওয়া সুন্নত।
৫১৬. আল-কানবী ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাতে আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যখন নামাযের আযান দেয়া হয় তখন শয়তান এত দ্রুত পলায়ন করে যে, তার পিছনের রাস্তা দিয়ে বায়ু নির্গত হতে থাকে এবং সে এতদূরে চলে যায়, যেখানে আযানের ধ্বনি পৌছায় না। শয়তান ঐ স্থানে আযান সমাপ্তির পর পুনরায় আগমন করে। পুনঃ সে ইকামতের শেযে প্রত্যাবর্তন করে। অতঃপর সে নামাযীর অন্তরে ওস্ওয়াসার (সন্দেহের) সৃষ্টি করে এবং তাকে এমন জিনিসের স্মরণ করিয়ে দেয়, যা সে ভুলে গিয়েছিল। অনেক সময় নামাযী কত রাকআত নামায আদায় করেছে তাতেও সে সন্দেহের উদ্রেক করে।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الصَّوْتِ بِالأَذَانِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا نُودِيَ بِالصَّلاَةِ أَدْبَرَ الشَّيْطَانُ وَلَهُ ضُرَاطٌ حَتَّى لاَ يَسْمَعَ التَّأْذِينَ فَإِذَا قُضِيَ النِّدَاءُ أَقْبَلَ حَتَّى إِذَا ثُوِّبَ بِالصَّلاَةِ أَدْبَرَ حَتَّى إِذَا قُضِيَ التَّثْوِيبُ أَقْبَلَ حَتَّى يَخْطِرَ بَيْنَ الْمَرْءِ وَنَفْسِهِ وَيَقُولَ اذْكُرْ كَذَا اذْكُرْ كَذَا لِمَا لَمْ يَكُنْ يَذْكُرُ حَتَّى يَضِلَّ الرَّجُلُ إِنْ يَدْرِي كَمْ صَلَّى " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৭. নামাযের সময় নির্ধারণে মুয়াযযিনের দায়িত্ব।
৫১৭. আহমদ ইবনে হাম্বল .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ মসজিদের ইমাম হলো মুসল্লীদের জন্য যিম্মাদার এবং মুয়াযযিন আমানতদার স্বরূপ। ইয়া আল্লাহ্! তুমি ইমামদের সৎপথ প্রদর্শন কর এবং ক্ষমা কর।
كتاب الصلاة
باب مَا يَجِبُ عَلَى الْمُؤَذِّنِ مِنْ تَعَاهُدِ الْوَقْتِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الإِمَامُ ضَامِنٌ وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ اللَّهُمَّ أَرْشِدِ الأَئِمَّةَ وَاغْفِرْ لِلْمُؤَذِّنِينَ " .
হাদীস নং: ৫১৮
আন্তর্জাতিক নং: ৫১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৭. নামাযের সময় নির্ধারণে মুয়াযযিনের দায়িত্ব।
৫১৮. আল-হাসান ইবনে আলী ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন ......... অতঃপর রাবী পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الصلاة
باب مَا يَجِبُ عَلَى الْمُؤَذِّنِ مِنْ تَعَاهُدِ الْوَقْتِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، قَالَ نُبِّئْتُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ، - قَالَ وَلاَ أُرَانِي إِلاَّ قَدْ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. মিনারের উপর উঠে আযান দেওয়া সম্পর্কে।
৫১৯. আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ..... নাজ্জার গোত্রের এক মহিলা সাহাবী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মসজিদে নববীর নিকটবর্তী ঘরসমূহের মধ্যে আমার বাড়ী ছিল সুউচ্চ। বিলাল (রাযিঃ) সেখানে উঠে ফজরের আযান দিতেন। তিনি সাহরীর শেষ সময়ে আগমন করে ঐ ছাদের উপর বসে সুবহে সাদকের অপেক্ষা করতেন। অতঃপর ভোর হয়েছে দেখার পর তিনি সোজা হয়ে দাঁড়াতেন এবং বলতেন, ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার প্রশংসা করি ও সাহায্য কামনা করি এজন্য যে, আপনি কুরাইশদেরকে দ্বীন ইসলাম কায়েমের তৌফিক দান করুন। রাবী বলেন, অতঃপর বিলাল (রাযিঃ) আযান দিতেন। রাবী আরো বলেন, আল্লাহর শপথ! বিলাল (রাযিঃ) ঐ দুআ পাঠ কোন রাতেই বাদ দিয়েছেন বলে আমার জানা নাই।
كتاب الصلاة
باب الأَذَانِ فَوْقَ الْمَنَارَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنِ امْرَأَةٍ، مِنْ بَنِي النَّجَّارِ قَالَتْ كَانَ بَيْتِي مِنْ أَطْوَلِ بَيْتٍ حَوْلَ الْمَسْجِدِ وَكَانَ بِلاَلٌ يُؤَذِّنُ عَلَيْهِ الْفَجْرَ فَيَأْتِي بِسَحَرٍ فَيَجْلِسُ عَلَى الْبَيْتِ يَنْظُرُ إِلَى الْفَجْرِ فَإِذَا رَآهُ تَمَطَّى ثُمَّ قَالَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَحْمَدُكَ وَأَسْتَعِينُكَ عَلَى قُرَيْشٍ أَنْ يُقِيمُوا دِينَكَ قَالَتْ ثُمَّ يُؤَذِّنُ قَالَتْ وَاللَّهِ مَا عَلِمْتُهُ كَانَ تَرَكَهَا لَيْلَةً وَاحِدَةً تَعْنِي هَذِهِ الْكَلِمَاتِ .
হাদীস নং: ৫২০
আন্তর্জাতিক নং: ৫২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. মুয়াযযিনের আযানের সময় ঘূর্ণন সম্পর্কে।
৫২০. মুসা ইবনে ইসমাঈল ..... আওন ইবনে আবু জুহায়ফা থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি। বলেন, আমি মক্কাতে নবী (ﷺ)-এর খিদমতে আগমন করি ঐ সময় তিনি একটি চামড়ার তৈরী লাল তাবুর মধ্যে অবস্থান করছিলেন। ঐ সময় বিলাল (রাযিঃ) বের হয়ে আযান দেওয়ার সময় যেরূপ তাঁর মুখমণ্ডল এদিক ওদিক ঘুরিয়েছিলেন- আমিও তদ্রূপ ঘুরাচ্ছিলাম।
রাবী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এমন অবস্থায় বাইরে আসেন যে, তাঁর গায়ে একটি ইয়ামানী ডোরা কাটা চাঁদর ছিল। রাবী মুসা বলেন, আমি বিলাল (রাযিঃ)-কে আবতাহ্ নামক স্থানের দিকে বাইরে গিয়ে আযান দিতে দেখেছি। তিনি যখন হাইয়া আলাস-সালাহ্ ও হাইয়া আলাল-ফালাহ্ শব্দদ্বয়ে পৌছান-তখন তিনি তাঁর কাঁধ ডান ও বাম দিকে ফিরান কিন্তু শরীর ঘুরান নাই। অতঃপর তিনি তাবুর মধ্যে প্রবেশ করেন এবং ছোট একটি তীর বের করেন ......... এইরূপে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।
রাবী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এমন অবস্থায় বাইরে আসেন যে, তাঁর গায়ে একটি ইয়ামানী ডোরা কাটা চাঁদর ছিল। রাবী মুসা বলেন, আমি বিলাল (রাযিঃ)-কে আবতাহ্ নামক স্থানের দিকে বাইরে গিয়ে আযান দিতে দেখেছি। তিনি যখন হাইয়া আলাস-সালাহ্ ও হাইয়া আলাল-ফালাহ্ শব্দদ্বয়ে পৌছান-তখন তিনি তাঁর কাঁধ ডান ও বাম দিকে ফিরান কিন্তু শরীর ঘুরান নাই। অতঃপর তিনি তাবুর মধ্যে প্রবেশ করেন এবং ছোট একটি তীর বের করেন ......... এইরূপে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।
كتاب الصلاة
باب فِي الْمُؤَذِّنِ يَسْتَدِيرُ فِي أَذَانِهِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا قَيْسٌ يَعْنِي ابْنَ الرَّبِيعِ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَنْبَارِيُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، جَمِيعًا عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بِمَكَّةَ وَهُوَ فِي قُبَّةٍ حَمْرَاءَ مِنْ أَدَمٍ فَخَرَجَ بِلاَلٌ فَأَذَّنَ فَكُنْتُ أَتَتَبَّعُ فَمَهُ هَا هُنَا وَهَا هُنَا . قَالَ ثُمَّ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيْهِ حُلَّةٌ حَمْرَاءُ بُرُودٌ يَمَانِيَةٌ قِطْرِيٌّ . وَقَالَ مُوسَى قَالَ رَأَيْتُ بِلاَلاً خَرَجَ إِلَى الأَبْطَحِ فَأَذَّنَ فَلَمَّا بَلَغَ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ . لَوَى عُنُقَهُ يَمِينًا وَشِمَالاً وَلَمْ يَسْتَدِرْ ثُمَّ دَخَلَ فَأَخْرَجَ الْعَنَزَةَ وَسَاقَ حَدِيثَهُ .
হাদীস নং: ৫২১
আন্তর্জাতিক নং: ৫২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪০. আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা সম্পর্কে।
৫২১. মুহাম্মাদ ইবনে কাছীর .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে কৃত দুআ কখনই প্রত্যাখ্যাত হয় না।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي الدُّعَاءِ بَيْنَ الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زَيْدٍ الْعَمِّيِّ، عَنْ أَبِي إِيَاسٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يُرَدُّ الدُّعَاءُ بَيْنَ الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২২
আন্তর্জাতিক নং: ৫২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪১. মুয়াযযিনের আযানের জবাবে যা বলতে হয়।
৫২২. আব্দুল্লাহ্ ইবনে মাসলামা .... আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমরা আযান শুনবে তখন মুয়াযযিনের উচ্চারিত শব্দের অনুরূপ উচ্চারণ করবে।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقُولُ إِذَا سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ " .
হাদীস নং: ৫২৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪১. মুয়াযযিনের আযানের জবাবে যা বলতে হয়।
৫২৩. মুহাম্মাদ ইবনে সালামা .... আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী (ﷺ)কে বলতে শুনেছেনঃ যখন তোমরা মুয়াযযিনকে আযান দিতে শুনবে তখন সে যেরূপ বলে- তোমরাও তদ্রূপ বলবে। অতঃপর তোমরা (আযান শেষে) আমার প্রতি দরূদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে- আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন তার উপর দশটি রহমত নাযিল করবেন। অতঃপর তোমরা আল্লাহর নিকট আমার জন্য ওসীলা প্রার্থনা কর এবং ওসীলা হল জান্নাতের একটি বিশেষ স্থান। আল্লাহ্ তাআলার একজন বিশিষ্ট বান্দা ঐ স্থানের অধিকারী হবেন এবং আমি আশা করি আমিই সেই বান্দা। অতঃপর যে ব্যক্তি আমার জন্য ওসীলার দুআ করবে তাঁর জন্য শাফা’আত করা আমার উপর ওয়াজিব হবে।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقُولُ إِذَا سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنِ ابْنِ لَهِيعَةَ، وَحَيْوَةَ، وَسَعِيدِ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ كَعْبِ بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِذَا سَمِعْتُمُ الْمُؤَذِّنَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ ثُمَّ صَلُّوا عَلَىَّ فَإِنَّهُ مَنْ صَلَّى عَلَىَّ صَلاَةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْرًا ثُمَّ سَلُوا اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ لِيَ الْوَسِيلَةَ فَإِنَّهَا مَنْزِلَةٌ فِي الْجَنَّةِ لاَ تَنْبَغِي إِلاَّ لِعَبْدٍ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ تَعَالَى وَأَرْجُو أَنْ أَكُونَ أَنَا هُوَ فَمَنْ سَأَلَ اللَّهَ لِيَ الْوَسِيلَةَ حَلَّتْ عَلَيْهِ الشَّفَاعَةُ " .
হাদীস নং: ৫২৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪১. মুয়াযযিনের আযানের জবাবে যা বলতে হয়।
৫২৪. ইবনুস সারহ্ .... আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! মুয়াযযিনরা তো আমাদের উপর ফযীলত প্রাপ্ত হচ্ছে। আমরা কিভাবে তাদের সমান সাওয়াব পাব? তিনি বলেনঃ মুয়াযযিনরা যেরূপ বলে-তুমিও তদ্রূপ বলবে। অতঃপর যখন আযান শেয করবে, তখন আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করলে তোমার দু‘আ কবুল করা হবে।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقُولُ إِذَا سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ
حَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ حُيَىٍّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، - يَعْنِي الْحُبُلِيَّ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَجُلاً، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الْمُؤَذِّنِينَ يَفْضُلُونَنَا . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " قُلْ كَمَا يَقُولُونَ فَإِذَا انْتَهَيْتَ فَسَلْ تُعْطَهْ " .
হাদীস নং: ৫২৫
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪১. মুয়াযযিনের আযানের জবাবে যা বলতে হয়।
৫২৫. কুতায়বা ইবনে সাঈদ .... সা’দ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তি মুয়াযযিনের আযান শুনার পর বলবেঃ “আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু, রাদীতু বিল্লাহে রবান ওয়া বি-মুহাম্মাদিন রাসূলান ওয়া বিল-ইসলামে দ্বীনান” তার সমস্ত (সগীরা) ণ্ডনাহ্ মাফ হয়ে যাবে।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقُولُ إِذَا سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ الْحُكَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ قَالَ حِينَ يَسْمَعُ الْمُؤَذِّنَ وَأَنَا أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولاً وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا غُفِرَ لَهُ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪১. মুয়াযযিনের আযানের জবাবে যা বলতে হয়।
৫২৬. ইবরাহীম ইবনে মাহ্দী .... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন মুয়াযযিনকে শাহাদাত ধ্বনি দিতে শুনতেন তখন তিনি বলতেন, আমিও অনুরূপ সাক্ষ্য দিচ্ছি।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقُولُ إِذَا سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ يَتَشَهَّدُ قَالَ " وَأَنَا وَأَنَا " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪১. মুয়াযযিনের আযানের জবাবে যা বলতে হয়।
৫২৭. মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্না ..... উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন মুয়াযযিন আযানের সময় আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার বলবে, তখন তোমরাও আল্লাহু আকবার বলবে। অতঃপর মুয়াযযিন যখন আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ বলবে তখন তোমরাও আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ বলবে। অতঃপর মুয়াযযিন যখন আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্ বলবে- তখন তোমরাও আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্ বলবে। অতঃপর মুয়াযযিন যখন হাইয়া আলাস্ সালাহ্ বলবে তখন তোমরা বলবে, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্। অতঃপর মুয়াযযিন যখন হাইয়া আলাল ফালাহ্ বলবে তখন তোমরা বলবে লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্। অতঃপর মুয়াযযিন যখন আল্লাহু আকবার বলবে তখন তোমরা আল্লাহু আকবার বলবে। অতঃপর মুয়াযযিন যখন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ বলবে, তখন তোমরাও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ বলবে। তোমরা যদি আন্তরিকভাবে এরূপ বল তবে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقُولُ إِذَا سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ جَهْضَمٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسَافٍ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ أَحَدُكُمُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَإِذَا قَالَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ . قَالَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ . فَإِذَا قَالَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ قَالَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ ثُمَّ قَالَ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ قَالَ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ ثُمَّ قَالَ حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ قَالَ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ ثُمَّ قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ ثُمَّ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ مِنْ قَلْبِهِ دَخَلَ الْجَنَّةَ " .
হাদীস নং: ৫২৮
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪২. ইকামতের জবাবে যা বলতে হবে।
৫২৮. সুলাইমান ইবনে দাউদ ..... শাহর ইবনে হাওসাব থেকে আবু উমামা (রাযিঃ) অথবা নবী (ﷺ) এর অন্য কোন সাহাবীর সূত্রে বর্ণিত। বিলাল (রাযিঃ) ইকামত দেওয়ার সময় যখন কাদ কামাতিস সালাহ্ বললেন তখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন, আকামাহাল্লাহু ওয়া আদমাহা। নবী (ﷺ) ইকামতের অপরাপর শব্দগুলির জবাবে উমর (রাযিঃ) বর্ণিত আযানের অনুরূপ শব্দগুলি উচ্চারণ করলেন।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقُولُ إِذَا سَمِعَ الإِقَامَةَ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْعَتَكِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ثَابِتٍ، حَدَّثَنِي رَجُلٌ، مِنْ أَهْلِ الشَّامِ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَوْ عَنْ بَعْضِ، أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ بِلاَلاً أَخَذَ فِي الإِقَامَةِ فَلَمَّا أَنْ قَالَ قَدْ قَامَتِ الصَّلاَةُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَقَامَهَا اللَّهُ وَأَدَامَهَا " . وَقَالَ فِي سَائِرِ الإِقَامَةِ كَنَحْوِ حَدِيثِ عُمَرَ - رضى الله عنه - فِي الأَذَانِ .
হাদীস নং: ৫২৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪৩. আযানের সময়ের দু'আ সম্পর্কে।
৫২৯. আহমদ ইবনে হাম্বল ..... জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ আযান শুনার পর যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত দুআ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন সে অবশ্যই শাফা’আত লাভের যোগ্য হবে। দুআটি এইঃ “আল্লাহুম্মা রবা হা-যিহিদ্ দাওয়াতিত তাম্মাতি ওয়াস্ নামাযিল কায়েমাতি আতে মুহাম্মাদানিল্ ওসীলাতা ওয়াল্ ফাদীলাহ্ ওয়াবআছহু মাকামাম মাহমুদানিল্লাযী ওয়াদতাহু”।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي الدُّعَاءِ عِنْدَ الأَذَانِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ قَالَ حِينَ يَسْمَعُ النِّدَاءَ اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلاَةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ إِلاَّ حَلَّتْ لَهُ الشَّفَاعَةُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
হাদীস নং: ৫৩০
আন্তর্জাতিক নং: ৫৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪৪. মাগরিবের আযানের সময়ে দু'আ।
৫৩০. মুআম্মাল ইবনে ইহাব .... উম্মে সালামা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাকে মাগরিবের নামাযের আযানের পর পড়ার জন্য নিম্নোক্ত দুআ শিক্ষা দিয়েছেনঃ “আল্লাহুম্মা ইন্না হাযা ইকবালু লায়লিকা ও ইদবারু নাহারিকা ওয়া আসওয়াতু দুআইকা ফাগফিরলী।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقُولُ عِنْدَ أَذَانِ الْمَغْرِبِ
حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ إِهَابٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ الْعَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مَعْنٍ، حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ أَبِي كَثِيرٍ، مَوْلَى أُمِّ سَلَمَةَ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ عَلَّمَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقُولَ عِنْدَ أَذَانِ الْمَغْرِبِ " اللَّهُمَّ إِنَّ هَذَا إِقْبَالُ لَيْلِكَ وَإِدْبَارُ نَهَارِكَ وَأَصْوَاتُ دُعَاتِكَ فَاغْفِرْ لِي " .
তাহকীক: