আল আহ্‌যাব

সূরা নং: ৩৩, আয়াত নং: ৪৯

তাফসীর
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِذَا نَکَحۡتُمُ الۡمُؤۡمِنٰتِ ثُمَّ طَلَّقۡتُمُوۡہُنَّ مِنۡ قَبۡلِ اَنۡ تَمَسُّوۡہُنَّ فَمَا لَکُمۡ عَلَیۡہِنَّ مِنۡ عِدَّۃٍ تَعۡتَدُّوۡنَہَا ۚ فَمَتِّعُوۡہُنَّ وَسَرِّحُوۡہُنَّ سَرَاحًا جَمِیۡلًا

উচ্চারণ

ইয়া আইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানূ ইযা-নাকাহতুমুল মু’মিনা-তি ছুম্মা তাল্লাকতুমূহুন্না মিন কাবলি আন তামাছছূহুন্না ফামা-লাকুম ‘আলাইহিন্না মিন ‘ইদ্দাতিন তা‘তাদ্দূনাহা- ফামাত্তি‘ঊ হুন্না ওয়া ছাররিহূহুন্না ছারা-হান জামীলা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

হে মুমিনগণ! তোমরা মুমিন নারীদেরকে বিবাহ করার পর তাদেরকে স্পর্শ করার আগেই তালাক দিলে তোমাদের জন্য তাদের উপর কোন ইদ্দত ওয়াজিব নয়, যা তোমাদেরকে গণনা করতে হবে। ৩৭ সুতরাং তাদেরকে কিছু উপহার সামগ্রী দিবে ৩৮ এবং সৌজন্যের সাথে তাদেরকে বিদায় করবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৩৭. ‘তাদেরকে কিছু উপহার সামগ্রী দেবে’, অর্থাৎ তালাকের মাধ্যমে বিদায় দানকালে এক জোড়া কাপড় দেবে। পরিভাষায় একে ‘মুতআ’ বলা হয়। মুতআ মোহরানার অন্তর্ভুক্ত নয়; বরং তার অতিরিক্ত। তালাক নিবিড় সাক্ষাতের আগে হোক বা পরে সর্বাবস্থায়ই স্ত্রীকে এটা দেওয়া স্বামীর কর্তব্য। আয়াতে বোঝানো উদ্দেশ্য যে, কোন অবস্থাতেই যদি স্বামী-স্ত্রীতে বনিবনাও সম্ভব না হয় এবং তালাক দেওয়া অপরিহার্য হয়ে যায়, তবে তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি শত্রুতামূলকভাবে ও কলহপূর্ণ পরিবেশে ঘটানো উচিত নয়; বরং শান্তিপূর্ণভাবে ও সৌজন্যের সাথেই সম্পন্ন করা চাই।