আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
المسند الصحيح لمسلم
১৮- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৮৩ টি
হাদীস নং: ৩৪৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬২
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৫. রাত যাপনে স্ত্রীদের মাঝে পালাবণ্টন এবং প্রত্যেকের কাছে একরাত পরের দিবাভাগ সহ অবস্থান করা সুন্নত
৩৪৯৭। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (শেষ পর্যায়ে) নবী (ﷺ) এর নয়জন সহধর্মিনী ছিলেন। নবী (ﷺ) তাদের মাঝে পালাবণ্টন কালে নয় দিনের আগে (পালার) প্রথমা স্ত্রীর কাছে পুনরায় পৌঁছতেন না। প্রতি রাতে নবী (ﷺ) যে ঘরে অবস্থান করতেন সেখানে তারা (নবী (ﷺ) এর পত্নীগণ) সমবেত হতেন। একরাতে তিনি যখন আয়িশা (রাযিঃ) এর ঘরে ছিলেন তখন যয়নাব (রাযিঃ) সেখানে আগমন করলে নবী (ﷺ) তার দিকে নিজের হাত প্রসারিত করলেন। আয়িশা (রাযিঃ) বললেন, ও তো যয়নাব! ফলে নবী (ﷺ) তাঁর হাত গুটিয়ে নিলেন।
তখন তারা দু’জন (আয়িশা ও যয়নাব) কথা কাটাকাটি করতে লাগলেন। এমনকি তাদের গোসসার আওয়াজ চড়ে গেল, ওদিকে নামাযের ইকামত (এর সময় উপস্থিত) হন। ঐ অবস্থায় আবু বকর (রাযিঃ) সেখান দিয়ে (নামাযে) যাচ্ছিলেন। তিনি ঐ দুজনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি বের হয়ে আসুন এবং ওদের মুখে ধুলা-মাটি ছুঁড়ে (দিয়ে মুখ বন্ধ করে) দিন। তখন নবী (ﷺ) বের হয়ে এলেন। আয়িশা (রাযিঃ) বললেন, এখন নবী (ﷺ) তাঁর নামায আদায় করবেন, তার পরে তো আবু বকর (রাযিঃ) এসে আমাকে বকাবকি ও গালমন্দ করবেন, পরে (তাই হল)। নবী (ﷺ) তার নামায সমাধা করলে আবু বকর (রাযিঃ) আয়িশা (রাযিঃ) এর নিকটে এসে তাকে কড়া কড়া কথা বললেন এবং বললেন, তুমি এমন কর?
তখন তারা দু’জন (আয়িশা ও যয়নাব) কথা কাটাকাটি করতে লাগলেন। এমনকি তাদের গোসসার আওয়াজ চড়ে গেল, ওদিকে নামাযের ইকামত (এর সময় উপস্থিত) হন। ঐ অবস্থায় আবু বকর (রাযিঃ) সেখান দিয়ে (নামাযে) যাচ্ছিলেন। তিনি ঐ দুজনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি বের হয়ে আসুন এবং ওদের মুখে ধুলা-মাটি ছুঁড়ে (দিয়ে মুখ বন্ধ করে) দিন। তখন নবী (ﷺ) বের হয়ে এলেন। আয়িশা (রাযিঃ) বললেন, এখন নবী (ﷺ) তাঁর নামায আদায় করবেন, তার পরে তো আবু বকর (রাযিঃ) এসে আমাকে বকাবকি ও গালমন্দ করবেন, পরে (তাই হল)। নবী (ﷺ) তার নামায সমাধা করলে আবু বকর (রাযিঃ) আয়িশা (রাযিঃ) এর নিকটে এসে তাকে কড়া কড়া কথা বললেন এবং বললেন, তুমি এমন কর?
كتاب الرضاع
باب الْقَسْمِ بَيْنَ الزَّوْجَاتِ وَبَيَانِ أَنَّ السُّنَّةَ أَنْ تَكُونَ لِكُلِّ وَاحِدَةٍ لَيْلَةٌ مَعَ يَوْمِهَا
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تِسْعُ نِسْوَةٍ فَكَانَ إِذَا قَسَمَ بَيْنَهُنَّ لاَ يَنْتَهِي إِلَى الْمَرْأَةِ الأُولَى إِلاَّ فِي تِسْعٍ فَكُنَّ يَجْتَمِعْنَ كُلَّ لَيْلَةٍ فِي بَيْتِ الَّتِي يَأْتِيهَا فَكَانَ فِي بَيْتِ عَائِشَةَ فَجَاءَتْ زَيْنَبُ فَمَدَّ يَدَهُ إِلَيْهَا فَقَالَتْ هَذِهِ زَيْنَبُ . فَكَفَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَدَهُ . فَتَقَاوَلَتَا حَتَّى اسْتَخَبَتَا وَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَمَرَّ أَبُو بَكْرٍ عَلَى ذَلِكَ فَسَمِعَ أَصْوَاتَهُمَا فَقَالَ اخْرُجْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِلَى الصَّلاَةِ وَاحْثُ فِي أَفْوَاهِهِنَّ التُّرَابَ . فَخَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ عَائِشَةُ الآنَ يَقْضِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صَلاَتَهُ فَيَجِيءُ أَبُو بَكْرٍ فَيَفْعَلُ بِي وَيَفْعَلُ . فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صَلاَتَهُ أَتَاهَا أَبُو بَكْرٍ فَقَالَ لَهَا قَوْلاً شَدِيدًا وَقَالَ أَتَصْنَعِينَ هَذَا.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৩-১
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৬. সতীনকে নিজের পালা হেবা করা বৈধ
৩৪৯৮। যুহাইর ইবনে হারব (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাওদা বিনতে যাম’আ (রাযিঃ) এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয়া কোন নারীকে আমি দেখি নি‘ যার ’খোলসে’ আমি আমার অবস্থান পছন্দ করব- এমন এক নারী যার মাঝে ছিল (ব্যক্তিত্ব সুলভ) তেজস্বীতা। আয়িশা (রাযিঃ) বলেন, বৃদ্ধা হয়ে গেলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট তাঁর প্রাপ্য (পালার) দিনটি আয়িশা (রাযিঃ) কে হিবা করে দিলেন। তিনি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার কাছে আমার পালার দিনটি আয়িশার জন্য দিয়ে দিলাম। ফলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর জন্য দু’দিন পালা বন্টন করতেন, তার নিজের (এক) দিন এবং সাওদা (রাযিঃ) এর (এক) দিন।
كتاب الرضاع
باب جَوَازِ هِبَتِهَا نَوْبَتَهَا لِضَرَّتِهَا
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا رَأَيْتُ امْرَأَةً أَحَبَّ إِلَىَّ أَنْ أَكُونَ فِي مِسْلاَخِهَا مِنْ سَوْدَةَ بِنْتِ زَمْعَةَ مِنِ امْرَأَةٍ فِيهَا حِدَّةٌ قَالَتْ فَلَمَّا كَبِرَتْ جَعَلَتْ يَوْمَهَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِعَائِشَةَ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدْ جَعَلْتُ يَوْمِي مِنْكَ لِعَائِشَةَ . فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْسِمُ لِعَائِشَةَ يَوْمَيْنِ يَوْمَهَا وَيَوْمَ سَوْدَةَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৩-২
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৬. সতীনকে নিজের পালা হেবা করা বৈধ
৩৪৯৯। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ), আমরুন নাকিদ, মুজাহিদ ইবনে মুসা সকলে হিশাম (রাহঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত সনদে রিওয়ায়াত করেন যে, সাওদা (রাযিঃ) যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন (পূর্বোক্ত যুহাইর সনদের উর্ধতন রাবী) জারীর (রাহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ। তবে (মুজাহিদ সনদের উর্ধতন রাবী) শাকীক (রাহঃ) তাঁর হাদীসে অধিক বলেছেন যে, আয়িশা (রাযিঃ) বলেছেন, তিনি (সাওদা (রাযিঃ)) ছিল প্রথম নারী, যাকে নবী (ﷺ) আমার পরে বিয়ে করেছিলেন।
كتاب الرضاع
باب جَوَازِ هِبَتِهَا نَوْبَتَهَا لِضَرَّتِهَا
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، كُلُّهُمْ عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ أَنَّ سَوْدَةَ، لَمَّا كَبِرَتْ . بِمَعْنَى حَدِيثِ جَرِيرٍ وَزَادَ فِي حَدِيثِ شَرِيكٍ قَالَتْ وَكَانَتْ أَوَّلَ امْرَأَةٍ تَزَوَّجَهَا بَعْدِي .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫০০
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৪-১
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৬. সতীনকে নিজের পালা হেবা করা বৈধ
৩৫০০। আবু কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে নারীরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর (স্ত্রী হওয়ার জন্য) আত্মনিবেদিতা হত, আমি তাদের নির্লজ্জতায় বিস্ময় প্রকাশ করতাম এবং বলতাম, কোন নারী কি (এভাবে নির্লজ্জ হয়ে) আত্মনিবেদন করতে পারে? পরে যখন আল্লাহ তাআলা এ আয়াত নাযিল করলেন- “তুমি তাদের (স্ত্রীগণের মধ্যে) যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট হতে দুরে সরিয়ে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার এবং যাকে তুমি দুরে রেখেছ তাকে (পুনরায়) কামনা করলে তাতে তোমার কোন অপরাধ হবে না।” (আহযাবঃ ৫১)। আয়িশা (রাযিঃ) বলেন, আমি তখন বললামঃ আল্লাহর কসম! আমি তো দেখছি আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুতই সাড়া দিয়ে থাকেন।
كتاب الرضاع
باب جَوَازِ هِبَتِهَا نَوْبَتَهَا لِضَرَّتِهَا
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُنْتُ أَغَارُ عَلَى اللاَّتِي وَهَبْنَ أَنْفُسَهُنَّ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَقُولُ وَتَهَبُ الْمَرْأَةُ نَفْسَهَا فَلَمَّا أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ( تُرْجِي مَنْ تَشَاءُ مِنْهُنَّ وَتُؤْوِي إِلَيْكَ مَنْ تَشَاءُ وَمَنِ ابْتَغَيْتَ مِمَّنْ عَزَلْتَ) قَالَتْ قُلْتُ وَاللَّهِ مَا أَرَى رَبَّكَ إِلاَّ يُسَارِعُ لَكَ فِي هَوَاكَ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫০১
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৪-২
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৬. সতীনকে নিজের পালা হেবা করা বৈধ
৩৫০১। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলতেন, কোন নারী কি কোন পুরুষের কাছে নিজেকে নিবেদিতা করতে লজ্জাবোধ করে না? অবশেষে আল্লাহ নাযিল করলেন, ″তুমি তাদের যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট থেকে দুরে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার″ তখন আমি বললাম, “অবশ্যই আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।”
كتاب الرضاع
باب جَوَازِ هِبَتِهَا نَوْبَتَهَا لِضَرَّتِهَا
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا كَانَتْ تَقُولُ أَمَا تَسْتَحْيِي امْرَأَةٌ تَهَبُ نَفْسَهَا لِرَجُلٍ حَتَّى أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ( تُرْجِي مَنْ تَشَاءُ مِنْهُنَّ وَتُؤْوِي إِلَيْكَ مَنْ تَشَاءُ) فَقُلْتُ إِنَّ رَبَّكَ لَيُسَارِعُ لَكَ فِي هَوَاكَ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫০২
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৫-১
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৬. সতীনকে নিজের পালা হেবা করা বৈধ
৩৫০২। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনে হাতিম (রাহঃ) ......... আতা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সারিফ নামক স্থানে ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর সঙ্গে নবী (ﷺ) পত্নী মায়মুনা (রাযিঃ) এর জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। তখন ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, ইনি নবী (ﷺ) এর সহধর্মিনী। সুতরাং তোমরা যখন তার কফিন (লাশ) তুলবে তখন তাকে খুব জোরে নাড়া দিবে না এবং কাঁপাবে না; নরম ও আলতোভাবে তাঁকে তুলবে। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে নয়জন স্ত্রী ছিলেন। তাঁদের আটজনের জন্য রাত যাপনের পালা নির্ধারণ করতেন এবং একজনের জন্য করতেন না। (মধ্যবর্তী) রাবী আতা (রাহঃ) বলেন, যার জন্য পালা নির্ধারণ করতেন না তিনি হলেন সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই ইবনে আখতাব (রাযিঃ)।
كتاب الرضاع
باب جَوَازِ هِبَتِهَا نَوْبَتَهَا لِضَرَّتِهَا
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ، بْنُ بَكْرٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، قَالَ حَضَرْنَا مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ جَنَازَةَ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِسَرِفَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ هَذِهِ زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا رَفَعْتُمْ نَعْشَهَا فَلاَ تُزَعْزِعُوا وَلاَ تُزَلْزِلُوا وَارْفُقُوا فَإِنَّهُ كَانَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تِسْعٌ فَكَانَ يَقْسِمُ لِثَمَانٍ وَلاَ يَقْسِمُ لِوَاحِدَةٍ . قَالَ عَطَاءٌ الَّتِي لاَ يَقْسِمُ لَهَا صَفِيَّةُ بِنْتُ حُيَىِّ بْنِ أَخْطَبَ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৩৫০৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৫-২
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৬. সতীনকে নিজের পালা হেবা করা বৈধ
৩৫০৩। মুহাম্মাদ ইবনে রাফি ও আব্দ ইবনে হুমায়দ (রাহঃ) ......... ইবনে জুরায়জ (রাহঃ) সূত্রে ঐ সনদে বর্ণিত। এতে তিনি বলেছেন যে, আতা (রাহঃ) বলেছেন, ইনি (সাফিয়্যা/মায়মুনা) ছিলেন তাঁদের মাঝে সব শেষে মৃত্যুবরণকারিণী, তিনি মদীনায় মৃত্যুবরণ করেন।
كتاب الرضاع
باب جَوَازِ هِبَتِهَا نَوْبَتَهَا لِضَرَّتِهَا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، جَمِيعًا عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَزَادَ قَالَ عَطَاءٌ كَانَتْ آخِرَهُنَّ مَوْتًا مَاتَتْ بِالْمَدِينَةِ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৩৫০৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৬
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৭. দ্বীনের মানদণ্ডে বিবাহের জন্য কন্যা পছন্দ করা মুস্তাহাব
৩৫০৪। যুহাইর ইবনে হারব, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও উবাইদুল্লাহ ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে (সাধারণত) মেয়েদের বিয়ে করা হয়- কন্যার ধন সম্পদের কারণে, তার বংশীয় আভিজাত্যের কারণে, তার রূপের কারণে এবং তার দ্বীনদারীর কারণে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও! তোমার দু’হাত ধুলিমাখা হোক।*
*১এতে রাবী বিস্মৃতির শিকার হয়েছেন। যথার্থ তথ্যমতে পালা বিহীন স্ত্রী ছিলেন সাওদা (রাযিঃ) (পূর্বের হাদীস দ্র.) অনুবাদক।
২. ইনি সর্বনামটির উদ্দেশ্য নিকট পূর্বে উল্লিখিত সাফিয়্যা (রাযিঃ) হলে 'মদীনায় মৃত্যুবরণ' তথ্যটি যথার্থ। আর মূল আলোচিতা মায়মূনা (বা) হলে তথ্যটি ত্রুটিপূর্ণ। কেননা তাঁর মৃত্যু সর্বসম্মতভাবে সারিফে হয়েছিল অনুবাদক।
৩. আরবী ভাষাবিদগণ বাক্যটি দু'আ, বিস্ময়, অনুপ্রেরণা ইত্যাদি অর্থে ব্যবহার করে থাকেন। এখানে বর্ণিত বিষয়ে অনুপ্রেরণাদানের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে।
*১এতে রাবী বিস্মৃতির শিকার হয়েছেন। যথার্থ তথ্যমতে পালা বিহীন স্ত্রী ছিলেন সাওদা (রাযিঃ) (পূর্বের হাদীস দ্র.) অনুবাদক।
২. ইনি সর্বনামটির উদ্দেশ্য নিকট পূর্বে উল্লিখিত সাফিয়্যা (রাযিঃ) হলে 'মদীনায় মৃত্যুবরণ' তথ্যটি যথার্থ। আর মূল আলোচিতা মায়মূনা (বা) হলে তথ্যটি ত্রুটিপূর্ণ। কেননা তাঁর মৃত্যু সর্বসম্মতভাবে সারিফে হয়েছিল অনুবাদক।
৩. আরবী ভাষাবিদগণ বাক্যটি দু'আ, বিস্ময়, অনুপ্রেরণা ইত্যাদি অর্থে ব্যবহার করে থাকেন। এখানে বর্ণিত বিষয়ে অনুপ্রেরণাদানের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে।
كتاب الرضاع
باب اسْتِحْبَابِ نِكَاحِ ذَاتِ الدِّينِ
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا يَحْيَى، بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لأَرْبَعٍ لِمَالِهَا وَلِحَسَبِهَا وَلِجَمَالِهَا وَلِدِينِهَا فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاكَ " .
হাদীস নং: ৩৫০৫
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৫-৪
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৭. দ্বীনের মানদণ্ডে বিবাহের জন্য কন্যা পছন্দ করা মুস্তাহাব
৩৫০৫। মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নূমায়র (রাহঃ) ......... আতা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সময়কালে আমি একটি মহিলা কে বিয়ে করলাম। পরে আমি নবী (ﷺ) এর সঙ্গে সাক্ষাত করলে তিনি বললেন, হে জাবির! তুমি বিয়ে করেছে? আমি বললাম, জি হ্যাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললাম, বিধবা। তিনি বললেন, তবে কুমারী নয় কেন? তুমি তার সঙ্গে সোহাগ স্ফূর্তি করতে (সে ও তোমার সঙ্গে হাস্য লাস্য করত)। আমি বললাম, ইযা রাসুলাল্লাহ! আমার কয়েকটি (অবিবাহিত) বোন রয়েছে তাই আমার আশঙ্কা হল যে, বধু (কুমারী হলে সে) আমার ও বোনদের মাঝে অনুপ্রবেশ করবে (অন্তরায় হবে)। নবী (ﷺ) বললেনঃ তবে তো তা-ই ঠিক। মহিলাকে বিয়ে করা হয় তার দ্বীনদারীর কারণে, তার সম্পদের কারণে ও তার রূপ লাবণ্যের কারণে, তোমার কর্তব্য ধার্মিকাকে গ্রহণ করা, তোমার দু’হাত ধূলিমলিন হোক।
كتاب الرضاع
باب اسْتِحْبَابِ نِكَاحِ ذَاتِ الدِّينِ
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَطَاءٍ، أَخْبَرَنِي جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ تَزَوَّجْتُ امْرَأَةً فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَقِيتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " يَا جَابِرُ تَزَوَّجْتَ " . قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ " بِكْرٌ أَمْ ثَيِّبٌ " . قُلْتُ ثَيِّبٌ . قَالَ " فَهَلاَّ بِكْرًا تُلاَعِبُهَا " . قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي أَخَوَاتٍ فَخَشِيتُ أَنْ تَدْخُلَ بَيْنِي وَبَيْنَهُنَّ . قَالَ " فَذَاكَ إِذًا . إِنَّ الْمَرْأَةَ تُنْكَحُ عَلَى دِينِهَا وَمَالِهَا وَجَمَالِهَا فَعَلَيْكَ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاكَ " .
হাদীস নং: ৩৫০৬
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৫-৫
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৮. কুমারী বিবাহ করা মুস্তাহাব
৩৫০৬। উবাইদুল্লাহ ইবনে মু’আয (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবাকে? আমি বললাম, এক বিধবাকে। তিনি বললেন, তবে কুমারী ও তাদের আমোদ ফুর্তি হতে তুমি কোথায় (কুমারীর সঙ্গসুধা তুমি ত্যাগ করলে কেন)?
(মধ্যবর্তী) রাবী শু’বা (রাহঃ) বলেন, পরে আমি আমর ইবনে দীনার (রাহঃ) এর নিকট এ হাদীস উল্লেখ করলে তিনি বললেন, আমিও তো জাবির (রাযিঃ) এর নিকট তা শুনেছি। তিনি তো বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছিলেনঃ তবে কোন কিশোরী (তরুনী) কে কেন নয়- যে তোমার সঙ্গে হাস্য-লাস্য করত তুমিও তার সঙ্গে আমোদ স্ফুর্তি করতে?
(মধ্যবর্তী) রাবী শু’বা (রাহঃ) বলেন, পরে আমি আমর ইবনে দীনার (রাহঃ) এর নিকট এ হাদীস উল্লেখ করলে তিনি বললেন, আমিও তো জাবির (রাযিঃ) এর নিকট তা শুনেছি। তিনি তো বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছিলেনঃ তবে কোন কিশোরী (তরুনী) কে কেন নয়- যে তোমার সঙ্গে হাস্য-লাস্য করত তুমিও তার সঙ্গে আমোদ স্ফুর্তি করতে?
كتاب الرضاع
باب اسْتِحْبَابِ نِكَاحِ الْبِكْرِ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَارِبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ، عَبْدِ اللَّهِ قَالَ تَزَوَّجْتُ امْرَأَةً فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هَلْ تَزَوَّجْتَ " . قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ " أَبِكْرًا أَمْ ثَيِّبًا " . قُلْتُ ثَيِّبًا . قَالَ " فَأَيْنَ أَنْتَ مِنَ الْعَذَارَى وَلِعَابِهَا " . قَالَ شُعْبَةُ فَذَكَرْتُهُ لِعَمْرِو بْنِ دِينَارٍ فَقَالَ قَدْ سَمِعْتُهُ مِنْ جَابِرٍ وَإِنَّمَا قَالَ " فَهَلاَّ جَارِيَةً تُلاَعِبُهَا وَتُلاَعِبُكَ "
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫০৭
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৫-৬
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৮. কুমারী বিবাহ করা মুস্তাহাব
৩৫০৭। ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া ও আবুর রাবী যাহরানী (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) মৃত্যু (শাহাদাত) বরণ করলেন এবং নয়টি (কিংবা তিনি বলেছেন, সাতটি) কন্যা রেখে গেলেন। পরে আমি (জাবির) এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, হে জাবির! তুমি বিয়ে করেছ? জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেন, তা কুমারী কিংবা বিধবা? জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ বরং বিধবা ইয়া রাসুলাল্লাহ! তিনি বললেন, তবে তা কোন তরূনী (কুমারী) কেন নয় যে, (ইয়াহয়া রিওযায়াতে) তুমি তাঁর সঙ্গে আনন্দ-স্ফূর্তি করতে সেও তোমার সঙ্গে আনন্দ-স্ফূর্তি করত কিংবা তিনি বলেছিলেন, তুমি তার সঙ্গে হাস্য-রস করতে সেও তোমার সঙ্গে হাস্য-রস করত।
জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, (আমার পিতা) আব্দুল্লাহ নয়টি (কিংবা সাতটি) মেয়ে রেখে মৃত্যু বরণ করেছেন এবং আমি তাদের মাঝে তাদের মত একজনকে নিয়ে আসা অপছন্দ করলাম। তাই আমি এমন একটি মহিলাকে নিয়ে আসা পছন্দ করলাম যে তাদের দেখাশুনা করবে এবং তাদের শুধরে দিবে ও গড়ে তুলবে। নবী (ﷺ) বললেন, তবে আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন। তিনি আমাকে (এ ধরনের) কোন উত্তম কথা বললেন। আবুর রাবী (রাহঃ) এর রিওয়ায়াতে রয়েছে, “তুমি তার সঙ্গে আনন্দ-স্ফূর্তি করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করত, সেও তোমার সঙ্গে হাস্যরস করত।
জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, (আমার পিতা) আব্দুল্লাহ নয়টি (কিংবা সাতটি) মেয়ে রেখে মৃত্যু বরণ করেছেন এবং আমি তাদের মাঝে তাদের মত একজনকে নিয়ে আসা অপছন্দ করলাম। তাই আমি এমন একটি মহিলাকে নিয়ে আসা পছন্দ করলাম যে তাদের দেখাশুনা করবে এবং তাদের শুধরে দিবে ও গড়ে তুলবে। নবী (ﷺ) বললেন, তবে আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন। তিনি আমাকে (এ ধরনের) কোন উত্তম কথা বললেন। আবুর রাবী (রাহঃ) এর রিওয়ায়াতে রয়েছে, “তুমি তার সঙ্গে আনন্দ-স্ফূর্তি করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করত, সেও তোমার সঙ্গে হাস্যরস করত।
كتاب الرضاع
باب اسْتِحْبَابِ نِكَاحِ الْبِكْرِ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ، هَلَكَ وَتَرَكَ تِسْعَ بَنَاتٍ - أَوْ قَالَ سَبْعَ - فَتَزَوَّجْتُ امْرَأَةً ثَيِّبًا فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا جَابِرُ تَزَوَّجْتَ " . قَالَ قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ " فَبِكْرٌ أَمْ ثَيِّبٌ " . قَالَ قُلْتُ بَلْ ثَيِّبٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " فَهَلاَّ جَارِيَةً تُلاَعِبُهَا وَتُلاَعِبُكَ " . أَوْ قَالَ " تُضَاحِكُهَا وَتُضَاحِكُكَ " . قَالَ قُلْتُ لَهُ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ هَلَكَ وَتَرَكَ تِسْعَ بَنَاتٍ - أَوْ سَبْعَ - وَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ آتِيَهُنَّ أَوْ أَجِيئَهُنَّ بِمِثْلِهِنَّ فَأَحْبَبْتُ أَنْ أَجِيءَ بِامْرَأَةٍ تَقُومُ عَلَيْهِنَّ وَتُصْلِحُهُنَّ . قَالَ " فَبَارَكَ اللَّهُ لَكَ " . أَوْ قَالَ لِي خَيْرًا وَفِي رِوَايَةِ أَبِي الرَّبِيعِ " تُلاَعِبُهَا وَتُلاَعِبُكَ وَتُضَاحِكُهَا وَتُضَاحِكُكَ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫০৮
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৫-৭
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৮. কুমারী বিবাহ করা মুস্তাহাব
৩৫০৮। কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ তুমি কি বিবাহ করেছ হে জাবির? তিনি হাদীসটির পূর্ণ বর্ণনা দিয়েছেন- যার শেষে রয়েছেঃ এমন একটি মহিলাকে যে তাদের তত্ত্বাবধান করবে এবং তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে। নবী (ﷺ) বললেনঃ “তুমি সঠিক করেছ” ......... এর পরের অংশ তিনি (কুতায়বা) উল্লেখ করেন নি।
كتاب الرضاع
باب اسْتِحْبَابِ نِكَاحِ الْبِكْرِ
وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هَلْ نَكَحْتَ يَا جَابِرُ " . وَسَاقَ الْحَدِيثَ إِلَى قَوْلِهِ امْرَأَةً تَقُومُ عَلَيْهِنَّ وَتَمْشُطُهُنَّ قَالَ " أَصَبْتَ " . وَلَمْ يَذْكُرْ مَا بَعْدَهُ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫০৯
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৫-৮
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৮. কুমারী বিবাহ করা মুস্তাহাব
৩৫০৯। ইয়াহয়া ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখন ফিরে প্রত্যাগমন করতে লাগলাম তখন আমি আমার একটি ধীরগামী উটে করে দ্রুত চলার চেষ্টা করলাম। আমার পিছন থেকে একজন আরোহী আমার সঙ্গে মিলিত হল এবং সে তার হাতের একটি ছোট্ট বর্শা দিয়ে আমার উটকে খোঁচা দিল। ফলে আমার উটটি তোমার দেখা উটপালের শ্রেষ্ঠ উটের ন্যায় দ্রুতগতিতে চলতে লাগল। আমি তখন পিছনের দিকে তাকালাম- দেখি যে, আমি রয়েছি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পাশে। তিনি বললেন, হে জাবির! তোমার এ ব্যস্ততা কেন? আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি ঘরে নতুন স্ত্রী রেখে এসেছি। তিনি বললেন, তুমি কি কোন কুমারীকে বিয়ে করেছ না কোন বিধবাকে?
জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ বিধবাকে। নবী (ﷺ) বললেন, কোন তরুনী (কুমারী) কে কেন বিয়ে করলে না যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে ক্রীড়া-কৌতুক করত। জাবির (রাযিঃ) বললেন, আমরা যখন মদীনার সন্নিকটে উপনীত হয়ে সেখানে প্রবেশ করতে উদ্যত হলাম তখন নবী (ﷺ) বললেন, একটু অবকাশ দাও, রাত পর্যন্ত অর্থাৎ ইশার সময় আমরা প্রবেশ করব- যাতে এলোকেশিণী তার কেশ বিন্যাস করে নিতে পারে এবং স্বামী প্রবাসিণী ক্ষৌরকর্ম করে নিতে পারে। জাবির (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আরো বলেন, তুমি যখন পৌঁছে যাবে তখন সন্তান অন্বেশায় বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিবে।
জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ বিধবাকে। নবী (ﷺ) বললেন, কোন তরুনী (কুমারী) কে কেন বিয়ে করলে না যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে ক্রীড়া-কৌতুক করত। জাবির (রাযিঃ) বললেন, আমরা যখন মদীনার সন্নিকটে উপনীত হয়ে সেখানে প্রবেশ করতে উদ্যত হলাম তখন নবী (ﷺ) বললেন, একটু অবকাশ দাও, রাত পর্যন্ত অর্থাৎ ইশার সময় আমরা প্রবেশ করব- যাতে এলোকেশিণী তার কেশ বিন্যাস করে নিতে পারে এবং স্বামী প্রবাসিণী ক্ষৌরকর্ম করে নিতে পারে। জাবির (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আরো বলেন, তুমি যখন পৌঁছে যাবে তখন সন্তান অন্বেশায় বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিবে।
كتاب الرضاع
باب اسْتِحْبَابِ نِكَاحِ الْبِكْرِ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ سَيَّارٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ، اللَّهِ قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزَاةٍ فَلَمَّا أَقْبَلْنَا تَعَجَّلْتُ عَلَى بَعِيرٍ لِي قَطُوفٍ فَلَحِقَنِي رَاكِبٌ خَلْفِي فَنَخَسَ بَعِيرِي بِعَنَزَةٍ كَانَتْ مَعَهُ فَانْطَلَقَ بَعِيرِي كَأَجْوَدِ مَا أَنْتَ رَاءٍ مِنَ الإِبِلِ فَالْتَفَتُّ فَإِذَا أَنَا بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " مَا يُعْجِلُكَ يَا جَابِرُ " . قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي حَدِيثُ عَهْدٍ بِعُرْسٍ . فَقَالَ " أَبِكْرًا تَزَوَّجْتَهَا أَمْ ثَيِّبًا " . قَالَ قُلْتُ بَلْ ثَيِّبًا . قَالَ " هَلاَّ جَارِيَةً تُلاَعِبُهَا وَتُلاَعِبُكَ " . قَالَ فَلَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ ذَهَبْنَا لِنَدْخُلَ فَقَالَ " أَمْهِلُوا حَتَّى نَدْخُلَ لَيْلاً - أَىْ عِشَاءً - كَىْ تَمْتَشِطَ الشَّعِثَةُ وَتَسْتَحِدَّ الْمُغِيبَةُ " . قَالَ وَقَالَ " إِذَا قَدِمْتَ فَالْكَيْسَ الْكَيْسَ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫১০
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৫-৯
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৮. কুমারী বিবাহ করা মুস্তাহাব
৩৫১০। মুহাম্মাদ ইবনে মুনান্না (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে একটি গাযওয়ার উদ্দেশ্যে বের হলাম। আমার উটটি আমাকে নিয়ে ধীরে ধীরে চলল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন আমার কাছে এসে আমাকে বললেন, হে জাবির! আমি বললাম, জ্বী! তিনি বললেন, তোমার ব্যাপার কি? আমি বললাম, আমার উট আমাকে নিয়ে ধীরে চলছে এবং পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে। ফলে আমি পিছনে পড়ে গিয়েছি। তখন নবী (ﷺ) নেমে পড়ে তার (বাঁকামাথা) লাঠি দিয়ে উটকে গুতো দিলেন। এরপর বললেন, অরোহণ কর, আমি তখন আরোহী করলাম। আমি (উটটিকে তার অতি দ্রুত গামীতার কারণে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে অতিক্রম করে যেতে দেখে ঠেকাতে লাগলাম।
তখন নবী (ﷺ) বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললামঃ বিধবা। তিনি বললেন, তবে কোন কুমারীকে কেন বিয়ে করলে না, যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে, সেও তোমার সঙ্গে রীড়া-কৌতুক করত?
আমি বললাম, আমার বেশ ক’টি বোন (অবিবাহিতা) রয়েছে। তাই আমি এমন নারীকে বিয়ে করা পছন্দ করলাম যে তাদের গুছিয়ে রাখবে, তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে এবং তাদের দেখাশোনা করবে। নবী (ﷺ) বললেন, তুমি তো (মদীনায়) উপনীত হতে যাচ্ছ। যখন পৌছে যাবে তখন (সন্তান অনেষায়) স বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিবে।
পরে তিনি বললেন, তোমার উটটি বেচবে কি? আমি বললাম, জ্বী, হ্যাঁ। তিনি তখন আমার নিকট হতে এক উকিয়ার (চল্লিশ দিরহাম সমমূল্যের) বিনিময়ে কিনে নিলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যথাসময়ে মদীনায় পৌঁছলেন। আমিও সকালে আগমন করে মসজিদে (নববীতে) পৌছলাম এবং তাঁকে মসজিদের দরজায় পেয়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি যখন এলাম তুমি কি তখন এসেছ? আমি বললাম, জ্বী হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে তোমার উটটি রেখে দাও এবং (মসজিদে) প্রবেশ করে দু’রাকআত নামায আদায় করে নাও।
জাবির বলেন, আমি প্রবেশ করে নামায আদায় করলাম। পরে ফিরে এলে নবী (ﷺ) আমাকে এক উকিয়া ওজন করে দেওয়ার জন্য বিলাল (রাযিঃ) কে হুকুম করলেন। বিলাল (রাযিঃ) তখন আমাকে ওজন করে দিলেন এবং ওজনে পাল্লা ঝুকিয়ে দিলেন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন আমি চলে যেতে লাগলাম। আমি কিছু দূর গেলে নবী (ﷺ) বললেন, জাবিরকে আমার কাছে ডেকে আন। তখন আমাকে ডাকা হল। আমি (মনে মনে) বললাম, এখন উটটি আমাকে ফিরিয়ে দিবেন অথচ আমার কছে ওর চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আর কিছু ছিল না। তিনি বললেন, ″তোমার উট তুমি নিয়ে যাও আর তোমার মূল্য তোমারই রইল।″
তখন নবী (ﷺ) বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললামঃ বিধবা। তিনি বললেন, তবে কোন কুমারীকে কেন বিয়ে করলে না, যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে, সেও তোমার সঙ্গে রীড়া-কৌতুক করত?
আমি বললাম, আমার বেশ ক’টি বোন (অবিবাহিতা) রয়েছে। তাই আমি এমন নারীকে বিয়ে করা পছন্দ করলাম যে তাদের গুছিয়ে রাখবে, তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে এবং তাদের দেখাশোনা করবে। নবী (ﷺ) বললেন, তুমি তো (মদীনায়) উপনীত হতে যাচ্ছ। যখন পৌছে যাবে তখন (সন্তান অনেষায়) স বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিবে।
পরে তিনি বললেন, তোমার উটটি বেচবে কি? আমি বললাম, জ্বী, হ্যাঁ। তিনি তখন আমার নিকট হতে এক উকিয়ার (চল্লিশ দিরহাম সমমূল্যের) বিনিময়ে কিনে নিলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যথাসময়ে মদীনায় পৌঁছলেন। আমিও সকালে আগমন করে মসজিদে (নববীতে) পৌছলাম এবং তাঁকে মসজিদের দরজায় পেয়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি যখন এলাম তুমি কি তখন এসেছ? আমি বললাম, জ্বী হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে তোমার উটটি রেখে দাও এবং (মসজিদে) প্রবেশ করে দু’রাকআত নামায আদায় করে নাও।
জাবির বলেন, আমি প্রবেশ করে নামায আদায় করলাম। পরে ফিরে এলে নবী (ﷺ) আমাকে এক উকিয়া ওজন করে দেওয়ার জন্য বিলাল (রাযিঃ) কে হুকুম করলেন। বিলাল (রাযিঃ) তখন আমাকে ওজন করে দিলেন এবং ওজনে পাল্লা ঝুকিয়ে দিলেন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন আমি চলে যেতে লাগলাম। আমি কিছু দূর গেলে নবী (ﷺ) বললেন, জাবিরকে আমার কাছে ডেকে আন। তখন আমাকে ডাকা হল। আমি (মনে মনে) বললাম, এখন উটটি আমাকে ফিরিয়ে দিবেন অথচ আমার কছে ওর চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আর কিছু ছিল না। তিনি বললেন, ″তোমার উট তুমি নিয়ে যাও আর তোমার মূল্য তোমারই রইল।″
كتاب الرضاع
باب اسْتِحْبَابِ نِكَاحِ الْبِكْرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الْمَجِيدِ الثَّقَفِيَّ - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ خَرَجْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزَاةٍ فَأَبْطَأَ بِي جَمَلِي فَأَتَى عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لِي " يَا جَابِرُ " . قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ " مَا شَأْنُكَ " . قُلْتُ أَبْطَأَ بِي جَمَلِي وَأَعْيَا فَتَخَلَّفْتُ . فَنَزَلَ فَحَجَنَهُ بِمِحْجَنِهِ ثُمَّ قَالَ " ارْكَبْ " . فَرَكِبْتُ فَلَقَدْ رَأَيْتُنِي أَكُفُّهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " أَتَزَوَّجْتَ " . فَقُلْتُ نَعَمْ . فَقَالَ " أَبِكْرًا أَمْ ثَيِّبًا " . فَقُلْتُ بَلْ ثَيِّبٌ . قَالَ " فَهَلاَّ جَارِيَةً تُلاَعِبُهَا وَتُلاَعِبُكَ " . قُلْتُ إِنَّ لِي أَخَوَاتٍ فَأَحْبَبْتُ أَنْ أَتَزَوَّجَ امْرَأَةً تَجْمَعُهُنَّ وَتَمْشُطُهُنَّ وَتَقُومُ عَلَيْهِنَّ . قَالَ " أَمَا إِنَّكَ قَادِمٌ فَإِذَا قَدِمْتَ فَالْكَيْسَ الْكَيْسَ " . ثُمَّ قَالَ " أَتَبِيعُ جَمَلَكَ " . قُلْتُ نَعَمْ . فَاشْتَرَاهُ مِنِّي بِأُوقِيَّةٍ ثُمَّ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَدِمْتُ بِالْغَدَاةِ فَجِئْتُ الْمَسْجِدَ فَوَجَدْتُهُ عَلَى بَابِ الْمَسْجِدِ فَقَالَ " الآنَ حِينَ قَدِمْتَ " . قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ " فَدَعْ جَمَلَكَ وَادْخُلْ فَصَلِّ رَكْعَتَيْنِ " . قَالَ فَدَخَلْتُ فَصَلَّيْتُ ثُمَّ رَجَعْتُ فَأَمَرَ بِلاَلاً أَنْ يَزِنَ لِي أُوقِيَّةً فَوَزَنَ لِي بِلاَلٌ فَأَرْجَحَ فِي الْمِيزَانِ - قَالَ - فَانْطَلَقْتُ فَلَمَّا وَلَّيْتُ قَالَ " ادْعُ لِي جَابِرًا " . فَدُعِيتُ فَقُلْتُ الآنَ يَرُدُّ عَلَىَّ الْجَمَلَ . وَلَمْ يَكُنْ شَىْءٌ أَبْغَضَ إِلَىَّ مِنْهُ فَقَالَ " خُذْ جَمَلَكَ وَلَكَ ثَمَنُهُ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫১১
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৫-১০
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৮. কুমারী বিবাহ করা মুস্তাহাব
৩৫১১। মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আ’লা (রাহঃ) ......... আবু নযরা (রাহঃ) জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে ছিলাম। আমি ছিলাম আমার একটি (পানিবাহী) উটের পিঠে। ওটি ছিল কাফিলার পশ্চাদ্বর্তীদের মাঝে। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে পিটুনী দিলেন কিংবা (বর্ণনা দ্বিধা) তিনি বলেছেন যে, তাকে খোচা দিলেন- আমার (আবু নযর) ধারণা, তিনি (জাবির) বলেছেন যে, কোন কিছু দিয়ে যা তার সঙ্গে ছিল।
জাবির (রাযিঃ) বলেন, এরপরে সে (উট) কাফিলার লোকদের আগে আগে চলে যেতে লাগল এবং আমাকে (আমার ধরে রাখা লাগামসহ) টেনে নিয়ে যেতে লাগল। এমনকি আমি তাকে ঠেকিয়ে রাখছিলাম। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এত এত-র বিনিময় এটি তুমি আমার কাছে বেচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ এটি আপনার জন্য ইয়া নবীইয়্যাল্লাহ! তিনি বললেন, এত এত-তে সেটি তুমি আমার কাছে বেচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, এটি আপনার ইয়া নবীইয়্যাল্লাহ!
জাবির (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আমাকে আরও বললেন, তোমার পিতার (মৃত্যুর) পরে তুমি কি বিয়ে করেছ? আমি বললাম, জি হ্যাঁ। তিনি বললেন, বিধবাকে না কুমারীকে? জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, বিধবাকে। তিনি বললেন, তবে তুমি কোন কুমারীকে বিয়ে করলে না কেন- যে তোমার সাথে আমোদ করত আর তুমিও তার সাথে আমোদ করতে। আর সে তোমার সাথে ক্রীড়া করত এবং তুমিও তার সাথে ক্রীড়া করতে।
আবু নযরা (রাহঃ) বলেন, এ কথাটি (অর্থাৎ আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন) ছিল একটি বাক্যারূপ যা মুসলামনগণ তাদের কথাবার্তায় (কথার মাত্রা ও বাচনভঙ্গীরূপে) উচ্চারণ করতেন। তারা বলতেন এরূপ ও এমন কর ...... আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন।
জাবির (রাযিঃ) বলেন, এরপরে সে (উট) কাফিলার লোকদের আগে আগে চলে যেতে লাগল এবং আমাকে (আমার ধরে রাখা লাগামসহ) টেনে নিয়ে যেতে লাগল। এমনকি আমি তাকে ঠেকিয়ে রাখছিলাম। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এত এত-র বিনিময় এটি তুমি আমার কাছে বেচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ এটি আপনার জন্য ইয়া নবীইয়্যাল্লাহ! তিনি বললেন, এত এত-তে সেটি তুমি আমার কাছে বেচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, এটি আপনার ইয়া নবীইয়্যাল্লাহ!
জাবির (রাযিঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আমাকে আরও বললেন, তোমার পিতার (মৃত্যুর) পরে তুমি কি বিয়ে করেছ? আমি বললাম, জি হ্যাঁ। তিনি বললেন, বিধবাকে না কুমারীকে? জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, বিধবাকে। তিনি বললেন, তবে তুমি কোন কুমারীকে বিয়ে করলে না কেন- যে তোমার সাথে আমোদ করত আর তুমিও তার সাথে আমোদ করতে। আর সে তোমার সাথে ক্রীড়া করত এবং তুমিও তার সাথে ক্রীড়া করতে।
আবু নযরা (রাহঃ) বলেন, এ কথাটি (অর্থাৎ আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন) ছিল একটি বাক্যারূপ যা মুসলামনগণ তাদের কথাবার্তায় (কথার মাত্রা ও বাচনভঙ্গীরূপে) উচ্চারণ করতেন। তারা বলতেন এরূপ ও এমন কর ...... আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন।
كتاب الرضاع
باب اسْتِحْبَابِ نِكَاحِ الْبِكْرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي، حَدَّثَنَا أَبُو نَضْرَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كُنَّا فِي مَسِيرٍ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا عَلَى نَاضِحٍ إِنَّمَا هُوَ فِي أُخْرَيَاتِ النَّاسِ - قَالَ - فَضَرَبَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوْ قَالَ نَخَسَهُ - أُرَاهُ قَالَ - بِشَىْءٍ كَانَ مَعَهُ قَالَ فَجَعَلَ بَعْدَ ذَلِكَ يَتَقَدَّمُ النَّاسَ يُنَازِعُنِي حَتَّى إِنِّي لأَكُفُّهُ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَتَبِيعُنِيهِ بِكَذَا وَكَذَا وَاللَّهُ يَغْفِرُ لَكَ " . قَالَ قُلْتُ هُوَ لَكَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ . قَالَ " أَتَبِيعُنِيهِ بِكَذَا وَكَذَا وَاللَّهُ يَغْفِرُ لَكَ " . قَالَ قُلْتُ هُوَ لَكَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ . قَالَ وَقَالَ لِي " أَتَزَوَّجْتَ بَعْدَ أَبِيكَ " . قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ " ثَيِّبًا أَمْ بِكْرًا " . قَالَ قُلْتُ ثَيِّبًا . قَالَ " فَهَلاَّ تَزَوَّجْتَ بِكْرًا تُضَاحِكُكَ وَتُضَاحِكُهَا وَتُلاَعِبُكَ وَتُلاَعِبُهَا " . قَالَ أَبُو نَضْرَةَ فَكَانَتْ كَلِمَةً يَقُولُهَا الْمُسْلِمُونَ . افْعَلْ كَذَا وَكَذَا وَاللَّهُ يَغْفِرُ لَكَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫১২
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৫-১১
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৯. মহিলাদের সম্পর্কে ওসিয়ত
৩৫১২। মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর আল-হামদানী (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিঃ) সূত্রে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ দুনিয়া উপভোগের উপকরণ (ভোগ্যপণ্য) এবং দুনিয়ার উত্তম উপভোগ্য উপকরণ পুণ্যবতী নারী।
كتاب الرضاع
باب الْوَصِيَّةِ بِالنِّسَاءِ
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، أَخْبَرَنِي شُرَحْبِيلُ بْنُ شَرِيكٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الدُّنْيَا مَتَاعٌ وَخَيْرُ مَتَاعِ الدُّنْيَا الْمَرْأَةُ الصَّالِحَةُ" .
হাদীস নং: ৩৫১৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৭-১
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৯. মহিলাদের সম্পর্কে ওসিয়ত
৩৫১৩। হারামালা ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নারী পাজরের হাড়ের ন্যায় (বাঁকা)। যখন তুমি তাকে সোজা করতে যাবে তখন তা ভেঙ্গে ফেলবে আর তার মাঝে বক্রতা রেখে দিয়েই তা দিয়ে তুমি উপকার হাসিল করবে।
যুহাইর ইবনে হারব ও আব্দ ইবনে হুমায়দ (রাহঃ) ......... (যুহরীর ভ্রাতুষ্পুত্র তার চাচা যুহরীর সূত্রে) (উপরোক্ত সনদের ন্যায়) ইবনে শিহাব (রাহঃ) সূত্রে অবিকল অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
যুহাইর ইবনে হারব ও আব্দ ইবনে হুমায়দ (রাহঃ) ......... (যুহরীর ভ্রাতুষ্পুত্র তার চাচা যুহরীর সূত্রে) (উপরোক্ত সনদের ন্যায়) ইবনে শিহাব (রাহঃ) সূত্রে অবিকল অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
كتاب الرضاع
باب الْوَصِيَّةِ بِالنِّسَاءِ
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي ابْنُ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ الْمَرْأَةَ كَالضِّلَعِ إِذَا ذَهَبْتَ تُقِيمُهَا كَسَرْتَهَا وَإِنْ تَرَكْتَهَا اسْتَمْتَعْتَ بِهَا وَفِيهَا عِوَجٌ " .
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، كِلاَهُمَا عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ أَخِي الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَمِّهِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ سَوَاءً .
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، كِلاَهُمَا عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ أَخِي الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَمِّهِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ سَوَاءً .
হাদীস নং: ৩৫১৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৭-২
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৯. মহিলাদের সম্পর্কে ওসিয়ত
৩৫১৪। আমরুন নাকিদ ও ইবনে আবু উমর (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে পাঁজরের একটি হাড় দিয়ে। সে কখনো তোমার জন্য কোন নিয়মতান্ত্রিকতায় স্থির থাকবে না। সুতরাং তুমি যদি তাকে দিয়ে উপকৃত হতে চাও তবে তার বক্রতা অবশিষ্ট রেখেই তাকে দিয়ে উপকৃত হতে হবে। আর তাকে সোজা করতে গেলে তুমি তাকে ভেঙ্গে ফেলবে- আর তাকে ভেঙ্গে ফেলা অর্থ হল তাকে তালাক দেওয়া।
كتاب الرضاع
باب الْوَصِيَّةِ بِالنِّسَاءِ
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ أَبِي عُمَرَ - قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلَعٍ لَنْ تَسْتَقِيمَ لَكَ عَلَى طَرِيقَةٍ فَإِنِ اسْتَمْتَعْتَ بِهَا اسْتَمْتَعْتَ بِهَا وَبِهَا عِوَجٌ وَإِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهَا كَسَرْتَهَا وَكَسْرُهَا طَلاَقُهَا " .
হাদীস নং: ৩৫১৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৮-১
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৯. মহিলাদের সম্পর্কে ওসিয়ত
৩৫১৫। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যখন কোন বিষয় প্রত্যক্ষ করবে তখন যেন উত্তম কথা বলে অন্যথায় চুপ থাকবে। আর নারীদের প্রতি কল্যাণের (ও সদাচরণের) উপদেশ অঙ্গীকার গ্রহণ কর। কেননা পাঁজরের একটি হাড় দিয়ে নারী সৃজিত হয়েছে এবং পাজরের সবচেয়ে বেশী বাঁকা হল তার উপরের অংশ। তুমি তাকে সোজা করতে গেলে তা ভেঙ্গে ফেলবে। আর তাকে (যথাবস্থায়) রাখলে তা সদা বাকা থেকে যাবে। নারীদের প্রতি কল্যাণের উপদেশ গ্রহণ কর।
كتاب الرضاع
باب الْوَصِيَّةِ بِالنِّسَاءِ
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ مَيْسَرَةَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَإِذَا شَهِدَ أَمْرًا فَلْيَتَكَلَّمْ بِخَيْرٍ أَوْ لِيَسْكُتْ وَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ فَإِنَّ الْمَرْأَةَ خُلِقَتْ مِنْ ضِلَعٍ وَإِنَّ أَعْوَجَ شَىْءٍ فِي الضِّلَعِ أَعْلاَهُ إِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهُ كَسَرْتَهُ وَإِنْ تَرَكْتَهُ لَمْ يَزَلْ أَعْوَجَ اسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ خَيْرًا " .
হাদীস নং: ৩৫১৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৮-২
- দুগ্ধপান সংক্রান্ত আহকাম
পরিচ্ছেদঃ ৯. মহিলাদের সম্পর্কে ওসিয়ত
৩৫১৬। ইবরাহীম ইবনে মুসা রাজী (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন মুমিন পুরুষ কোন মুমিন নারীর প্রতি বিদ্বেষ-ঘৃণা পোষন করবে না; (কেননা) তার কোন চরিত্র অভ্যাসকে অপছন্দ করলে তার অন্য কোন (চরিত্র-অভ্যাস) টি সে পছন্দ করবে। ......... কিংবা (এ ধরনের) অন্য কিছু বলেছেন।
كتاب الرضاع
باب الْوَصِيَّةِ بِالنِّسَاءِ
وَحَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى، - يَعْنِي ابْنَ يُونُسَ - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ أَبِي أَنَسٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَفْرَكْ مُؤْمِنٌ مُؤْمِنَةً إِنْ كَرِهَ مِنْهَا خُلُقًا رَضِيَ مِنْهَا آخَرَ " . أَوْ قَالَ " غَيْرَهُ " .