আন নূর

সূরা নং: ২৪, আয়াত নং: ৫০

তাফসীর
اَفِیۡ قُلُوۡبِہِمۡ مَّرَضٌ اَمِ ارۡتَابُوۡۤا اَمۡ یَخَافُوۡنَ اَنۡ یَّحِیۡفَ اللّٰہُ عَلَیۡہِمۡ وَرَسُوۡلُہٗ ؕ  بَلۡ اُولٰٓئِکَ ہُمُ الظّٰلِمُوۡنَ ٪

উচ্চারণ

আফী কুলূবিহিম মারাদুন আমিরতা-বূআম ইয়াখা-ফূনা আইঁ ইয়াহীফাল্লা-হু ‘আলাইহিম ওয়া রাছূলুহূ বাল উলাইকা হুমুজ্জা-লিমূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তবে কি তাদের অন্তরে কোন ব্যাধি আছে, না কি তারা সন্দেহে নিপতিত, না তারা আশঙ্কাবোধ করে যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তাদের প্রতি জুলুম করবেন? না, বরং তারা নিজেরাই জুলুমকারী। ৪২

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৪২. শরীআতী বিচার-ব্যবস্থায় যাদের আস্থা নেই, যারা তা গ্রহণে প্রস্তত নয় বা তার যথার্থতা ও উপযোগিতায় সন্দেহ পোষণ করে এসব আয়াত তাদের জন্য এক সুস্পষ্ট সতর্কবাণী। বলা হচ্ছে, তাদের অন্তরে কি মুনাফিকীর ব্যাধি আছে, না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সত্যতা সম্পর্কে তারা সন্দিহান, নাকি মনে করে আল্লাহ ও তার রাসূলের বিচার ইনসাফভিত্তিক নয়? বলা বাহুল্য এরূপ কোন কারণে কেউ ইসলামী বিচারব্যবস্থাকে অপছন্দ করলে তার ঈমান ও ইসলামের দাবিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। আল্লাহ তাআলা এরূপ লোকদেরকে জালিম সাব্যস্ত করেছেন। তারা আল্লাহ ও রাসূলের বিচারকে উপেক্ষা করে কেবল নিজেদের প্রতিই জুলুম করে না, অনৈসলামিক বিচার-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখে সমাজেও জুলুম-নির্যাতন বিস্তারের পথ করে দেয়। -অনুবাদক
﴾﴿