اِنَّ رَبَّکَ یَعۡلَمُ اَنَّکَ تَقُوۡمُ اَدۡنٰی مِنۡ ثُلُثَیِ الَّیۡلِ وَنِصۡفَہٗ وَثُلُثَہٗ وَطَآئِفَۃٌ مِّنَ الَّذِیۡنَ مَعَکَ ؕ وَاللّٰہُ یُقَدِّرُ الَّیۡلَ وَالنَّہَارَ ؕ عَلِمَ اَنۡ لَّنۡ تُحۡصُوۡہُ فَتَابَ عَلَیۡکُمۡ فَاقۡرَءُوۡا مَا تَیَسَّرَ مِنَ الۡقُرۡاٰنِ ؕ عَلِمَ اَنۡ سَیَکُوۡنُ مِنۡکُمۡ مَّرۡضٰی ۙ وَاٰخَرُوۡنَ یَضۡرِبُوۡنَ فِی الۡاَرۡضِ یَبۡتَغُوۡنَ مِنۡ فَضۡلِ اللّٰہِ ۙ وَاٰخَرُوۡنَ یُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ ۫ۖ فَاقۡرَءُوۡا مَا تَیَسَّرَ مِنۡہُ ۙ وَاَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَاٰتُوا الزَّکٰوۃَ وَاَقۡرِضُوا اللّٰہَ قَرۡضًا حَسَنًا ؕ وَمَا تُقَدِّمُوۡا لِاَنۡفُسِکُمۡ مِّنۡ خَیۡرٍ تَجِدُوۡہُ عِنۡدَ اللّٰہِ ہُوَ خَیۡرًا وَّاَعۡظَمَ اَجۡرًا ؕ وَاسۡتَغۡفِرُوا اللّٰہَ ؕ اِنَّ اللّٰہَ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ ٪
উচ্চারণ
ইন্না রাব্বাকা ইয়া‘লামুআন্নাকা তাকূমুআদনা- মিন ছু লুছাইল্লাইলি ওয়া নিসফাহূওয়া ছু লুছাহূওয়া তাইফাতুম মিনাল্লাযীনা মা‘আকা ওয়াল্লা-হু ইউকাদ্দিরুল্লাইলা ওয়ান্নাহা-রা ‘আলিমা আল্লান তুহসূহু ফাতা-বা ‘আলাইকুম ফাকরাঊ মা- তায়াছছারা মিনাল কুরআ-নি ‘আলিমা আন ছাইয়াকূনুমিনকুম মারদা- ওয়া আ-খারূনা ইয়াদরিবূনা ফিল আরদিইয়াবতাগূনা মিন ফাদলিল্লা-হি ওয়া আ- খারূনা ইউকাতিলূনা ফী ছাবীলিল্লা-হি ফাকরাঊ মা-তায়াছছারা মিনহু ওয়া আকীমুসসালা-তা ওয়া আ-তুঝঝাকা-তা ওয়া আকরিদূ ল্লা-হা কারদান হাছানাও ওয়ামা- তুকাদ্দিমূ লিআনফুছিকুম মিন খাইরিন তাজিদূ হু ‘ইনদাল্লা-হি হুওয়া খাইরাওঁ ওয়া আ‘জামা আজরাও ওয়াছতাগফিরুল্লা-হা ইন্নাল্লা-হা গাফূরুর রাহীম।
মুফতী তাকী উসমানী
(হে রাসূল!) তোমার প্রতিপালক জানেন, তুমি রাতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশে, (কখনও) অর্ধ রাতে এবং (কখনও) রাতের এক-তৃতীয়াংশে (তাহাজ্জুদের নামাযের জন্য) জাগরণ কর এবং তোমার সঙ্গীদের মধ্যেও একটি দল (এ রকম করে)। ৯ রাত ও দিনের পরিমাণ আল্লাহই নির্ধারণ করেন। তিনি জানেন, তোমরা এর যথাযথ হিসাব রাখতে পারবে না। কাজেই তিনি তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। ১০ সুতরাং কুরআনের যতটুকু (পড়া তোমাদের জন্য) সহজ হয় ততটুকুই পড়। ১১ আল্লাহ জানেন তোমাদের মধ্যে কিছু লোক অসুস্থ হয়ে পড়বে, অপর কিছু লোক এমন থাকবে, যারা আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধানের জন্য পৃথিবীতে ভ্রমণ করবে ১২ এবং কিছু লোক থাকবে এমন, যারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ রত থাকবে। সুতরাং তোমরা তা (অর্থাৎ কুরআন) থেকে ততটুকুই পড়, যা সহজ হয় এবং নামায কায়েম কর, ১৩ যাকাত আদায় কর ও আল্লাহকে ঋণ দাও উত্তম ঋণ। ১৪ তোমরা নিজেদের জন্য উত্তম যাই অগ্রিম পাঠাবে, আল্লাহর কাছে গিয়ে তোমরা তা আরও উৎকৃষ্ট অবস্থায় এবং মহা পুরস্কাররূপে বিদ্যমান পাবে। আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাক। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।