وَیَوۡمَ یَحۡشُرُہُمۡ جَمِیۡعًا ۚ یٰمَعۡشَرَ الۡجِنِّ قَدِ اسۡتَکۡثَرۡتُمۡ مِّنَ الۡاِنۡسِ ۚ وَقَالَ اَوۡلِیٰٓؤُہُمۡ مِّنَ الۡاِنۡسِ رَبَّنَا اسۡتَمۡتَعَ بَعۡضُنَا بِبَعۡضٍ وَّبَلَغۡنَاۤ اَجَلَنَا الَّذِیۡۤ اَجَّلۡتَ لَنَا ؕ قَالَ النَّارُ مَثۡوٰىکُمۡ خٰلِدِیۡنَ فِیۡہَاۤ اِلَّا مَا شَآءَ اللّٰہُ ؕ اِنَّ رَبَّکَ حَکِیۡمٌ عَلِیۡمٌ
মুফতী তাকী উসমানী
(সেই দিনের কথা মনে রেখ) যে দিন আল্লাহ তাদের সকলকে একত্র করবেন (এবং দুষ্ট জিনদেরকে বলবেন), হে জিন সম্প্রদায়! তোমরা বিপুল সংখ্যক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছ। মানুষের মধ্যে যারা তাদের বন্ধু, তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা একে অন্যের দ্বারা আনন্দ উপভোগ করেছি ৬৬ এবং এখন আমরা আমাদের সেই সময়ে উপনীত হয়েছি, যা আপনি আমাদের জন্য নির্ধারণ করেছিলেন। আল্লাহ বলবেন, (এখন) আগুনই তোমাদের ঠিকানা, যাতে তোমরা সর্বদা থাকবে যদি না আল্লাহ অন্য রকম ইচ্ছা করেন। ৬৭ নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক হিকমতওয়ালা, সর্বজ্ঞ।
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
৬৬. মানুষ তো শয়তানের দ্বারা এভাবে আনন্দ উপভোগ করেছে যে, তাদের প্ররোচনায় পড়ে নিজ খেয়াল-খুশী মত চলেছে ও কুপ্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ করেছে। এভাবে মানুষ এমন সব গুনাহে লিপ্ত থেকেছে, যা দ্বারা বাহ্যিকভাবে আনন্দ-ফূর্তি লাভ হয়। অপর দিকে শয়তানেরা মানুষের দ্বারা আনন্দ উপভোগ করেছে এভাবে যে, তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে পেরে তাদের মন ভরেছে এবং বিভ্রান্ত মানুষ তাদের মর্জিমত কাজ করায় তারা হর্ষবোধ করেছে। বস্তুত তারা একথা বলে নিজেদের ত্রুটি স্বীকার করবে এবং খুব সম্ভব এর পর ক্ষমাও প্রার্থনা করত, কিন্তু এর বেশি কিছু বলার হয়ত সাহসই হবে না অথবা ক্ষমার সময় গত হয়ে যাওয়ার কারণে আল্লাহ তাআলা তাদের কথা শেষ করতে দেবেন না; বরং তার আগেই বলবেন, এখন ক্ষমা ও প্রতিকারের সময় নয়। এখন তোমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তিই ভোগ করতে হবে।