রিয়াযুস সালিহীন-ইমাম নববী রহঃ
رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين
৪. পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৫ টি
হাদীস নং: ৭৯৮
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৩ জামা, জামার হাতা, লুঙ্গি ও পাগড়ির শামলার দৈর্ঘ্য, অহংকারবশত এগুলোর কোনওটি ঝুলিয়ে দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা এবং বিনা অহংকারে হলে তার কারাহাত
পোশাক পায়ের নলার কোন পর্যন্ত নামিয়ে পরা হবে
হাদীছ নং: ৭৯৮
হযরত আবু সা'ঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, মুসলিমের লুঙ্গি হবে পায়ের নলার মাঝখান পর্যন্ত। তবে নলা ও দুই টাখনুর মাঝখানে যে-কোনও স্থান পর্যন্ত হওয়াতে কোনও দোষ নেই। কিন্তু টাখনুর নিচে যতটুকু থাকবে তা জাহান্নামে যাবে। যে ব্যক্তি অহংকারবশে লুঙ্গি হেঁচড়িয়ে চলে, আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। -আবু দাউদ
(সুনানে আবু দাউদ: ৪০৯৩; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৫৭৩; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ৯৬৩৪; মুসনাদে আহমাদ: ১১০১০; সহীহ ইবনে হিব্বান ৫৪৪৬; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ২৩৪২)
হাদীছ নং: ৭৯৮
হযরত আবু সা'ঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, মুসলিমের লুঙ্গি হবে পায়ের নলার মাঝখান পর্যন্ত। তবে নলা ও দুই টাখনুর মাঝখানে যে-কোনও স্থান পর্যন্ত হওয়াতে কোনও দোষ নেই। কিন্তু টাখনুর নিচে যতটুকু থাকবে তা জাহান্নামে যাবে। যে ব্যক্তি অহংকারবশে লুঙ্গি হেঁচড়িয়ে চলে, আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। -আবু দাউদ
(সুনানে আবু দাউদ: ৪০৯৩; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৫৭৩; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ৯৬৩৪; মুসনাদে আহমাদ: ১১০১০; সহীহ ইবনে হিব্বান ৫৪৪৬; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ২৩৪২)
كتاب اللباس
باب صفة طول القميص والكُم والإزار وطرف العمامة وتحريم إسبال شيء من ذلك على سبيل الخيلاء وكراهته من غير خيلاء
798 - وعن أَبي سعيد الخدريِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم: «إزْرَةُ المُسْلِمِ إِلَى نِصْفِ السَّاقِ، وَلاَ حَرَجَ - أَوْ لاَ جُنَاحَ - فِيمَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الكَعْبَيْنِ، فمَا كَانَ أسْفَلَ مِنَ الكَعْبَيْنِ فَهُوَ في النَّارِ، وَمَنْ جَرَّ إزَارَهُ بَطَرًا لَمْ يَنْظُرِ اللهُ إِلَيْهِ». رواه أَبُو داود بإسنادٍ صحيحٍ. (1)
হাদীস নং: ৭৯৯
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৩ জামা, জামার হাতা, লুঙ্গি ও পাগড়ির শামলার দৈর্ঘ্য, অহংকারবশত এগুলোর কোনওটি ঝুলিয়ে দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা এবং বিনা অহংকারে হলে তার কারাহাত
লুঙ্গি পরিধানকালে তা কোন বরাবর নামছে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা
হাদীছ নং: ৭৯৯
হযরত ইবন উমর রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন আমার লুঙ্গি টাখনুর নিচে নামানো ছিল। তিনি বললেন, হে আব্দুল্লাহ! তোমার লুঙ্গি উপরে উঠাও। আমি তা উপরে উঠালাম। বললেন, আরও। আমি আরও উপরে উঠালাম। তারপর আমি এদিকে মনোযোগ অব্যাহত রাখলাম। উপস্থিত লোকদের একজন জিজ্ঞেস করল, কোথা পর্যন্ত উঠাতে হবে? তিনি বললেন, দুই নলার মাঝ বরাবর। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম: ২০৮৬; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৩৩১৬)
হাদীছ নং: ৭৯৯
হযরত ইবন উমর রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন আমার লুঙ্গি টাখনুর নিচে নামানো ছিল। তিনি বললেন, হে আব্দুল্লাহ! তোমার লুঙ্গি উপরে উঠাও। আমি তা উপরে উঠালাম। বললেন, আরও। আমি আরও উপরে উঠালাম। তারপর আমি এদিকে মনোযোগ অব্যাহত রাখলাম। উপস্থিত লোকদের একজন জিজ্ঞেস করল, কোথা পর্যন্ত উঠাতে হবে? তিনি বললেন, দুই নলার মাঝ বরাবর। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম: ২০৮৬; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৩৩১৬)
كتاب اللباس
باب صفة طول القميص والكُم والإزار وطرف العمامة وتحريم إسبال شيء من ذلك على سبيل الخيلاء وكراهته من غير خيلاء
799 - وعن ابن عمر رضي الله عنهما، قَالَ: مررتُ عَلَى رسولِ الله - صلى الله عليه وسلم - وفي إزَارِي استرخاءٌ، فَقَالَ: «يَا عَبدَ اللهِ، ارْفَعْ إزَارَكَ» فَرَفَعْتُهُ ثُمَّ قَالَ: «زِدْ» فَزِدْتُ، فَمَا زِلْتُ أتَحَرَّاهَا بَعْدُ. فَقَالَ بَعْضُ القَوْم: إِلَى أينَ؟ فَقَالَ: إِلَى أنْصَافِ السَّاقَيْنِ. رواه مسلم. (1)
হাদীস নং: ৮০০
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৩ জামা, জামার হাতা, লুঙ্গি ও পাগড়ির শামলার দৈর্ঘ্য, অহংকারবশত এগুলোর কোনওটি ঝুলিয়ে দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা এবং বিনা অহংকারে হলে তার কারাহাত
পোশাকের ঝুলের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের পার্থক্য
হাদীছ নং: ৮০০
হযরত ইবন উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি অহংকারবশে তার কাপড় হেঁচড়িয়ে চলে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। উম্মু সালামা বললেন, তাহলে মহিলারা তাদের পোশাকের ঝুলের বেলায় কী করবে? তিনি বললেন, তারা এক বিঘত পরিমাণ ঝুলিয়ে রাখবে। উম্মু সালামা বললেন, তবে তো তাদের পা উন্মুক্ত হয়ে পড়বে! তিনি বললেন, তাহলে তারা তা এক হাত পর্যন্ত ঝুলাবে, তার বেশি নয়। -আবু দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবূ দাউদ: ৪১১৯; জামে তিরমিযী: ১৭৩৬; সুনানে নাসাঈ ৫৩৩৬; মুসনাদে আহমাদ: ৪৪৮৯; সহীহ ইবনে হিব্বান ৫৬৮১; জামে' মা'মার ইবন রাশিদ: ১৯৯৮৪)
হাদীছ নং: ৮০০
হযরত ইবন উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি অহংকারবশে তার কাপড় হেঁচড়িয়ে চলে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। উম্মু সালামা বললেন, তাহলে মহিলারা তাদের পোশাকের ঝুলের বেলায় কী করবে? তিনি বললেন, তারা এক বিঘত পরিমাণ ঝুলিয়ে রাখবে। উম্মু সালামা বললেন, তবে তো তাদের পা উন্মুক্ত হয়ে পড়বে! তিনি বললেন, তাহলে তারা তা এক হাত পর্যন্ত ঝুলাবে, তার বেশি নয়। -আবু দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবূ দাউদ: ৪১১৯; জামে তিরমিযী: ১৭৩৬; সুনানে নাসাঈ ৫৩৩৬; মুসনাদে আহমাদ: ৪৪৮৯; সহীহ ইবনে হিব্বান ৫৬৮১; জামে' মা'মার ইবন রাশিদ: ১৯৯৮৪)
كتاب اللباس
باب صفة طول القميص والكُم والإزار وطرف العمامة وتحريم إسبال شيء من ذلك على سبيل الخيلاء وكراهته من غير خيلاء
800 - وعنه، قَالَ: قَالَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ خُيَلاءَ لَمْ يَنْظُرِ اللهُ إِلَيْهِ يَوْمَ القِيَامَةِ» فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ: فَكَيْفَ تَصْنَعُ النِّسَاءُ بذُيُولِهِنَّ؟ قَالَ: «يُرْخِينَ شِبْرًا» قالت: إِذًا تَنْكَشِفُ أقْدَامُهُنَّ. قَالَ: «فَيرخِينَهُ ذِرَاعًا لاَ يَزِدْنَ». رواه أَبُو داود والترمذي، (1) وقال: «حديث حسن صحيح».
হাদীস নং: ৮০১
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৪ বিনয়ের উদ্দেশ্যে পোশাকের ক্ষেত্রে উচ্চমান পরিহারের ইস্তিহবাব
হাদীছ নং: ৮০১
হযরত মু'আয ইবন আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি (উচ্চমানের) পোশাক পরিধানের সামর্থ্য রাখা সত্ত্বেও আল্লাহর জন্য বিনয় অবলম্বনের লক্ষ্যে তা পরিহার করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা সমস্ত মাখলুকের সামনে তাকে ডাকবেন এবং তাকে ঈমানের পোশাকসমূহ থেকে যেটি ইচ্ছা পরিধান করার এখতিয়ার দেবেন। -তিরমিযী
(জামে' তিরমিযী ২৪৮১; মুসনাদে আহমাদ ১৫৬৩১; মুসনাদে আবু ইয়া'লা ১৪৮৪: তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর ৩৮৭: হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ২০৬: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৬১০১; শু'আবুল ঈমান ৫৭৪০)
হযরত মু'আয ইবন আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি (উচ্চমানের) পোশাক পরিধানের সামর্থ্য রাখা সত্ত্বেও আল্লাহর জন্য বিনয় অবলম্বনের লক্ষ্যে তা পরিহার করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা সমস্ত মাখলুকের সামনে তাকে ডাকবেন এবং তাকে ঈমানের পোশাকসমূহ থেকে যেটি ইচ্ছা পরিধান করার এখতিয়ার দেবেন। -তিরমিযী
(জামে' তিরমিযী ২৪৮১; মুসনাদে আহমাদ ১৫৬৩১; মুসনাদে আবু ইয়া'লা ১৪৮৪: তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর ৩৮৭: হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ২০৬: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৬১০১; শু'আবুল ঈমান ৫৭৪০)
كتاب اللباس
باب استحباب ترك الترفع في اللباس تواضعًا
801 - وعن معاذ بن أنسٍ - رضي الله عنه: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ تَرَكَ اللِّبَاس تَوَاضُعًا للهِ، وَهُوَ يَقْدِرُ عَلَيْهِ، دَعَاهُ اللهُ يَومَ القِيَامَةِ عَلَى رُؤوسِ الخَلائِقِ حَتَّى يُخَيِّرَهُ مِنْ أيِّ حُلَلِ الإيمَانِ شَاءَ يَلْبَسُهَا». رواه الترمذي، (1) وقال: «حديث حسن».
হাদীস নং: ৮০২
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৫ পোশাকে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা এবং অভাবগ্রস্ত না হলে ও শরী'আতের চাহিদা ব্যতিরেকে তুচ্ছ পোশাক পরিধান না করা
হাদীছ নং: ৮০২
আমর ইবন শু'আয়ব রহ, তাঁর পিতার সূত্রে দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ নিজ বান্দার প্রতি তাঁর অনুগ্রহের প্রকাশ দেখতে পসন্দ করেন।
(জামে' তিরমিযী: ২৮১৯। মুসনাদে আহমাদ: ৮০৯২; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ২৩৭৫। তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ৪৬৬৮; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭১৮৮; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান; ৪২৫১)
আমর ইবন শু'আয়ব রহ, তাঁর পিতার সূত্রে দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ নিজ বান্দার প্রতি তাঁর অনুগ্রহের প্রকাশ দেখতে পসন্দ করেন।
(জামে' তিরমিযী: ২৮১৯। মুসনাদে আহমাদ: ৮০৯২; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ২৩৭৫। তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ৪৬৬৮; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭১৮৮; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান; ৪২৫১)
كتاب اللباس
باب استحباب التوسط في اللباس وَلاَ يقتصر عَلَى مَا يزري بِهِ لغير حاجة وَلاَ مقصود شرعي
802 - عن عمرو بن شعيب، عن أبيهِ، عن جَدِّهِ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «إنَّ اللهَ يُحِبُّ أَنْ يُرَى أثَرُ نِعْمَتِهِ عَلَى عَبْدِهِ». رواه الترمذي، (1) وقال: «حديث حسن».
হাদীস নং: ৮০৩
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৬ পুরুষের জন্য রেশমী কাপড় পরিধান করা, তাতে বসা ও হেলান দেওয়ার নিষিদ্ধতা এবং নারীদের জন্য রেশমী পোশাক পরিধানের বৈধতা রেশমী পোশাক পরিধানের পরিণাম
হাদীছ নং: ৮০৩
হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা রেশম পরিধান করো না। কেননা দুনিয়ায় যে ব্যক্তি তা পরিধান করে, আখিরাতে সে তা পরিধান করবে না। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৫৮৩৪; সহীহ মুসলিম: ২০৬৯; সুনানে নাসাঈ ৫৩০৫; মুসনাদে আহমাদ: ২৫১; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৪৬৫৮; মুসনাদে ইবনুল জা'দ ১৪০২; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ৪৩; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার; ৬৭০৯; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৪২০৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩১০১)
হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা রেশম পরিধান করো না। কেননা দুনিয়ায় যে ব্যক্তি তা পরিধান করে, আখিরাতে সে তা পরিধান করবে না। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৫৮৩৪; সহীহ মুসলিম: ২০৬৯; সুনানে নাসাঈ ৫৩০৫; মুসনাদে আহমাদ: ২৫১; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৪৬৫৮; মুসনাদে ইবনুল জা'দ ১৪০২; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ৪৩; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার; ৬৭০৯; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৪২০৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩১০১)
كتاب اللباس
باب تحريم لباس الحرير عَلَى الرجال، وتحريم جلوسهم عَلَيْهِ واستنادهم إِلَيْهِ وجواز لبسه للنساء
803 - عن عمر بن الخَطَّابِ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «لاَ تَلْبَسُوا الحَرِيرَ؛ فَإنَّ مَنْ لَبِسَهُ في الدُّنْيَا لَمْ يَلْبَسْهُ في الآخِرَةِ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮০৪
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৬ পুরুষের জন্য রেশমী কাপড় পরিধান করা, তাতে বসা ও হেলান দেওয়ার নিষিদ্ধতা এবং নারীদের জন্য রেশমী পোশাক পরিধানের বৈধতা রেশমী পোশাক পরিধানের পরিণাম
হাদীছ নং: ৮০৪
হযরত উমর রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, রেশমী কাপড় কেবল সেই পরে, যার (আখিরাতে) কোনও অংশ নেই।
-বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৫৮৩৫; সহীহ মুসলিম: ২০৬৮; সুনানে নাসাঈ ৫৩০৭: সুনানে ইবন মাজাহ:৩৫৯০; মুসনাদে আহমাদ: ৩৪৫; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ২০৪৯; মুসনাদুল বাযযার: ১৩০; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা; ৫৮১৪; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার ৬৬৫২; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৪২১০; শু'আবুল ঈমান: ৫৭০২)
বুখারীর এক বর্ণনায় আছে, যার আখিরাতে কোনও অংশ নেই।
হযরত উমর রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, রেশমী কাপড় কেবল সেই পরে, যার (আখিরাতে) কোনও অংশ নেই।
-বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৫৮৩৫; সহীহ মুসলিম: ২০৬৮; সুনানে নাসাঈ ৫৩০৭: সুনানে ইবন মাজাহ:৩৫৯০; মুসনাদে আহমাদ: ৩৪৫; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ২০৪৯; মুসনাদুল বাযযার: ১৩০; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা; ৫৮১৪; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার ৬৬৫২; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৪২১০; শু'আবুল ঈমান: ৫৭০২)
বুখারীর এক বর্ণনায় আছে, যার আখিরাতে কোনও অংশ নেই।
كتاب اللباس
باب تحريم لباس الحرير عَلَى الرجال، وتحريم جلوسهم عَلَيْهِ واستنادهم إِلَيْهِ وجواز لبسه للنساء
804 - وعنه، قَالَ: سَمِعْتُ رسولَ الله - صلى الله عليه وسلم - يقول: «إنَّمَا يَلْبَسُ الحَرِيرَ مَنْ لاَ خَلاَقَ لَهُ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
وفي رواية للبخاري: «مَنْ لاَ خَلاَقَ لَهُ في الآخِرَةِ».
قَوْله: «مَنْ لاَ خَلاقَ لَهُ» أيْ: لاَ نَصِيبَ لَهُ.
وفي رواية للبخاري: «مَنْ لاَ خَلاَقَ لَهُ في الآخِرَةِ».
قَوْله: «مَنْ لاَ خَلاقَ لَهُ» أيْ: لاَ نَصِيبَ لَهُ.
হাদীস নং: ৮০৫
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৬ পুরুষের জন্য রেশমী কাপড় পরিধান করা, তাতে বসা ও হেলান দেওয়ার নিষিদ্ধতা এবং নারীদের জন্য রেশমী পোশাক পরিধানের বৈধতা রেশমী পোশাক পরিধানের পরিণাম
হাদীছ নং: ৮০৫
হযরত আনাস রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরিধান করে, সে আখিরাতে তা পরবে না।
-বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৫৮৩২; সহীহ মুসলিম: ২০৭৩; জামে তিরমিযী: ২৮১৭; সুনানে নাসাঈ: ৫৩০৪; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৫৮৮; মুসনাদু ইবনিল জা'দ ৯৭৫; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৪৬৪৩; মুসনাদে আহমাদ: ১৭৯; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা: ৮৬১৫; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার: ৬৬৭১; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭২১৬)
হযরত আনাস রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরিধান করে, সে আখিরাতে তা পরবে না।
-বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৫৮৩২; সহীহ মুসলিম: ২০৭৩; জামে তিরমিযী: ২৮১৭; সুনানে নাসাঈ: ৫৩০৪; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৫৮৮; মুসনাদু ইবনিল জা'দ ৯৭৫; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৪৬৪৩; মুসনাদে আহমাদ: ১৭৯; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা: ৮৬১৫; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার: ৬৬৭১; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭২১৬)
كتاب اللباس
باب تحريم لباس الحرير عَلَى الرجال، وتحريم جلوسهم عَلَيْهِ واستنادهم إِلَيْهِ وجواز لبسه للنساء
805 - وعن أنس - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ لَبِسَ الحَرِيرَ في الدُّنْيَا لَمْ يَلْبَسْهُ في الآخِرَةِ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮০৬
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৬ পুরুষের জন্য রেশমী কাপড় পরিধান করা, তাতে বসা ও হেলান দেওয়ার নিষিদ্ধতা এবং নারীদের জন্য রেশমী পোশাক পরিধানের বৈধতা রেশমী পোশাক পরিধানের পরিণাম
নারীদের জন্য রেশমী পোশাক ও স্বর্ণালংকার ব্যবহারের বৈধতা
হাদীছ নং: ৮০৬
হযরত আলী রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি তিনি একটি রেশমী কাপড় নিয়ে তাঁর ডানহাতে রাখলেন এবং এক টুকরো সোনা নিয়ে তাঁর বামহাতে রাখলেন। তারপর বললেন, এ দু'টি আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য হারাম। -আবু দাউদ
(সুনানে আবু দাউদ: ৪০৫৭; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৫৯৬; সুনানে নাসাঈ: ৫১৪৪; মুসনাদে আহমাদ: ৯৩৪; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৪৬৫৯; মুসনাদুল বাযযার: ৮৮৬; মুসনাদে আবু ইয়া'লা: ৩২৫; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার ৬৬৯৭; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৪৩৪; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর:১২৬)
হাদীছ নং: ৮০৬
হযরত আলী রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি তিনি একটি রেশমী কাপড় নিয়ে তাঁর ডানহাতে রাখলেন এবং এক টুকরো সোনা নিয়ে তাঁর বামহাতে রাখলেন। তারপর বললেন, এ দু'টি আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য হারাম। -আবু দাউদ
(সুনানে আবু দাউদ: ৪০৫৭; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৫৯৬; সুনানে নাসাঈ: ৫১৪৪; মুসনাদে আহমাদ: ৯৩৪; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৪৬৫৯; মুসনাদুল বাযযার: ৮৮৬; মুসনাদে আবু ইয়া'লা: ৩২৫; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার ৬৬৯৭; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৪৩৪; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর:১২৬)
كتاب اللباس
باب تحريم لباس الحرير عَلَى الرجال، وتحريم جلوسهم عَلَيْهِ واستنادهم إِلَيْهِ وجواز لبسه للنساء
806 - وعن علي - رضي الله عنه - قَالَ: رأيتُ رسولَ الله - صلى الله عليه وسلم - أخَذَ حَريرًا، فَجَعَلَهُ في يَمِينهِ، وَذَهَبًا فَجَعَلَهُ في شِمَالِهِ، ثُمَّ قَالَ: «إنَّ هذَيْنِ حَرَامٌ عَلَى ذُكُورِ أُمّتي». رواه أَبُو داود بإسنادٍ صحيحٍ. (1)
হাদীস নং: ৮০৭
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৬ পুরুষের জন্য রেশমী কাপড় পরিধান করা, তাতে বসা ও হেলান দেওয়ার নিষিদ্ধতা এবং নারীদের জন্য রেশমী পোশাক পরিধানের বৈধতা রেশমী পোশাক পরিধানের পরিণাম
নারীদের জন্য রেশমী পোশাক ও স্বর্ণালংকার ব্যবহারের বৈধতা
হাদীছ নং: ৮০৭
হযরত আবু মূসা আশ'আরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, রেশমের পোশাক ও স্বর্ণ আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য হারাম করা হয়েছে এবং নারীদের জন্য হালাল করা হয়েছে। -তিরমিযী
(জামে' তিরমিযী: ১৭২০)
হাদীছ নং: ৮০৭
হযরত আবু মূসা আশ'আরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, রেশমের পোশাক ও স্বর্ণ আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য হারাম করা হয়েছে এবং নারীদের জন্য হালাল করা হয়েছে। -তিরমিযী
(জামে' তিরমিযী: ১৭২০)
كتاب اللباس
باب تحريم لباس الحرير عَلَى الرجال، وتحريم جلوسهم عَلَيْهِ واستنادهم إِلَيْهِ وجواز لبسه للنساء
807 - وعن أَبي موسى الأشْعَري - رضي الله عنه: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «حُرِّمَ لِبَاسُ الحَرِير وَالذَّهَبِ عَلَى ذُكُورِ أُمَّتِي، وَأُحِلَّ لإِنَاثِهِمْ». رواه الترمذي، (1) وقال: «حديث حسن صحيح».
হাদীস নং: ৮০৮
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৬ পুরুষের জন্য রেশমী কাপড় পরিধান করা, তাতে বসা ও হেলান দেওয়ার নিষিদ্ধতা এবং নারীদের জন্য রেশমী পোশাক পরিধানের বৈধতা রেশমী পোশাক পরিধানের পরিণাম
সোনা-রুপার পাত্র ও রেশমী কাপড় ব্যবহারের নিষিদ্ধতা
হাদীছ নং: ৮০৮
হযরত হুযায়ফা রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সোনা ও রুপার পাত্রে পানাহার করতে এবং হারীর ও দীবাজের কাপড় পরিধান করতে ও তাতে বসতে নিষেধ করেছেন। বুখারী-
(সহীহ বুখারী: ৫৮৩৭; সুনানে দারা কুতনী: ৪৭৯৬; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১০৪: শারহুস সুন্নাহ: ৩১০২)
হাদীছ নং: ৮০৮
হযরত হুযায়ফা রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সোনা ও রুপার পাত্রে পানাহার করতে এবং হারীর ও দীবাজের কাপড় পরিধান করতে ও তাতে বসতে নিষেধ করেছেন। বুখারী-
(সহীহ বুখারী: ৫৮৩৭; সুনানে দারা কুতনী: ৪৭৯৬; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ১০৪: শারহুস সুন্নাহ: ৩১০২)
كتاب اللباس
باب تحريم لباس الحرير عَلَى الرجال، وتحريم جلوسهم عَلَيْهِ واستنادهم إِلَيْهِ وجواز لبسه للنساء
808 - وعن حُذَيْفَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: نَهَانَا النَّبيُّ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ نَشْرَبَ في آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالفِضَّةِ، وأنْ نَأْكُلَ فِيهَا، وعَنْ لُبْس الحَريرِ وَالدِّيبَاج، وأنْ نَجْلِسَ عَلَيْهِ. رواه البخاري. (1)
হাদীস নং: ৮০৯
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৭ চর্মরোগীর জন্য রেশমী পোশাক ব্যবহারের বৈধতা
হাদীছ নং: ৮০৯
হযরত আনাস রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবায়র এবং আব্দুর রহমান ইবন আওফ রাযি.-কে তাদের শরীরে চুলকানি থাকার কারণে রেশমী পোশাক পরার অনুমতি দেন। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৫৮৩৯; সহীহ মুসলিম: ২০৭৬; সুনানে আবু দাউদ: ৪০৫৬; জামে তিরমিযী: ১৮১৯; সুনানে নাসাঈ ৫৩১১; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৫৯২; মুসনাদে আহমাদ: ১৩২৪৮; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা ৬০৭৬; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৪৬৭৪; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৪৩০; মুসনাদুল বাযযার: ৭০৫৯ )
হযরত আনাস রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবায়র এবং আব্দুর রহমান ইবন আওফ রাযি.-কে তাদের শরীরে চুলকানি থাকার কারণে রেশমী পোশাক পরার অনুমতি দেন। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৫৮৩৯; সহীহ মুসলিম: ২০৭৬; সুনানে আবু দাউদ: ৪০৫৬; জামে তিরমিযী: ১৮১৯; সুনানে নাসাঈ ৫৩১১; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৫৯২; মুসনাদে আহমাদ: ১৩২৪৮; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা ৬০৭৬; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ২৪৬৭৪; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৪৩০; মুসনাদুল বাযযার: ৭০৫৯ )
كتاب اللباس
باب جواز لبس الحرير لمن بِهِ حكة
809 - عن أنسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: رَخَّصَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم - لِلزُّبَيْرِ وعَبْدِ الرَّحْمان بن عَوْفٍ رضي الله عنهما في لُبْس الحَريرِ لِحَكَّةٍ كَانَتْ بِهِما. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৮১০
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৮ বাঘের চামড়া বিছানো ও তাতে সওয়ার হওয়ার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
হাদীছ নং: ৮১০
হযরত মু'আবিয়া রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা রেশমী কাপড় ও বাঘের চামড়ায় সওয়ার হয়ো না। -আবু দাউদ
(সুনানে আবু দাউদ: ৪১২৯; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৬৫৬; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ১০৫৮; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৭৫;)
হযরত মু'আবিয়া রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা রেশমী কাপড় ও বাঘের চামড়ায় সওয়ার হয়ো না। -আবু দাউদ
(সুনানে আবু দাউদ: ৪১২৯; সুনানে ইবন মাজাহ ৩৬৫৬; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ১০৫৮; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৭৫;)
كتاب اللباس
باب النهي عن افتراش جلود النمور والركوب عَلَيْهَا
810 - عن معاوية - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «لاَ تَرْكَبُوا الخَزَّ (1) وَلاَ النِّمَارَ (2)» حديث حسن، رواه أَبُو داود وغيره بإسناد حسن. (3)
হাদীস নং: ৮১১
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৮ বাঘের চামড়া বিছানো ও তাতে সওয়ার হওয়ার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
হাদীছ নং: ৮১১
আবুল মালীহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিংস্র প্রাণীর চামড়া ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।
-আবু দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈ
তিরমিযীর এক বর্ণনায় আছে, হিংস্র প্রাণীর চামড়া বিছাতে নিষেধ করেছেন।
(সুনানে আবূ দাউদ: ৪১৩২; জামে তিরমিযী ১৭৭১; সুনানে নাসাঈ: ৪২৫৫; মুসনাদুল বাযযার: ২৩৩০; মুসান্নাফে ইবন আব্দুর রাযযাক ২২১; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৩৬৪২১; সুনানে দারিমী ২০২৬; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার ৩২৫২; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৫০৯; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৫০৭)
আবুল মালীহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিংস্র প্রাণীর চামড়া ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।
-আবু দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈ
তিরমিযীর এক বর্ণনায় আছে, হিংস্র প্রাণীর চামড়া বিছাতে নিষেধ করেছেন।
(সুনানে আবূ দাউদ: ৪১৩২; জামে তিরমিযী ১৭৭১; সুনানে নাসাঈ: ৪২৫৫; মুসনাদুল বাযযার: ২৩৩০; মুসান্নাফে ইবন আব্দুর রাযযাক ২২১; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ৩৬৪২১; সুনানে দারিমী ২০২৬; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার ৩২৫২; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৫০৯; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৫০৭)
كتاب اللباس
باب النهي عن افتراش جلود النمور والركوب عَلَيْهَا
811 - وعن أَبي المليح، عن أبيه - رضي الله عنه: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - نَهَى عَنْ جُلُودِ السِّبَاعِ. رواه أَبُو داود والترمذيُّ والنسائيُّ بأسانِيد صِحَاحٍ. (1)
وفي رواية للترمذي: نَهَى عَنْ جُلُودِ السِّبَاعِ أَنْ تُفْتَرَشَ.
وفي رواية للترمذي: نَهَى عَنْ جُلُودِ السِّبَاعِ أَنْ تُفْتَرَشَ.
হাদীস নং: ৮১২
পোষাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১০ পোশাক পরিধান ডানদিক থেকে শুরু করার ইস্তিহবাব
ইস্তিহবাব অর্থ পসন্দ করা, ভালোবাসা। এর থেকে 'মুস্তাহাব' শব্দটি গঠিত। বলা হয়, অমুক কাজটি মুস্তাহাব। অর্থাৎ শরী'আত এ কাজটি পসন্দ করে। পোশাক পরিধানের শুরুটা ডানদিক থেকে হওয়া মুস্তাহাব। যেমন জামা পরার সময় প্রথমে ডান হাতায় হাত ঢোকানো, পায়জামা পরার সময় প্রথমে ডান পা ঢোকানো, মোজা পরার সময় প্রথমে ডান পায়ে পরা ইত্যাদি। এর কারণ কোনও অঙ্গে পোশাক পরানোর দ্বারা সে অঙ্গকে সম্মান করা হয়। সম্মান পাওয়ার ক্ষেত্রে বাম অঙ্গের তুলনায় ডান অঙ্গ অগ্রাধিকার রাখে। কেননা মানুষ বামের তুলনায় ডানকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
ইমাম নববী রহ. এ পরিচ্ছেদে কোনও হাদীছ উল্লেখ করেননি। কেননা এখানে উল্লেখ করার উপযুক্ত হাদীছ পেছনে বিভিন্ন জায়গায় গত হয়েছে। যেমন উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাযি. থেকে বর্ণিত আছে-
كَانَ رسول الله ﷺ يُعْجِبُهُ التَّيَمُّنُ في شَأْنِهِ كُلِّهِ : فِي طُهُوْرِهِ وَتَرَجُلِهِ وَتَنَعَلِهِ
'রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সকল কাজে ডান দিককে প্রাধান্য দেওয়া পসন্দ করতেন- পবিত্রতা অর্জনে, দাঁড়ি-চুল আঁচড়ানোতে ও জুতা পরায়।'
(সহীহ বুখারী: ১৬৮; সহীহ মুসলিম: ২৬৮; সুনানে আবু দাউদ: ৪১৪০; জামে' তিরমিযী: ৬১৪; সুনানে ইবন মাজাহ: ৪০১; সুনানে নাসাঈ ৪২১; মুসনাদে আহমাদ: ২৪৬২৭; সহীহ ইবনে হিব্বান: ১০৯১; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৪০৪; শু'আবুল ঈমান ৬০৪৭)
উম্মুল মুমিনীন হযরত হাফসা রাযি. থেকে বর্ণিত-
أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ كَانَ يَجْعَلُ يَمِينَهُ لطَعَامِهِ وَشَرَابِهِ وَثِيَابِهِ، وَيَجْعَلُ يَسَارَهُ لِمَا سِوَى ذَلِكَ
'রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডানহাত ব্যবহার করতেন খানা খাওয়া, পানি পান করা ও পোশাক পরিধানের বেলায়। আর এছাড়া অন্যান্য কাজে। বামহাত ব্যবহার করতেন।'
(সুনানে আবু দাউদ: ৩২; সহীহ ইবনে হিব্বান ৫২২৭; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৩৪৬; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭০৯১; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৫৪৭)
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত-
أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ قَالَ : إِذَا لَبِسْتُمْ ، وَإِذَا تَوَضَّأْتُمْ، فَابْدَأوْا بِأَيَامِنكُمْ
'রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা যখন পোশাক পরবে এবং ওযু করবে, তখন ডানদিক থেকে শুরু করবে।’
(সুনানে আবু দাউদ: ৪১৪১; জামে তিরমিযী: ১৭৬৬; সুনানে ইবন মাজাহ: ৪০৩; মুসনাদে আহমাদ: ৮৬৩৭; সহীহ ইবনে খুযায়মা: ১৭৮; সহীহ ইবনে হিব্বান: ১০৯০; তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ১০৯৭; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৪০৫; শু'আবুল ঈমান: ৫৮৬৮)
এসব হাদীছের শিক্ষা হল জামা, পায়জামা, জুতা, মোজা ইত্যাদি পরার সময় শুরুটা ডানদিক থেকে করা চাই। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও তাই করতেন এবং আমাদেরকেও তিনি এরূপ করার হুকুম দিয়েছেন। এটা ইসলামী তাহযীব বা সংস্কৃতির অঙ্গ। এটা পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী হতে ইসলামের অনুসারীদের পার্থক্য নির্দেশ করে। সুতরাং প্রত্যেক মুসলিমের অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এ হুকুম পালন করা উচিত।
ইস্তিহবাব অর্থ পসন্দ করা, ভালোবাসা। এর থেকে 'মুস্তাহাব' শব্দটি গঠিত। বলা হয়, অমুক কাজটি মুস্তাহাব। অর্থাৎ শরী'আত এ কাজটি পসন্দ করে। পোশাক পরিধানের শুরুটা ডানদিক থেকে হওয়া মুস্তাহাব। যেমন জামা পরার সময় প্রথমে ডান হাতায় হাত ঢোকানো, পায়জামা পরার সময় প্রথমে ডান পা ঢোকানো, মোজা পরার সময় প্রথমে ডান পায়ে পরা ইত্যাদি। এর কারণ কোনও অঙ্গে পোশাক পরানোর দ্বারা সে অঙ্গকে সম্মান করা হয়। সম্মান পাওয়ার ক্ষেত্রে বাম অঙ্গের তুলনায় ডান অঙ্গ অগ্রাধিকার রাখে। কেননা মানুষ বামের তুলনায় ডানকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
ইমাম নববী রহ. এ পরিচ্ছেদে কোনও হাদীছ উল্লেখ করেননি। কেননা এখানে উল্লেখ করার উপযুক্ত হাদীছ পেছনে বিভিন্ন জায়গায় গত হয়েছে। যেমন উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাযি. থেকে বর্ণিত আছে-
كَانَ رسول الله ﷺ يُعْجِبُهُ التَّيَمُّنُ في شَأْنِهِ كُلِّهِ : فِي طُهُوْرِهِ وَتَرَجُلِهِ وَتَنَعَلِهِ
'রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সকল কাজে ডান দিককে প্রাধান্য দেওয়া পসন্দ করতেন- পবিত্রতা অর্জনে, দাঁড়ি-চুল আঁচড়ানোতে ও জুতা পরায়।'
(সহীহ বুখারী: ১৬৮; সহীহ মুসলিম: ২৬৮; সুনানে আবু দাউদ: ৪১৪০; জামে' তিরমিযী: ৬১৪; সুনানে ইবন মাজাহ: ৪০১; সুনানে নাসাঈ ৪২১; মুসনাদে আহমাদ: ২৪৬২৭; সহীহ ইবনে হিব্বান: ১০৯১; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৪০৪; শু'আবুল ঈমান ৬০৪৭)
উম্মুল মুমিনীন হযরত হাফসা রাযি. থেকে বর্ণিত-
أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ كَانَ يَجْعَلُ يَمِينَهُ لطَعَامِهِ وَشَرَابِهِ وَثِيَابِهِ، وَيَجْعَلُ يَسَارَهُ لِمَا سِوَى ذَلِكَ
'রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডানহাত ব্যবহার করতেন খানা খাওয়া, পানি পান করা ও পোশাক পরিধানের বেলায়। আর এছাড়া অন্যান্য কাজে। বামহাত ব্যবহার করতেন।'
(সুনানে আবু দাউদ: ৩২; সহীহ ইবনে হিব্বান ৫২২৭; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৩৪৬; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭০৯১; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৫৪৭)
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত-
أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ قَالَ : إِذَا لَبِسْتُمْ ، وَإِذَا تَوَضَّأْتُمْ، فَابْدَأوْا بِأَيَامِنكُمْ
'রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা যখন পোশাক পরবে এবং ওযু করবে, তখন ডানদিক থেকে শুরু করবে।’
(সুনানে আবু দাউদ: ৪১৪১; জামে তিরমিযী: ১৭৬৬; সুনানে ইবন মাজাহ: ৪০৩; মুসনাদে আহমাদ: ৮৬৩৭; সহীহ ইবনে খুযায়মা: ১৭৮; সহীহ ইবনে হিব্বান: ১০৯০; তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ১০৯৭; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৪০৫; শু'আবুল ঈমান: ৫৮৬৮)
এসব হাদীছের শিক্ষা হল জামা, পায়জামা, জুতা, মোজা ইত্যাদি পরার সময় শুরুটা ডানদিক থেকে করা চাই। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও তাই করতেন এবং আমাদেরকেও তিনি এরূপ করার হুকুম দিয়েছেন। এটা ইসলামী তাহযীব বা সংস্কৃতির অঙ্গ। এটা পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী হতে ইসলামের অনুসারীদের পার্থক্য নির্দেশ করে। সুতরাং প্রত্যেক মুসলিমের অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এ হুকুম পালন করা উচিত।
হাদীছ নং: ৮১২
হযরত আবু সা'ঈদ খুদরী রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনও নতুন কাপড় পরতেন, সেটি পাগড়ি হোক, জামা হোক কিংবা চাদর, তার নাম নিয়ে বলতেন
اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ ، أَنْتَ كَسَوْتَنِيهِ ، أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهِ وَخَيْرِ مَا صُنِعَ لَهُ ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهِ وَشَرِّ مَا صُنِعَ لَهُ
‘হে আল্লাহ! তোমারই সমস্ত প্রশংসা। তুমিই এটি আমাকে পরিয়েছ। আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করি এর কল্যাণ এবং যেজন্য এটি তৈরি করা হয়েছে তারও কল্যাণ। আর আমি তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি এর অনিষ্ট থেকে এবং যেজন্য এটি তৈরি করা হয়েছে তারও অনিষ্ট থেকে’। -আবু দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবু দাউদ: ৪৫২০; জামে তিরমিযী: ১৭৬৭; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭৪০৮; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ৫৮৭১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩১১১; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ১০০৬৯; মুসনাদে আহমাদ: ১১২৪৮; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৪২০)
হযরত আবু সা'ঈদ খুদরী রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনও নতুন কাপড় পরতেন, সেটি পাগড়ি হোক, জামা হোক কিংবা চাদর, তার নাম নিয়ে বলতেন
اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ ، أَنْتَ كَسَوْتَنِيهِ ، أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهِ وَخَيْرِ مَا صُنِعَ لَهُ ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهِ وَشَرِّ مَا صُنِعَ لَهُ
‘হে আল্লাহ! তোমারই সমস্ত প্রশংসা। তুমিই এটি আমাকে পরিয়েছ। আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করি এর কল্যাণ এবং যেজন্য এটি তৈরি করা হয়েছে তারও কল্যাণ। আর আমি তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি এর অনিষ্ট থেকে এবং যেজন্য এটি তৈরি করা হয়েছে তারও অনিষ্ট থেকে’। -আবু দাউদ ও তিরমিযী
(সুনানে আবু দাউদ: ৪৫২০; জামে তিরমিযী: ১৭৬৭; হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ৭৪০৮; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ৫৮৭১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৩১১১; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ১০০৬৯; মুসনাদে আহমাদ: ১১২৪৮; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৪২০)
كتاب اللباس
باب مَا يقول إِذَا لبس ثوبًا جديدًا أَوْ نعلًا أَوْ نحوه
باب استحباب الابتداء باليمين في اللباس
هَذَا الباب قَدْ تقدم مقصوده وذكرنا الأحاديث الصحيحة فِيهِ
باب استحباب الابتداء باليمين في اللباس
هَذَا الباب قَدْ تقدم مقصوده وذكرنا الأحاديث الصحيحة فِيهِ
812 - عن أَبي سعيد الخدْريِّ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - إِذَا اسْتَجَدَّ ثَوبًا سَمَّاهُ باسْمِهِ - عِمَامَةً، أَوْ قَميصًا، أَوْ رِدَاءً - يقولُ: «اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ كَسَوْتَنِيهِ، أَسْأَلكَ خَيْرَهُ وَخَيْرَ مَا صُنِعَ لَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهِ وَشَرِّ مَا صُنِعَ لَهُ». رواه أَبُو داود والترمذي، (1) وقال: «حديث حسن».