আত ত্বালাক

সূরা নং: ৬৫, আয়াত নং: ১২

তাফসীর
اَللّٰہُ الَّذِیۡ خَلَقَ سَبۡعَ سَمٰوٰتٍ وَّمِنَ الۡاَرۡضِ مِثۡلَہُنَّ ؕ  یَتَنَزَّلُ الۡاَمۡرُ بَیۡنَہُنَّ لِتَعۡلَمُوۡۤا اَنَّ اللّٰہَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ ۬ۙ  وَّاَنَّ اللّٰہَ قَدۡ اَحَاطَ بِکُلِّ شَیۡءٍ عِلۡمًا ٪

উচ্চারণ

আল্লা-হুল্লাযী খালাকা ছাব‘আ ছামা-ওয়া-তিওঁ ওয়া মিনাল আরদিমিছলাহুন্না ইয়াতানাঝঝালুল আমরু বাইনাহুন্না লিতা‘লামূআন্নাল্লা-হা ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন কাদীরুওঁ ওয়া আন্নাল্লা-হা কাদ আহা-তা বিকুল্লি শাইয়িন ‘ইল মা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন সাত আকাশ এবং তার অনুরূপ পৃথিবীও। ১৬ তাদের মাঝে আল্লাহর হুকুম অবতীর্ণ হতে থাকে, যাতে তোমরা জানতে পার আল্লাহ সর্ব বিষয়ে পরিপূর্ণ শক্তি রাখেন এবং আল্লাহর জ্ঞান সবকিছুকে বেষ্টন করে আছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৬. বিভিন্ন হাদীস দ্বারা এর যে অর্থ বোঝা যায়, তা হচ্ছে আকাশমণ্ডলীর মত পৃথিবীও সাতটি। কিন্তু কুরআন ও হাদীস এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা পেশ করেনি। অর্থাৎ সাত পৃথিবী স্তরে-স্তরে গ্রথিত, না এর পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব আছে? দূরত্ব থাকলে তা কোথায়-কোথায় অবস্থিত? এসব জানানো হয়নি। কিন্তু একথাও সত্য যে, মহা বিশ্বে এখনও এমন অসংখ্য বস্তু রয়েছে, মানব-জ্ঞান যে পর্যন্ত পৌঁছতে পারেনি। কেবল আল্লাহ তাআলাই তা জানেন। কুরআন মাজীদ যে উদ্দেশ্যে নাযিল হয়েছে তা পূরণের জন্য এসব জানা জরুরিও নয়। এ আয়াতের মূল উদ্দেশ্য এই যে, মহাবিশ্বের সৃষ্টিনিচয়ের প্রতি দৃষ্টিপাত করে আল্লাহ তাআলার অসীম শক্তি ও অপার হেকমতের উপর ঈমান আনাই সুস্থ বিবেক-বুদ্ধির দাবি।