আল হাজ্জ্ব

সূরা নং: ২২, আয়াত নং: ৪০

তাফসীর
الَّذِیۡنَ اُخۡرِجُوۡا مِنۡ دِیَارِہِمۡ بِغَیۡرِ حَقٍّ اِلَّاۤ اَنۡ یَّقُوۡلُوۡا رَبُّنَا اللّٰہُ ؕ وَلَوۡلَا دَفۡعُ اللّٰہِ النَّاسَ بَعۡضَہُمۡ بِبَعۡضٍ لَّہُدِّمَتۡ صَوَامِعُ وَبِیَعٌ وَّصَلَوٰتٌ وَّمَسٰجِدُ یُذۡکَرُ فِیۡہَا اسۡمُ اللّٰہِ کَثِیۡرًا ؕ وَلَیَنۡصُرَنَّ اللّٰہُ مَنۡ یَّنۡصُرُہٗ ؕ اِنَّ اللّٰہَ لَقَوِیٌّ عَزِیۡزٌ

উচ্চারণ

আল্লাযীনা উখরিজুমিন দিয়া-রিহিম বিগাইরি হাক্কিন ইল্লাআইঁ ইয়াকূলূরাব্বুনাল্লা-হু ওয়া লাওলা-দাফ‘উল্লা-হিন্না-ছা বা‘দাহুম ব্বিা‘দিল লাহুদ্দিমাত ছাওয়া-মি‘উ ওয়া বিয়া‘উওঁ ওয়া সালাওয়া-তুওঁ ওয়া মাছা-জিদুইউযকারু ফীহাছমুল্লা-হি কাছীরাও ওয়ালাইয়ানসুরান্নাল্লা-হু মাইঁ ইয়ানসুরুহূ ইন্নাল্লা-হা লাকাবিইয়ুউন ‘আঝীঝ।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

যাদেরকে তাদের ঘর-বাড়ি হতে অন্যায়ভাবে কেবল এ কারণে বের করা হয়েছে যে, তারা বলেছিল, আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ। আল্লাহ যদি মানব জাতির এক দল (-এর অনিষ্ট)কে অন্য দলের মাধ্যমে প্রতিহত না করতেন, তবে ধ্বংস করে দেওয়া হত খানকাহ, গির্জা, ইবাদতখানা ও মসজিদসমূহ ২৬ যাতে আল্লাহর যিকির করা বেশি। আল্লাহ অবশ্যই তাদের সাহায্য করবেন, যারা তার (দীনের) সাহায্য করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশক্তিমান, পরাক্রমশালী।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

২৬. এ আয়াতে জিহাদের তাৎপর্য বর্ণিত হয়েছে। দুনিয়ায় যত নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালাম এসেছেন সকলেই আল্লাহ তাআলার ইবাদত-বন্দেগী শিক্ষা দিয়েছেন এবং সে উদ্দেশ্যে ইবাদতখানা তৈরি করেছেন। হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের শরীয়তে এ কাজের জন্য খানকা ও গির্জা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আরবীতে খানকাকে বলে সাওমা‘আ صَوْمَعَهْ বহুবচনে صَوْامِعْ আর গির্জাকে বলে বী‘আ بِيْعَهْ বহুবচনে بِيَعْ। হযরত মূসা আলাইহিস সালামের অনুসারীগণ যে ইবাদতখানা তৈরি করত তাকে বলে ‘সালাওয়াত’ আর মুসলিমদের ইবাদতখানা হল মসজিদ। সব যুগেই আসমানী দীনের বিরোধীগণ এসব ইবাদতখানা ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। যদি তাদের বিরুদ্ধে জিহাদের অনুমতি না থাকত, তবে তারা দুনিয়া থেকে সকল ইবাদতখানা নিশ্চিহ্ন করে ফেলত।