আত্-তারগীব ওয়াত্-তারহীব- ইমাম মুনযিরী রহঃ

الترغيب والترهيب للمنذري

৮. অধ্যায়ঃ সদকা - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস টি

হাদীস নং: ১২৬৩
অধ্যায়ঃ সদকা
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহর কাছে জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু যাঞ্চাকারীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং নিষিদ্ধ বস্তু আল্লাহর নামে যাঞ্চা করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
১২৬৩. হযরত আবু মূসা আশআরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (সা) কে বলতে শুনেছেন: যে ব্যক্তি (মানুষের কাছে) আল্লাহর নামে চায়, সে অভিশপ্ত এবং অভিশপ্ত ঐ ব্যক্তিও, যার কাছে আল্লাহর নামে চাওয়া হয়, অথচ সে তাকে দান করে না। তবে নিকৃষ্ট বস্তু চাইলে তা ভিন্ন কথা।
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি যাদের সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেন, তাঁরা বিশুদ্ধ বর্ণনাকারী। তবে তাঁর শায়খ ইয়াহ্ইয়া ইবন উসমান ইবন সালিহ (র)-এর বিশ্বস্ততা নিয়ে মুহাদ্দিস মহলে ভিন্ন অভিমত রয়েছে।)
كتاب الصَّدقَات
ترهيب السَّائِل أَن يسْأَل بِوَجْه الله غير الْجنَّة وترهيب المسؤول بِوَجْه الله أَن يمْنَع
1263 - عَن أبي مُوسَى الْأَشْعَرِيّ رَضِي الله عَنهُ أَنه سمع رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يَقُول مَلْعُون من سَأَلَ بِوَجْه الله وملعون من سُئِلَ بِوَجْه الله ثمَّ منع سائله مَا لم يسْأَل هجرا

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ وَرِجَاله رجال الصَّحِيح إِلَّا شَيْخه يحيى بن عُثْمَان بن صَالح وَهُوَ ثِقَة وَفِيه كَلَام
হাদীস নং: ১২৬৪
অধ্যায়ঃ সদকা
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহর কাছে জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু যাঞ্চাকারীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং নিষিদ্ধ বস্তু আল্লাহর নামে যাঞ্চা করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
১২৬৪. হযরত আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তোমরা তাকে আশ্রয় দেবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে কিছু চায়, তাকে কিছু দান করবে। আর যে ব্যক্তি তোমাদের দাওয়াত দেয়, তোমরা তার দাওয়াতে সাড়া দিবে। যে ব্যক্তি তোমাদের সাথে সদ্ব্যবহার করবে, তোমরা তার বিনিময় দিবে। যদি বিনিময় দেওয়ার সামর্থ্য না থাকে, তবে তার জন্য দু'আ করবে- যাতে তোমরা বুঝতে পার যে, তোমরা তাদের বিনিময় দিয়েছ।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন হিব্বানের 'সহীহ' গ্রন্থে এবং হাকিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম হাকিম (র) বলেন: হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ।)
كتاب الصَّدقَات
ترهيب السَّائِل أَن يسْأَل بِوَجْه الله غير الْجنَّة وترهيب المسؤول بِوَجْه الله أَن يمْنَع
1264 - وَعَن ابْن عمر رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم من استعاذ بِاللَّه فأعيذوه وَمن سَأَلَ بِاللَّه فَأَعْطوهُ وَمن دعَاكُمْ فأجيبوه وَمن صنع إِلَيْكُم مَعْرُوفا فكافئوه فَإِن لم تَجدوا مَا تكافئوه فَادعوا لَهُ حَتَّى تروا أَنكُمْ قد كافأتموه

رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه وَالْحَاكِم وَقَالَ صَحِيح على شَرط الشَّيْخَيْنِ
হাদীস নং: ১২৬৫
অধ্যায়ঃ সদকা
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহর কাছে জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু যাঞ্চাকারীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং নিষিদ্ধ বস্তু আল্লাহর নামে যাঞ্চা করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
১২৬৫. হযরত আবু উবায়দা (রা)-এর মুক্তদাস রিফাআ'(র)-এর সূত্রে রাফি' (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে (মানুষের কাছে) কিছু চায়, সে অভিশপ্ত এবং ঐ ব্যক্তিও অভিশপ্ত, যার কাছে (আল্লাহর নামে) চাওয়া হয়, অথচ সে তাকে তাড়িয়ে দেয়।
(তাবারানী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصَّدقَات
ترهيب السَّائِل أَن يسْأَل بِوَجْه الله غير الْجنَّة وترهيب المسؤول بِوَجْه الله أَن يمْنَع
1265 - وَرُوِيَ عَن أبي عُبَيْدَة مولى رِفَاعَة عَن رَافع رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ مَلْعُون من سَأَلَ بِوَجْه الله وملعون من سُئِلَ بِوَجْه الله فَمنع سائله

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
tahqiqতাহকীক:
হাদীস নং: ১২৬৬
অধ্যায়ঃ সদকা
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহর কাছে জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু যাঞ্চাকারীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং নিষিদ্ধ বস্তু আল্লাহর নামে যাঞ্চা করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
১২৬৬. হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন: আমি কি তোমাদের সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট লোক সম্পর্কে অবহিত করব না? সে ঐ ব্যক্তি, যার কাছে আল্লাহর নামে কিছু চাওয়া হয়, অথচ সে তাকে দান করে না।
(তিরমিযী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: এ হাদীসটি হাসান-গরীব। নাসাঈ এবং ইবন হিব্বানের 'সহীহ' গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। ইনশা আল্লাহ 'জিহাদ' অধ্যায়ে সে বিষয়ে আরো হাদীস আসবে।)
كتاب الصَّدقَات
ترهيب السَّائِل أَن يسْأَل بِوَجْه الله غير الْجنَّة وترهيب المسؤول بِوَجْه الله أَن يمْنَع
1266 - وَعَن ابْن عَبَّاس رَضِي الله عَنْهُمَا أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ أَلا أخْبركُم بشر النَّاس رجل يسْأَل بِاللَّه وَلَا يُعْطي

رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَقَالَ حَدِيث حسن غَرِيب وَالنَّسَائِيّ وَابْن حبَان فِي صَحِيحه فِي آخر حَدِيث يَأْتِي فِي الْجِهَاد إِن شَاءَ الله تَعَالَى
হাদীস নং: ১২৬৭
অধ্যায়ঃ সদকা
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহর কাছে জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু যাঞ্চাকারীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং নিষিদ্ধ বস্তু আল্লাহর নামে যাঞ্চা করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
১২৬৭. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: আমি কি তোমাদের নিকৃষ্ট সৃষ্টি সম্পর্কে অবহিত করব না? সাহাবায়ে কিরাম (রা) বললেনঃ হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ সে তো ঐ ব্যক্তি, যার কাছে আল্লাহর নামে কিছু চাওয়া হয়, অথচ সে দান করে না।
(আহমদ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصَّدقَات
ترهيب السَّائِل أَن يسْأَل بِوَجْه الله غير الْجنَّة وترهيب المسؤول بِوَجْه الله أَن يمْنَع
1267 - وَرُوِيَ عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله عَنهُ قَالَ قَالَ رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم أَلا أخْبركُم بشر الْبَريَّة قَالُوا بلَى يَا رَسُول الله قَالَ الَّذِي يسْأَل بِاللَّه وَلَا يُعْطي

رَوَاهُ أَحْمد
হাদীস নং: ১২৬৮
অধ্যায়ঃ সদকা
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহর কাছে জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু যাঞ্চাকারীর প্রতি ভীতি প্রদর্শন এবং নিষিদ্ধ বস্তু আল্লাহর নামে যাঞ্চা করার প্রতি ভীতি প্রদর্শন
১২৬৮. হযরত আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: আমি কি তোমাদের খিযির (আ)-এর একটি ঘটনা বলব না? সাহাবায়ে কিরাম (রা) বললেন: হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বলেন: একদা তিনি বনী ইসরাঈলের কোন একটি বাজারে পায়চারী করছিলেন। একজন মুকাতিব ব্যক্তি তাকে দেখে বললঃ আমাকে কিছু দান করুন, আল্লাহ তা'আলা আপনাকে বরকত দিবেন। খিযির (আ) বললেন: আল্লাহ তা'আলার উপর আমি ঈমান আনলাম, আল্লাহ চাহেত এমন বিষয় বলা হয়েছে, যা আমার কাছে নেই, যা আমি তোমাকে দান করতে পারি। মিসকীন বলল: আপনার কাছে আমি আল্লাহর নামে চাচ্ছি, যাতে আপনি আমাকে কিছু দান করেন। কেননা আমি আপনার চেহারায় গাম্ভীর্য দেখতে পাচ্ছি এবং আপনার কাছে বরকতের আশা করছি। তখন খিযির (আ) বললেন: আমি আল্লাহ তা'আলার উপর ঈমান আনলাম, আমার কাছে কিছু নেই যা তোমাকে দান করতে পারি। তবে তুমি আমাকে বিক্রি করে বিক্রিত মূল্য গ্রহণ করতে পার। মিসকীন বলল: এটা কি ঠিক হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি বলছি, তুমি আমার কাছে বিরাট একটি বিষয় চেয়েছ। সাবধান! আমি আমার প্রতিপালকের সম্মানার্থে তোমাকে বঞ্চিত করব না। নবী বলেন: সে তাকে বাজারে নিয়ে চারশ' দিরহামে বিক্রি করেছিল। তিনি ক্রেতার কাছে বেশ কিছুদিন অবস্থান করলেন অথচ সে তাকে কোন কাজে লাগাল না। তিনি বললেন: আমার কাছে কল্যাণের প্রত্যাশায় আপনি আমাকে ক্রয় করেছেন, কাজেই আমাকে কোন কাজের উপদেশ দিন। সে বলল: তুমি তো একজন অতিশয় বৃদ্ধ শীর্ণকায় লোক, কাজেই আমি তোমাকে কষ্ট দিতে অপসন্দ করি। তিনি বললেন, আমার কষ্ট হবে না। তখন সে বলল: তবে তুমি দাঁড়াও এবং এই পাথরটি সরিয়ে ফেল অথচ তা একদিনে ছয়জনের কম লোক সরানোর ক্ষমতা রাখে না। লোকটি (এই কথা বলে) তার কোন প্রয়োজনে বেরিয়ে গেল। এদিকে তিনি অল্প সময়ের মধ্যে পাথরটি সরালেন। সে বলল: তুমি উত্তমরূপে কাজটি করেছ, যা সম্পাদন করার ক্ষমতা আমি তোমার মধ্যে দেখিনি। তিনি বলেন: একবার লোকটির সফরে যাওয়ার প্রয়োজন হল। সে বলল: আমি তোমাকে বিশ্বস্ত মনে করি। আমার অনুপস্থিতিতে তুমি আমার পরিবার-পরিজনকে উত্তমরূপে দেখাশুনা করবে। খিযির (আ) বললেন: আপনি আমাকে একটি কাজের উপদেশ দিন। লোকটি বলল: আমি তোমাকে কষ্ট দেওয়া অপসন্দ করি। তিনি বললেন: আমার কষ্ট হবে না। লোকটি বলল: আমি ফিরে আসার পূর্বে তুমি আমার ঘরটি ইট দিয়ে তৈরি করে দিবে। লোকটি এই কথা বলে সফরে চলে গেল। নবী (সা) বললেন: এরপর লোকটি বাড়ি ফিরে এসে দেখল, সত্যিই তার ঘরটি ইট দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।
তখন লোকটি আল্লাহর শপথ দিয়ে বলল: তোমার এরূপ করার কারণ কি এবং আসল ব্যাপার কি? তিনি বললেন: আপনি আমাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে জিজ্ঞেস করেছেন, ইবাদতের মধ্যে এটাই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। এরপর তিনি বললেন: আমি আপনাকে আমার পরিচয় দিচ্ছি। আমি হলাম ঐ খিযির, যার কাছে এক মিসকীন আল্লাহর দোহাই দিয়ে ভিক্ষা চেয়েছিল অথচ আমার কাছে তখন দান করার মত কিছুই ছিল না। তখন আমার জন্য শুধু আমার জীবন ওয়াকফ্ করা ব্যতীত আর কোন গত্যন্তর ছিল না। এরপর ভিক্ষুকটি আমাকে আপনার কাছে বিক্রি করে দেয়। আমি আপনাকে জানাচ্ছি যে, আল্লাহর নামে চাওয়া হলে, যদি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কেউ যাঞ্চাকারীকে কিছু দান না করে, কিয়ামতের দিন সে অস্থির ও চিৎকারকারীরূপে, চেহারা গোশতশূন্য অবস্থায় উপস্থিত হবে। লোকটি বললঃ হে আল্লাহর নবী! আমার পিতামাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোন। আপনি আমার নিকট আমার পরিবার-পরিজন বা ধন-সম্পদ আপনার যা ইচ্ছা, আমি চাওয়ামাত্র তা দান করব। অথবা আপনি মুক্তি চাইলে আপনাকে মুক্ত করে দিব। জবাবে তিনি বললেন: আমাকে আমার পথে ছেড়ে দেয়াই আমি কামনা করি, যেন আমি আমার রবের ইবাদত করতে পারি। লোকটি তাকে মুক্ত করে দিল। এরপর খিযির (আ) বললেনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার জন্য, যিনি আমাকে তাঁর ইবাদতের জন্য বন্দী করলেন, এরপর তা থেকে আমাকে মুক্তি দিলেন।
(তাবারানীর 'কাবীর' ও অপরাপর গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আমাদের শায়খগণ এ হাদীসের সনদকে উত্তম বলেছেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ।)
كتاب الصَّدقَات
ترهيب السَّائِل أَن يسْأَل بِوَجْه الله غير الْجنَّة وترهيب المسؤول بِوَجْه الله أَن يمْنَع
1268 - وَرُوِيَ عَن أبي أُمَامَة رَضِي الله عَنهُ أَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قَالَ أَلا أحدثكُم عَن الْخضر قَالُوا بلَى يَا رَسُول الله
قَالَ بَيْنَمَا هُوَ ذَات يَوْم يمشي فِي سوق بني إِسْرَائِيل أبصره رجل مكَاتب فَقَالَ تصدق عَليّ بَارك الله فِيك فَقَالَ الْخضر آمَنت بِاللَّه مَا شَاءَ الله من أَمر يكون مَا عِنْدِي شَيْء أعطيكه فَقَالَ الْمِسْكِين أَسأَلك بِوَجْه الله لما تَصَدَّقت عَليّ فَإِنِّي نظرت السماحة فِي وَجهك ورجوت الْبركَة عنْدك فَقَالَ الْخضر آمَنت بِاللَّه مَا عِنْدِي شَيْء أعطيكه إِلَّا أَن تأخذني فتبيعني فَقَالَ الْمِسْكِين وَهل يَسْتَقِيم هَذَا قَالَ نعم أَقُول لقد سَأَلتنِي بِأَمْر عَظِيم أما إِنِّي لَا أخيبك بِوَجْه رَبِّي بِعني
قَالَ فقدمه إِلَى السُّوق فَبَاعَهُ بأربعمائة دِرْهَم فَمَكثَ عِنْد المُشْتَرِي زَمَانا لَا يَسْتَعْمِلهُ فِي شَيْء فَقَالَ إِنَّمَا اشتريتني
التمَاس خير عِنْدِي فأوصني بِعَمَل
قَالَ أكره أَن أشق عَلَيْك إِنَّك شيخ كَبِير ضَعِيف قَالَ لَيْسَ يشق عَليّ
قَالَ قُم فانقل هَذِه الْحِجَارَة وَكَانَ لَا ينقلها دون سِتَّة نفر فِي يَوْم فَخرج الرجل لبَعض حَاجته ثمَّ انْصَرف وَقد نقل الْحِجَارَة فِي سَاعَة
قَالَ أَحْسَنت وأجملت وأطقت مَا لم أرك تُطِيقهُ
قَالَ ثمَّ عرض للرجل سفر فَقَالَ إِنِّي أحسبك أَمينا فَاخْلُفْنِي فِي أَهلِي وَمَالِي خلَافَة حَسَنَة
قَالَ وأوصني بِعَمَل
قَالَ إِنِّي أكره أَن أشق عَلَيْك قَالَ لَيْسَ يشق عَليّ
قَالَ فَاضْرب من اللَّبن لبيتي حَتَّى أقدم عَلَيْك
قَالَ فَمر الرجل لسفره قَالَ فَرجع الرجل وَقد شيد بناءه قَالَ أَسأَلك بِوَجْه الله مَا سببك وَمَا أَمرك قَالَ سَأَلتنِي بِوَجْه الله وَوجه الله أوقعني فِي هَذِه الْعُبُودِيَّة فَقَالَ الْخضر سأخبرك من أَنا أَنا الْخضر الَّذِي سَمِعت بِهِ سَأَلَني مِسْكين صَدَقَة فَلم يكن عِنْدِي شَيْء أعْطِيه فَسَأَلَنِي بِوَجْه الله فأمكنته من رقبتي فباعني وأخبرك أَنه من سُئِلَ بِوَجْه الله فَرد سائله وَهُوَ يقدر وقف يَوْم الْقِيَامَة جلدَة وَلَا لحم لَهُ يتقعقع فَقَالَ الرجل آمَنت بِاللَّه شققت عَلَيْك يَا نَبِي الله وَلم أعلم
قَالَ لَا بَأْس أَحْسَنت وأتقنت فَقَالَ الرجل بِأبي أَنْت وَأمي يَا نَبِي الله احكم فِي أَهلِي بِمَا شِئْت أَو اختر فأخلي سَبِيلك
قَالَ أحب أَن تخلي سبيلي فأعبد رَبِّي فخلى سَبيله فَقَالَ الْخضر الْحَمد لله الَّذِي أوثقني فِي الْعُبُودِيَّة ثمَّ نجاني مِنْهَا

رَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ فِي الْكَبِير وَغير الطَّبَرَانِيّ وَحسن بعض مَشَايِخنَا إِسْنَاده وَفِيه بعد وَالله أعلم