আল ক্বাসাস

সূরা নং: ২৮, আয়াত নং: ২৯

তাফসীর
فَلَمَّا قَضٰی مُوۡسَی الۡاَجَلَ وَسَارَ بِاَہۡلِہٖۤ اٰنَسَ مِنۡ جَانِبِ الطُّوۡرِ نَارًا ۚ قَالَ لِاَہۡلِہِ امۡکُثُوۡۤا اِنِّیۡۤ اٰنَسۡتُ نَارًا لَّعَلِّیۡۤ اٰتِیۡکُمۡ مِّنۡہَا بِخَبَرٍ اَوۡ جَذۡوَۃٍ مِّنَ النَّارِ لَعَلَّکُمۡ تَصۡطَلُوۡنَ

উচ্চারণ

ফালাম্মা-কাদা-মূছাল আজালা ওয়াছা-রা বিআহলিহীআ-নাছা মিন জা-নিবিততুরি নারান কা-লা লিআহলিহিমকুছূদ্ম ইন্নীআ-নাছতুনা-রাল্লা‘আললীআ-তীকুম মিন হাবিখাবারিন আও জাযওয়াতিম মিনান্না-রি লা‘আল্লাকুম তাসতালূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

মূসা যখন মেয়াদ পূর্ণ করল এবং নিজ স্ত্রীকে নিয়ে রওয়ানা হয়ে গেল, ২১ তখন তিনি তূর পাহাড়ের দিকে এক আগুন দেখতে পেলেন। তিনি নিজ পরিবারবর্গকে বললেন, তোমরা অপেক্ষা কর। আমি এক আগুন দেখেছি, হয়ত আমি সেখান থেকে তোমাদের কাছে আনতে পারব কোন সংবাদ ২২ অথবা আগুনের একটা জ্বলন্ত কাঠ, যাতে তোমরা উত্তাপ গ্রহণ করতে পার।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

২১. মুফাসসিরগণ বলেন, রাতটা ছিল শীতের। তিনি পথও হারিয়ে ফেলেছিলেন। প্রচণ্ড বাতাসে তার সঙ্গে আনা মেষপালও বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছিল। এদিকে স্ত্রীর প্রসববেদনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। এসব কারণে তখন আগুনের বড় প্রয়োজন ছিল। কাজেই তিনি দূরে আগুন দেখতে পেয়ে স্ত্রী ও খাদেমকে (কোন কোন বর্ণনা অনুযায়ী সঙ্গে দু’জন পুত্রও ছিল) বললেন, তোমরা এখানে অপেক্ষা কর। ওই যে আগুন দেখা যাচ্ছে ওখানে হয়ত মানুষজন আছে। আমি ওখানে যাই। হয়ত তারা আামকে পথ বলে দিতে পারবে। অন্ততপক্ষে আগুন তো নিয়ে আসতে পারব, যা তোমাদের অনেক কাজে লাগবে। -অনুবাদক