আল হাজ্জ্ব

সূরা নং: ২২, আয়াত নং: ৩৬

তাফসীর
وَالۡبُدۡنَ جَعَلۡنٰہَا لَکُمۡ مِّنۡ شَعَآئِرِ اللّٰہِ لَکُمۡ فِیۡہَا خَیۡرٌ ٭ۖ فَاذۡکُرُوا اسۡمَ اللّٰہِ عَلَیۡہَا صَوَآفَّ ۚ فَاِذَا وَجَبَتۡ جُنُوۡبُہَا فَکُلُوۡا مِنۡہَا وَاَطۡعِمُوا الۡقَانِعَ وَالۡمُعۡتَرَّ ؕ کَذٰلِکَ سَخَّرۡنٰہَا لَکُمۡ لَعَلَّکُمۡ تَشۡکُرُوۡنَ

উচ্চারণ

ওয়ালবুদনা জা‘আলনা-হা-লাকুম মিন শা‘আইরিল্লা-হি লাকুম ফীহা-খাইরুন ফাযকরুছ মাল্লা-হি ‘আলাইহা-সাওয়াফফা ফাইযা-ওয়াজাবাত জুনূবুহা-ফাকুলূ মিনহা-ওয়া আত‘ইমুল কা-নি‘আ ওয়াল মু‘তাররা কাযা-লিকা ছাখখারনা-হা-লাকুম লা‘আল্লাকুম তাশকুরূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

কুরবানীর উট (ও গরু)কে তোমাদের জন্য আল্লাহর ‘শাআইর’-এর অন্তর্ভুক্ত করেছি। তোমাদের পক্ষে তাতে আছে কল্যাণ। সুতরাং যখন তা সারিবদ্ধ অবস্থায় দাঁড়ানো থাকে, তোমরা তার উপর আল্লাহর নাম নেবে। তারপর যখন (যবেহ হয়ে যাওয়ার পর) তা কাত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়, তখন তার গোশত থেকে নিজেরাও খাও এবং ধৈর্যশীল অভাবগ্রস্তকেও খাওয়াও এবং তাকেও, যে নিজ অভাব প্রকাশ করে। ২৩ এভাবেই আমি এসব পশুকে তোমাদের বশীভূত করে দিয়েছি যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

২৩. কুরবানীর গোশত কাকে কাকে দেওয়া হবে, তা বোঝানোর জন্য কুরআন মাজীদ এখানে দুটি শব্দ ব্যবহার করেছে القانع والمعتر প্রথম শব্দ ‘কানি’ দ্বারা এমন লোককে বোঝানো হয়, যে অভাবগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও নিজ অভাবের কথা কারও কাছে প্রকাশ করে না। বরং সবরের সাথে দিন গুজরান করে। আর দ্বিতীয় শব্দ ‘মু‘র্তার’ দ্বারা বোঝানো হয় এমন ব্যক্তিকে, যে নিজ অভাব-অভিযোগের কথা কথায় বা কাজে অন্যের কাছে প্রকাশ করে।