আল ক্বাসাস

সূরা নং: ২৮, আয়াত নং: ৭৩

তাফসীর
وَمِنۡ رَّحۡمَتِہٖ جَعَلَ لَکُمُ الَّیۡلَ وَالنَّہَارَ لِتَسۡکُنُوۡا فِیۡہِ وَلِتَبۡتَغُوۡا مِنۡ فَضۡلِہٖ وَلَعَلَّکُمۡ تَشۡکُرُوۡنَ

উচ্চারণ

ওয়া মির রাহমাতিহী জা‘আলা লাকুমুল লাইলা ওয়ান নাহা-রা লিতাছকুনূফীহি ওয়ালিতাবতাগূ মিন ফাদলিহী ওয়া লা‘আল্লাকুম তাশকুরূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তিনিই নিজ রহমতে তোমাদের জন্য রাত ও দিন বানিয়েছেন, যাতে তোমরা তাতে বিশ্রাম নিতে পার ও আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান করতে পার ৪৮ এবং যাতে তোমরা শুকর আদায় কর।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৪৮. এখানে আল্লাহ তাআলার এক মহা নি‘আমতের কথা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি রাত্রিকালকে আরাম ও বিশ্রাম গ্রহণের সময় বানিয়ে দিয়েছেন। এ সময় তিনি বিস্তৃত অন্ধকারে আদিগন্ত আচ্ছন্ন করে দিয়েছেন। ফলে শয্যাগ্রহণ সকলের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। তা না হলে বিশ্রামের জন্য সকলের ঐকমত্যে কোন একটা সময় নির্ধারণ করা সম্ভব হত না। ফলে এ নিয়ে মহা জটিলতা দেখা দিত। একজন বিশ্রাম নিতে চাইলে অন্য একজন তখন কোন কাজ করতে চাইত আর সে কাজে লিপ্ত হলে প্রথম ব্যক্তির বিশ্রামে ব্যাঘাত সৃষ্টি হত। এমনিভাবে আল্লাহ তাআলা দিনকে তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান অর্থাৎ কামাই-রোজগারের সময় বানিয়েছেন, যাতে তখন সকলে কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকে। যদি সবটা সময় দিন থাকত, তবে বিশ্রাম গ্রহণ কঠিন হয়ে যেত আবার সবটা সময় রাত হলে কাজ-কর্ম করা অসম্ভব হয়ে পড়ত এবং মানুষ মহা সঙ্কটের সম্মুখীন হত।