আল ক্বাসাস

সূরা নং: ২৮, আয়াত নং: ৪৪

তাফসীর
وَمَا کُنۡتَ بِجَانِبِ الۡغَرۡبِیِّ اِذۡ قَضَیۡنَاۤ اِلٰی مُوۡسَی الۡاَمۡرَ وَمَا کُنۡتَ مِنَ الشّٰہِدِیۡنَ ۙ

উচ্চারণ

ওয়ামা-কুনতা বিজানিবিল গারবিইয়ি ইযকাদাইনাইলা- মূছাল আমরা ওয়ামা- কুনতা মিনাশশা-হিদীন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

(হে রাসূল!) আমি যখন মূসার উপর বিধানাবলী অর্পণ করেছিলাম, তখন তুমি (তূর পাহাড়ের) পশ্চিম পার্শ্বে উপস্থিত ছিলে না এবং যারা তা প্রত্যক্ষ করছিল, তুমি তাদেরও অন্তর্ভুক্ত ছিলে না। ৩০

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৩০. এখান থেকে ৬১নং পর্যন্ত আয়াতসমূহে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও কুরআন মাজীদের সত্যতা প্রমাণ করা উদ্দেশ্য। প্রথম দলীল দেওয়া হয়েছে এই যে, কুরআন মাজীদে হযরত মূসা আলাইহিস সালামের বহু ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, যেমন তূর পাহাড়ের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁকে তাওরাত দান করা, সিনাই মরুভূমিতে তাঁকে ডেকে নবুওয়াত দান করা, দীর্ঘকাল মাদইয়ানে অবস্থান, সেখানে তাঁর বিবাহ ও তারপর মিসরে প্রত্যাবর্তন ইত্যাদি। এসব ঘটনা যখন ঘটে, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং তিনি এসবের প্রত্যক্ষদর্শীও ছিলেন না, তাছাড়া এগুলো জানার মত কোন মাধ্যমও তাঁর কাছে ছিল না। তা সত্ত্বেও এমন বিস্তারিত ও যথাযথভাবে তিনি এগুলো বর্ণনা করেছেন কি করে? এর জবাব এ ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না যে, তাঁর কাছে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে ওহী নাযিল হয়েছে এবং সেই সূত্রে অবগত হয়েই তিনি এসব মানুষকে জানিয়েছেন। সুতরাং তিনি একজন সত্য নবী এবং কুরআন মাজীদও আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ এক সত্য কিতাব।