আত ত্বালাক

সূরা নং: ৬৫, আয়াত নং: ৬

তাফসীর
اَسۡکِنُوۡہُنَّ مِنۡ حَیۡثُ سَکَنۡتُمۡ مِّنۡ وُّجۡدِکُمۡ وَلَا تُضَآرُّوۡہُنَّ لِتُضَیِّقُوۡا عَلَیۡہِنَّ ؕ  وَاِنۡ کُنَّ اُولَاتِ حَمۡلٍ فَاَنۡفِقُوۡا عَلَیۡہِنَّ حَتّٰی یَضَعۡنَ حَمۡلَہُنَّ ۚ  فَاِنۡ اَرۡضَعۡنَ لَکُمۡ فَاٰتُوۡہُنَّ اُجُوۡرَہُنَّ ۚ  وَاۡتَمِرُوۡا بَیۡنَکُمۡ بِمَعۡرُوۡفٍ ۚ  وَاِنۡ تَعَاسَرۡتُمۡ فَسَتُرۡضِعُ لَہٗۤ اُخۡرٰی ؕ

উচ্চারণ

আছকিনূহুন্না মিন হাইছুছাকানতুম মিওঁউজদিকুম ওয়ালা-তুদাররূহুন্না লিতুদাইয়িকূ ‘আলাইহিন্না ওয়া ইন কুন্না ঊলা-তি হামলিন ফাআনফিকূ‘আলাইহিন্না হাত্তা-ইয়াদা‘না হামলাহুন্না ফাইন আরদা‘না লাকুম ফাআ-তূহুন্না উজূরাহুন্না ওয়া’তামিরূবাইনাকুম বিমা‘রূফিও ওয়া ইন তা‘আ-ছারতুম ফাছাতুরদি‘উ লাহূউখরা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদেরকে সেই স্থানে বাস করতে দাও, যেখানে তোমরা নিজেরা বাস কর। তাদেরকে সংকটে ফেলার জন্য কষ্ট দিও না। ১০ তারা গর্ভবতী হলে তাদের জন্য ব্যয় করতে থাক, যতক্ষণ না তারা সন্তান প্রসব করে। ১১ তারপর তারা যদি তোমাদের জন্য শিশুদের দুধ পান করায়, তবে তাদেরকে তাদের পারিশ্রমিক দিও। আর (পারিশ্রমিক নির্ধারণের জন্য) উত্তম পন্থায় নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে নিও। তোমরা যদি একে অন্যের জন্য সংকট সৃষ্টি কর, তবে অন্য কোন নারী তাকে দুধ পান করাবে। ১২

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১০. অর্থাৎ স্বামী যেন এরূপ চিন্তা না করে যে, স্ত্রীকে যখন বিদায়ই দিতে হবে তখন আচ্ছা মত জ্বালিয়ে নেই। বরং তার উচিত হবে, যত দিন স্ত্রী তার ঘরে ইদ্দত পালন করবে, ততদিন তার সাথে ভালো ব্যবহার করা। এ আয়াত দ্বারাই হানাফী ফুকাহায়ে কেরাম প্রমাণ করেন, তালাক রজঈ হোক বা বায়েন, ইদ্দতকালে স্ত্রীর ব্যয়ভার স্বামীকেই বহন করতে হবে। কেননা খোরপোষ না দেওয়াটা তাকে কষ্ট দানেরই নামান্তর, যা এ আয়াতে নিষেধ করা হয়েছে।