اَسۡکِنُوۡہُنَّ مِنۡ حَیۡثُ سَکَنۡتُمۡ مِّنۡ وُّجۡدِکُمۡ وَلَا تُضَآرُّوۡہُنَّ لِتُضَیِّقُوۡا عَلَیۡہِنَّ ؕ وَاِنۡ کُنَّ اُولَاتِ حَمۡلٍ فَاَنۡفِقُوۡا عَلَیۡہِنَّ حَتّٰی یَضَعۡنَ حَمۡلَہُنَّ ۚ فَاِنۡ اَرۡضَعۡنَ لَکُمۡ فَاٰتُوۡہُنَّ اُجُوۡرَہُنَّ ۚ وَاۡتَمِرُوۡا بَیۡنَکُمۡ بِمَعۡرُوۡفٍ ۚ وَاِنۡ تَعَاسَرۡتُمۡ فَسَتُرۡضِعُ لَہٗۤ اُخۡرٰی ؕ
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
১০. অর্থাৎ স্বামী যেন এরূপ চিন্তা না করে যে, স্ত্রীকে যখন বিদায়ই দিতে হবে তখন আচ্ছা মত জ্বালিয়ে নেই। বরং তার উচিত হবে, যত দিন স্ত্রী তার ঘরে ইদ্দত পালন করবে, ততদিন তার সাথে ভালো ব্যবহার করা। এ আয়াত দ্বারাই হানাফী ফুকাহায়ে কেরাম প্রমাণ করেন, তালাক রজঈ হোক বা বায়েন, ইদ্দতকালে স্ত্রীর ব্যয়ভার স্বামীকেই বহন করতে হবে। কেননা খোরপোষ না দেওয়াটা তাকে কষ্ট দানেরই নামান্তর, যা এ আয়াতে নিষেধ করা হয়েছে।