আল আনআম

সূরা নং: ৬, আয়াত নং: ১৪৫

তাফসীর
قُلۡ لَّاۤ اَجِدُ فِیۡ مَاۤ اُوۡحِیَ اِلَیَّ مُحَرَّمًا عَلٰی طَاعِمٍ یَّطۡعَمُہٗۤ اِلَّاۤ اَنۡ یَّکُوۡنَ مَیۡتَۃً اَوۡ دَمًا مَّسۡفُوۡحًا اَوۡ لَحۡمَ خِنۡزِیۡرٍ فَاِنَّہٗ رِجۡسٌ اَوۡ فِسۡقًا اُہِلَّ لِغَیۡرِ اللّٰہِ بِہٖ ۚ فَمَنِ اضۡطُرَّ غَیۡرَ بَاغٍ وَّلَا عَادٍ فَاِنَّ رَبَّکَ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ

উচ্চারণ

কুল লাআজিদুফী মাঊহিয়া ইলাইইয়া মুহাররামান ‘আলা- তা-‘ইমিইঁ ইয়াত‘আমুহূ ইল্লা আইঁ ইয়াকূনা মাইতাতান আও দামাম মাছফূহান আও লাহমা খিনঝীরিন ফাইন্নাহূ রিজছুন আও ফিছকান উহিল্লা লিগাইরিল্লা-হি বিহী ফামানিদতুররা গাইরা বা-গিওঁ ওয়ালা-‘আ-দিন ফাইন্না রাব্বাকা গাফূরুর রাহীম।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

(হে নবী! তাদেরকে) বল, আমার প্রতি যে ওহী নাযিল করা হয়েছে, তাতে আমি এমন কোনও জিনিস পাই না, যা কোনও আহারকারীর জন্য হারাম, ৮৭ তবে যদি তা মৃত জন্তু বা বহমান রক্ত কিংবা শূকরের গোশত হয় (তা হারাম)। কেননা তা নাপাক। অথবা যদি হয় এমন গুনাহের পশু, যাকে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও নামে যবাহ করা হয়েছে। হাঁ যে ব্যক্তি (এসব বস্তুর মধ্যে কোনওটি খেতে) বাধ্য হয়ে যায়, ৮৮ আর তার উদ্দেশ্য মজা লোটা না হয় এবং প্রয়োজনের সীমা অতিক্রম না করে, তবে নিশ্চয়ই তোমার রব্ব (আল্লাহ) অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৮৭. অর্থাৎ মূর্তিপূজকগণ যেসব পশুকে হারাম সাব্যস্ত করেছিল, তার কোনওটিরই নিষিদ্ধতা সম্পর্কে আমার প্রতি আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে কোন ওহী আসেনি। ব্যতিক্রম এই চারটি। তবে এর অর্থ এই নয় যে, অন্য সব পশুর মধ্যে কোনওটি হারাম নয়। সুতরাং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বপ্রকার হিংস্র পশুকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন।