আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
الجامع الصحيح للبخاري
৬৪- আদব - শিষ্টাচারের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৭ টি
হাদীস নং: ৫৬১৮
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৪৪
- আদব - শিষ্টাচারের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০৬. গালি ও অভিশাপ দেয়া নিষিদ্ধ।
৫৬১৮। সুলাইমান ইবনে হারব (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মুসলমানের গালি দেয়া ফাসিকী (কবীরা গুনাহ) এবং একে অন্যের সাথে মারামারি করা কুফরী। শু'বা (রাহঃ) সূত্রে গুনদারও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الأدب
باب مَا يُنْهَى مِنَ السِّبَابِ وَاللَّعْنِ
6044 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ، يُحَدِّثُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «سِبَابُ المُسْلِمِ فُسُوقٌ، وَقِتَالُهُ كُفْرٌ» تَابَعَهُ غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬১৯
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৪৫
- আদব - শিষ্টাচারের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০৬. গালি ও অভিশাপ দেয়া নিষিদ্ধ।
৫৬১৯। আবু মা’মার (রাহঃ) ......... আবু যর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ একজন অপরজনকে ফাসিক বলে যেন গালি না দেয় এবং একজন আরেকজনকে যেন কাফির বলে অপবাদ না দেয়। কেননা, যদি সে তা না হয়ে থাকে, তবে তা তার উপরই পতিত হবে।
كتاب الأدب
باب مَا يُنْهَى مِنَ السِّبَابِ وَاللَّعْنِ
6045 - حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَارِثِ، عَنِ الحُسَيْنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ يَعْمَرَ، أَنَّ أَبَا الأَسْوَدِ الدِّيلِيَّ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِي ذَرٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لاَ يَرْمِي رَجُلٌ رَجُلًا بِالفُسُوقِ، وَلاَ يَرْمِيهِ بِالكُفْرِ، إِلَّا ارْتَدَّتْ عَلَيْهِ، إِنْ لَمْ يَكُنْ صَاحِبُهُ كَذَلِكَ»
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৫৬২০
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৪৬
- আদব - শিষ্টাচারের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০৬. গালি ও অভিশাপ দেয়া নিষিদ্ধ।
৫৬২০। মুহাম্মাদ ইবনে সিনান (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অশালীন, অভিশাপদাতা ও গালিদাতা ছিলেন না। তিনি কাউকে তিরস্কার করার সময় শুধু বলতেনঃ তার কি হল? তার কপাল ধূলাময় হোক।
كتاب الأدب
باب مَا يُنْهَى مِنَ السِّبَابِ وَاللَّعْنِ
6046 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا هِلاَلُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: لَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاحِشًا، وَلاَ لَعَّانًا، وَلاَ سَبَّابًا، كَانَ يَقُولُ عِنْدَ المَعْتَبَةِ: «مَا لَهُ تَرِبَ جَبِينُهُ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬২১
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৪৭
- আদব - শিষ্টাচারের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০৬. গালি ও অভিশাপ দেয়া নিষিদ্ধ।
৫৬২১। মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ......... সাবিত ইবনে যাহহাক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি গাছের নীচে বাইআত গ্রহণকারীদের অন্যতম সাহাবী ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম ছাড়া অন্য কোন ধর্মের উপর কসম খাবে, সে ঐ ধর্মেরই শামিল হয়ে যাবে। আর মানুষ যে জিনিসের মালিক নয়, এমন জিনিসের মানত আদায় করা তার উপর ওয়াজিব নয়। আর কোন ব্যক্তি দুনিয়াতে যে জিনিস দ্বারা আত্মহত্যা করবে, কিয়ামতের দিন সে জিনিস দিয়েই তাকে আযাব দেওয়া হবে। কোন ব্যক্তি কোন মু'মিনের উপর অভিশাপ দিলে, তা তাকে হত্যা করারই শামিল হবে। আর কোন মুমিনকে কাফির বলে অপবাদ দিলে, তাও তাকে হত্যা করারই মত হবে।
كتاب الأدب
باب مَا يُنْهَى مِنَ السِّبَابِ وَاللَّعْنِ
6047 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ المُبَارَكِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ: أَنَّ ثَابِتَ بْنَ الضَّحَّاكِ، وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ الشَّجَرَةِ حَدَّثَهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ حَلَفَ عَلَى مِلَّةٍ غَيْرِ الإِسْلاَمِ فَهُوَ كَمَا قَالَ، وَلَيْسَ عَلَى ابْنِ آدَمَ نَذْرٌ فِيمَا لاَ يَمْلِكُ، وَمَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِشَيْءٍ فِي الدُّنْيَا عُذِّبَ بِهِ يَوْمَ القِيَامَةِ، وَمَنْ لَعَنَ مُؤْمِنًا فَهُوَ كَقَتْلِهِ، وَمَنْ قَذَفَ مُؤْمِنًا بِكُفْرٍ فَهُوَ كَقَتْلِهِ»
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৫৬২২
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৪৮
- আদব - শিষ্টাচারের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০৬. গালি ও অভিশাপ দেয়া নিষিদ্ধ।
৫৬২২। উমর ইবনে হাফস (রাহঃ) ......... সুলাইমান ইবনে সূরাদ (রাযিঃ) নামক নবী (ﷺ) এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ দু’জন লোক নবী (ﷺ) এর সামনে একে অন্যকে গালি দিচ্ছিল। তাদের একজন এত ক্রুদ্ধ হয়েছিল যে, তার চেহারা ফুলে বিগড়ে গিয়েছিল। তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ আমি অবশ্যই একটিই কালেমা জানি। যদি সে ঐ কালেমাটি পড়ত, তা হলে তার ক্রোধ চলে যেত। তখন এক ব্যক্তি তার নিকট গিয়ে নবী (ﷺ) এর ঐ কথাটি তাকে জানাল। আর বলল যে, তুমি শয়তান থেকে পানাহ চাও। তখন সে বললঃ আমার মধ্যে কি কোন রোগ দেখা যাচ্ছে? আমি কি পাগল? তুমি চলে যাও।
كتاب الأدب
باب مَا يُنْهَى مِنَ السِّبَابِ وَاللَّعْنِ
6048 - حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَدِيُّ بْنُ ثَابِتٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سُلَيْمَانَ بْنَ صُرَدٍ، رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [ص:16] قَالَ: اسْتَبَّ رَجُلاَنِ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَغَضِبَ أَحَدُهُمَا، فَاشْتَدَّ غَضَبُهُ حَتَّى انْتَفَخَ وَجْهُهُ وَتَغَيَّرَ: فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنِّي لَأَعْلَمُ كَلِمَةً، لَوْ قَالَهَا لَذَهَبَ عَنْهُ الَّذِي يَجِدُ» فَانْطَلَقَ إِلَيْهِ الرَّجُلُ فَأَخْبَرَهُ بِقَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ: «تَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ» فَقَالَ: أَتُرَى بِي بَأْسٌ، أَمَجْنُونٌ أَنَا، اذْهَبْ
হাদীস নং: ৫৬২৩
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৪৯
- আদব - শিষ্টাচারের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০৬. গালি ও অভিশাপ দেয়া নিষিদ্ধ।
৫৬২৩। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... উবাদা ইবনে সামিত (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লোকদের ″লায়লাতুল কদর″ সম্বন্ধে জানানোর জন্য বেরিয়ে আসলেন। তখন দু’জন মুসলমান ঝগড়া করছিল। নবী (ﷺ) বললেনঃ আমি ‘লায়লাতুল কদর’ সম্পর্কে তোমাদের খবর দিতে বেরিয়ে এসেছিলাম। এ সময় অমুক অমুক পরস্পর ঝগড়া করছিল। এজন্য ঐ খবরের ‘ইলম’ আমার থেকে তুলে নেয়া হয়েছে। এটা হয়ত তোমাদের জন্য কল্যাণকরই হবে। অতএব, তোমরা তা রমযানের শেষ দশকের নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাতে তালাশ করবে।
كتاب الأدب
باب مَا يُنْهَى مِنَ السِّبَابِ وَاللَّعْنِ
6049 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ المُفَضَّلِ، عَنْ حُمَيْدٍ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ، حَدَّثَنِي عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ، قَالَ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِيُخْبِرَ النَّاسَ بِلَيْلَةِ القَدْرِ، فَتَلاَحَى رَجُلاَنِ مِنَ المُسْلِمِينَ، قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «خَرَجْتُ لِأُخْبِرَكُمْ، فَتَلاَحَى فُلاَنٌ وَفُلاَنٌ، وَإِنَّهَا رُفِعَتْ، وَعَسَى أَنْ يَكُونَ خَيْرًا لَكُمْ، فَالْتَمِسُوهَا فِي التَّاسِعَةِ، وَالسَّابِعَةِ، وَالخَامِسَةِ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬২৪
আন্তর্জাতিক নং: ৬০৫০
- আদব - শিষ্টাচারের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০৬. গালি ও অভিশাপ দেয়া নিষিদ্ধ।
৫৬২৪। উমর ইবনে হাফস (রাহঃ) ......... আবু যর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাবী বলেনঃ তার উপর একখানা চাদর ও তার গোলামের গায়ে একখানা চাদর দেখে আমি বললামঃ যদি আপনি ঐ চাদরটি নিতেন ও পরিধান করতেন, তাহলে আপনার এক জোড়া হয়ে যেত, আর গোলামকে অন্য কাপড় দিয়ে দিতেন। তখন আবু যর (রাযিঃ) বললেনঃ একদিন আমার ও অপর এক ব্যক্তির মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছিল। তার মা ছিল জনৈক অনারব মহিলা। আমি তার মা তুলে গালি দিলাম। তখন লোকটি নবী (ﷺ) এর নিকট তা জানাল। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কি অমুককে গালি দিয়েছ? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কি তার মা তুলে গালি দিয়েছ? আমি বললামঃ হ্যাঁ।
তিনি বললেনঃ নিশ্চয় তুমিতো এমন ব্যক্তি, যার মধ্যে জাহিলী যুগের আচরণ বিদ্যমান। আমি বললামঃ এখনো? এই বৃদ্ধ বয়সেও? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ! তারা তো তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ তাআলা ওদের তোমাদের অধীন করেছেন। সুতরাং আল্লাহ তাআলা যার ভাইকে তার অধীন করে দেন, সে নিজে যা খায়, তাকেও যেন তা খাওয়ায়। সে নিজে যা পরে, তাকেও যেন তা পরায়। আর তার উপর যেন এমন কোন কাজের চাপ না দেয়, যা তার শক্তির বাইরে। আর যদি তার উপর এমন কঠিন কোনো চাপ দিতেই হয়, তাহলে সে নিজেও যেন তাকে সাহায্য করে।
তিনি বললেনঃ নিশ্চয় তুমিতো এমন ব্যক্তি, যার মধ্যে জাহিলী যুগের আচরণ বিদ্যমান। আমি বললামঃ এখনো? এই বৃদ্ধ বয়সেও? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ! তারা তো তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ তাআলা ওদের তোমাদের অধীন করেছেন। সুতরাং আল্লাহ তাআলা যার ভাইকে তার অধীন করে দেন, সে নিজে যা খায়, তাকেও যেন তা খাওয়ায়। সে নিজে যা পরে, তাকেও যেন তা পরায়। আর তার উপর যেন এমন কোন কাজের চাপ না দেয়, যা তার শক্তির বাইরে। আর যদি তার উপর এমন কঠিন কোনো চাপ দিতেই হয়, তাহলে সে নিজেও যেন তাকে সাহায্য করে।
كتاب الأدب
باب مَا يُنْهَى مِنَ السِّبَابِ وَاللَّعْنِ
6050 - حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنِ المَعْرُورِ هُوَ ابْنُ سُوَيْدٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: رَأَيْتُ عَلَيْهِ بُرْدًا، وَعَلَى غُلاَمِهِ بُرْدًا، فَقُلْتُ: لَوْ أَخَذْتَ هَذَا فَلَبِسْتَهُ كَانَتْ حُلَّةً، وَأَعْطَيْتَهُ ثَوْبًا آخَرَ، فَقَالَ: كَانَ بَيْنِي وَبَيْنَ رَجُلٍ كَلاَمٌ، وَكَانَتْ أُمُّهُ أَعْجَمِيَّةً، فَنِلْتُ مِنْهَا، فَذَكَرَنِي إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ لِي: «أَسَابَبْتَ فُلاَنًا» قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: «أَفَنِلْتَ مِنْ أُمِّهِ» قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: «إِنَّكَ امْرُؤٌ فِيكَ جَاهِلِيَّةٌ» قُلْتُ عَلَى حِينِ سَاعَتِي: هَذِهِ مِنْ كِبَرِ السِّنِّ؟ قَالَ: «نَعَمْ، هُمْ إِخْوَانُكُمْ، جَعَلَهُمُ اللَّهُ تَحْتَ أَيْدِيكُمْ، فَمَنْ جَعَلَ اللَّهُ أَخَاهُ تَحْتَ يَدِهِ، فَلْيُطْعِمْهُ مِمَّا يَأْكُلُ، وَلْيُلْبِسْهُ مِمَّا يَلْبَسُ، وَلاَ يُكَلِّفُهُ مِنَ العَمَلِ مَا يَغْلِبُهُ، فَإِنْ كَلَّفَهُ مَا يَغْلِبُهُ فَلْيُعِنْهُ عَلَيْهِ»