আল ক্বাসাস

সূরা নং: ২৮, আয়াত নং: ৭৬

তাফসীর
اِنَّ قَارُوۡنَ کَانَ مِنۡ قَوۡمِ مُوۡسٰی فَبَغٰی عَلَیۡہِمۡ ۪ وَاٰتَیۡنٰہُ مِنَ الۡکُنُوۡزِ مَاۤ اِنَّ مَفَاتِحَہٗ لَتَنُوۡٓاُ بِالۡعُصۡبَۃِ اُولِی الۡقُوَّۃِ ٭ اِذۡ قَالَ لَہٗ قَوۡمُہٗ لَا تَفۡرَحۡ اِنَّ اللّٰہَ لَا یُحِبُّ الۡفَرِحِیۡنَ

উচ্চারণ

ইন্না কা-রূনা কা-না মিন কাওমি মূছা-ফাবাগা-‘আলাইহিম ওয়া আ-তাইনা-হু মিনাল কুনূঝি মাইন্না মাফা-তিহাহূলাতানূউ বিল‘উসবাতি উলিল কুওওয়াতি ইযকা-লা লাহূকাওমুহূলা-তাফরাহইন্নাল্লা-হা লা-ইউহিব্বুল ফারিহীন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

কারূন ছিল মূসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি। ৪৯ কিন্তু সে তাদেরই প্রতি জুলুম করল। ৫০ আমি তাকে এমন ধনভাণ্ডার দিয়েছিলাম, যার চাবিগুলি বহন করা একদল শক্তিমান লোকের পক্ষেও কষ্টকর ছিল। যখন তার সম্প্রদায় তাকে বলেছিল, বড়াই করো না। যারা বড়াই করে আল্লাহ তাদের পছন্দ করেন না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৪৯. এতটুকু বিষয় তো খোদ কুরআন মাজীদই জানিয়ে দিয়েছে যে, কারূন হযরত মূসা আলাইহিস সালামের সম্প্রদায় অর্থাৎ বনী ইসরাঈলের লোক ছিল। কোন কোন বর্ণনায় প্রকাশ, সে ছিল হযরত মূসা আলাইহিস সালামের চাচাত ভাই এবং হযরত মূসা আলাইহিস সালামের নবুওয়াত লাভের আগে ফির‘আউন তাকে বনী ইসরাঈলের নেতা বানিয়ে দিয়েছিল। অতঃপর যখন হযরত মূসা আলাইহিস সালাম নবুওয়াত লাভ করলেন আর হযরত হারূন আলাইহিস সালামকে তাঁর নায়েব বানানো হল, তখন কারূনের মনে ঈর্ষা দেখা দিল। কোন কোন বর্ণনায় আছে, সে হযরত মূসা আলাইহিস সালামের কাছে দাবি জানিয়েছিল, তাকে যেন কোন পদ দেওয়া হয়। কিন্তু তাকে কোন পদ দেওয়া হোক এটা আল্লাহ তাআলার পছন্দ ছিল না। তাই হযরত মূসা আলাইহিস সালাম অপারগতা প্রকাশ করলেন, এতে তার হিংসার আগুন আরও তীব্র হয়ে উঠল এবং তা চরিতার্থ করার জন্য মুনাফেকীর পন্থা অবলম্বন করল।