قُلۡ لِّلۡمُخَلَّفِیۡنَ مِنَ الۡاَعۡرَابِ سَتُدۡعَوۡنَ اِلٰی قَوۡمٍ اُولِیۡ بَاۡسٍ شَدِیۡدٍ تُقَاتِلُوۡنَہُمۡ اَوۡ یُسۡلِمُوۡنَ ۚ فَاِنۡ تُطِیۡعُوۡا یُؤۡتِکُمُ اللّٰہُ اَجۡرًا حَسَنًا ۚ وَاِنۡ تَتَوَلَّوۡا کَمَا تَوَلَّیۡتُمۡ مِّنۡ قَبۡلُ یُعَذِّبۡکُمۡ عَذَابًا اَلِیۡمًا
মুফতী তাকী উসমানী
যে সকল দেহাতী পেছনে থেকে গিয়েছিল, তাদেরকে বলে দিও, অচিরেই তোমাদেরকে এমন এক সম্প্রদায়ের দিকে (যুদ্ধের জন্য) ডাকা হবে, যারা অত্যন্ত কঠিন লড়াকু হবে। হয় তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ করবে অথবা তারা আনুগত্য স্বীকার করবে। ১৪ তখন তোমরা (জিহাদের এ নির্দেশের সামনে) আনুগত্য করলে আল্লাহ তোমাদেরকে উত্তম পুরস্কার দান করবেন। আর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, যেমন পূর্বে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলে, তবে আল্লাহ তোমাদেরকে যন্ত্রণাময় শাস্তি দান করবেন।
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
১৪. যে সকল দেহাতী হুদায়বিয়ার সফরে শরীক হয়নি, তাদেরকে বলা হচ্ছে, আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে তোমাদের জন্য খায়বারে অভিযানে যোগদানের তো অনুমতি নেই, তবে এর পরে আরেকটা সময় আসছে, যখন তোমাদেরকে এক কঠিন লড়াকু গোষ্ঠীর সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য ডাকা হবে। তখন যদি তোমরা সাচ্চা মুমিন হয়ে ধৈর্য-স্থৈর্যের পরিচয় দিতে পার, তবে তোমাদের এখনকার এ গুনাহ ধুয়ে যাবে এবং আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে প্রভূত সওয়াব দান করবেন। এ আয়াতে যে লড়াকু গোষ্ঠীর সাথে যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে, এর দ্বারা বিশেষ কোন গোষ্ঠীকে বোঝানো উদ্দেশ্য নয়; বরং পরবর্তীকালে মুসলিমগণ যে সকল বড়-বড় শক্তির সাথে মুকাবেলা করেছে এবং তাতে অংশগ্রহণের জন্য দেহাতীদেরকে ডাকা হয়েছে, এ রকম প্রতিটি যুদ্ধই এর অন্তর্ভুক্ত। সাহাবায়ে কেরাম থেকে বর্ণিত আছে যে, হযরত সিদ্দীকে আকবর ও ফারূকে আযম (রাযি.)-এর যুগে মুসায়লিমা কাযযাব, কায়সার ও কিসরার বিরুদ্ধে যেসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে, তাতে অংশগ্রহণের জন্য দেহাতী লোকদেরকে ডাকা হয়েছিল এবং কোন কোন দেহাতী তাওবা করে তাতে অংশগ্রহণও করেছিল।