আশ শুআরা'

সূরা নং: ২৬, আয়াত নং: ৫৯

তাফসীর
کَذٰلِکَ ؕ  وَاَوۡرَثۡنٰہَا بَنِیۡۤ اِسۡرَآءِیۡلَ ؕ

উচ্চারণ

কাযা-লিকা ওয়া আওরাছনা-হা-বানীইছরাঈল।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

এ রকমই হয়েছিল তাদের ব্যাপার। আর (অন্য দিকে) আমি বনী ইসরাঈলকে বানিয়ে দিলাম তার উত্তরাধিকারী। ১৯

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৯. এর ব্যাখ্যার জন্য দেখুন সূরা আরাফ (৭ : ১৩৭)-এর টীকা। [এর দুই অর্থ হতে পারে (ক) ফির‘আউন ও তার সম্প্রদায় উদ্যানরাজি, প্রস্রবণ ইত্যাদি পার্থিব যে নি‘আমতরাজী ভোগ করছিল এবং শেষ পর্যন্ত যা পেছনে ফেলে গিয়ে সাগরে নিমজ্জিত হয়েছিল, অনুরূপ নি‘আমত পরবর্তীকালে আমি বনী ইসরাঈলকে দান করেছিলাম। তারা শামের বরকতপূর্ণ ভূমিতে এসব নি‘আমতের অধিকারী হল। (খ) কোন কোন মুফাসসিরের মতে বনী ইসরাঈলকে ফির‘আউনী সম্প্রদায়ের পরিত্যক্ত সম্পদেরই উত্তরাধিকারী করা হয়েছিল। অর্থাৎ তাদের নিমজ্জিত হওয়ার পর বনী ইসরাঈল মিসরে প্রত্যাবর্তন করে সেখানে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। আর ঐতিহাসিকভাবে এটা প্রমাণিত না হলেও আরও পরে মিসর যখন হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালামের সাম্রাজ্যভুক্ত হয়ে যায়, তখন প্রকারান্তরে তা বনী ইসরাঈলেরই অধিকারে আসে। হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম তো বনী ইসরাঈলেরই নবী ও বাদশাহ ছিলেন। -অনুবাদক, তাফসীরে উসমানীর বরাতে, দেখুন সূরা আরাফ ৭ : ১৩৭; সূরা শুআরা (২৬ : ৫৯) ও সূরা দুখান (৪৪ : ২৮)-এর টীকাসমূহ]