আল আহ্‌যাব

সূরা নং: ৩৩, আয়াত নং: ৪০

তাফসীর
مَا کَانَ مُحَمَّدٌ اَبَاۤ اَحَدٍ مِّنۡ رِّجَالِکُمۡ وَلٰکِنۡ رَّسُوۡلَ اللّٰہِ وَخَاتَمَ النَّبِیّٖنَ ؕ  وَکَانَ اللّٰہُ بِکُلِّ شَیۡءٍ عَلِیۡمًا ٪

উচ্চারণ

মা-কা-না মুহাম্মাদুন আবা আহাদিম মিররিজা-লিকুম ওয়ালা-কির রাছূলাল্লা-হি ওয়া খাতামান নাবিইয়ীনা ওয়াকা-নাল্লা-হু বিকুল্লি শাইয়িন ‘আলীমা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

(হে মুমিনগণ!) মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তোমাদের কোন পুরুষের পিতা নন, কিন্তু সে আল্লাহর রাসূল এবং নবীদের মধ্যে সর্বশেষ। ৩৬ আল্লাহ সর্ববিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞাত।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৩৬. মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত যায়দ ইবনে হারেছা (রাযি.)কে যেহেতু নিজের পুত্ররূপে ঘোষণা করেছিলেন, তাই লোকে তাকে যায়দ ইবনে মুহাম্মাদ (মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পুত্র) বলে ডাকত। পূর্বে যেহেতু পোষ্যপুত্রকে নিজের আপন পুত্রের মত পরিচিত করতে নিষেধ করা হয়েছে, তাই হযরত যায়দকেও যায়দ ইবনে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতে নিষেধ করে দেওয়া হয়। এ আয়াতে বলা হয়েছে, তিনি কোন পুরুষের জন্মদাতা পিতা নন। (কেননা তাঁর জীবিত সন্তান ছিল কেবল কন্যাগণই। পুত্রগণ সকলে শৈশবেই ইন্তেকাল করেছিলেন)। কিন্তু আল্লাহর রাসূল হওয়ার সুবাদে তিনি সমগ্র উম্মতের রূহানী পিতা। আর তিনি যেহেতু সর্বশেষ রাসূল, কিয়ামত পর্যন্ত আর কোন নবী আসবে না তাই নিজ কর্ম দ্বারা জাহেলী যুগের সমস্ত রসম-রেওয়াজ নির্মূল করার দায়িত্ব তাঁরই উপর বর্তায়।