আত তাগাবুন

সূরা নং: ৬৪, আয়াত নং: ৯

তাফসীর
یَوۡمَ یَجۡمَعُکُمۡ لِیَوۡمِ الۡجَمۡعِ ذٰلِکَ یَوۡمُ التَّغَابُنِ ؕ وَمَنۡ یُّؤۡمِنۡۢ بِاللّٰہِ وَیَعۡمَلۡ صَالِحًا یُّکَفِّرۡ عَنۡہُ سَیِّاٰتِہٖ وَیُدۡخِلۡہُ جَنّٰتٍ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِہَا الۡاَنۡہٰرُ خٰلِدِیۡنَ فِیۡہَاۤ اَبَدًا ؕ ذٰلِکَ الۡفَوۡزُ الۡعَظِیۡمُ

উচ্চারণ

ইয়াওমা ইয়াজমা‘উকুম লিইয়াওমিল জাম‘ই যা-লিকা ইয়াওমুত্তাগা-বুন ওয়া মাইঁ ইউ’মিম বিল্লা-হি ওয়া ইয়া‘মাল সা-লিহাইঁ ইউকাফফির ‘আনহু ছাইয়িআ-তিহী ওয়া ইউদখিলহু জান্না-তিন তাজরী মিন তাহতিহাল আনহা-রু খা-লিদীনা ফীহা-আবাদা- যা-লিকাল ফাওঝুল ‘আজীম।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

(দ্বিতীয় জীবন হবে সেই দিন), যে দিন আল্লাহ তোমাদেরকে সমবেত করবেন একত্রীকরণের দিনে। সেটা কিছু লোক কর্তৃক অন্যদেরকে আক্ষেপে ফেলার দিন। আর যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তাদেরকে প্রবেশ করাবেন এমন জান্নাতে, যার নিচে নহর প্রবাহিত থাকবে। তাতে তারা সর্বদা থাকবে। এটাই মহা সাফল্য।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১. কুরআন মাজীদে এখানে تغابن (তাগাবুন) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ একে অন্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করা, আক্ষেপে ফেলা। কিয়ামতকে ‘তাগাবুনের দিন’ বলা হয়েছে এ কারণে যে, সে দিন যারা জান্নাতে যাবে তাদেরকে দেখে জাহান্নামীরা আক্ষেপ করে বলবে, আহা! আমরা যদি দুনিয়ায়- জান্নাতীদের মত আমল করতাম, তবে আজ আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করতে হত না, আমরাও তাদের মত জান্নাতের নি‘আমত লাভ করতে পারতাম। হযরত শাহ আবদুল কাদের (রহ.) এর তরজমা করেছেন ‘হারজিতের দিন’। এর দ্বারা বক্তব্য বিষয় সংক্ষেপে পরিষ্কার হয়ে যায়।