আল আম্বিয়া

সূরা নং: ২১, আয়াত নং: ৫

তাফসীর
بَلۡ قَالُوۡۤا اَضۡغَاثُ اَحۡلَامٍۭ بَلِ افۡتَرٰىہُ بَلۡ ہُوَ شَاعِرٌ ۚۖ فَلۡیَاۡتِنَا بِاٰیَۃٍ کَمَاۤ اُرۡسِلَ الۡاَوَّلُوۡنَ

উচ্চারণ

বাল কা-লূআদগা-ছু আহলা-মিম বালিফ তারা-হু বাল হুওয়া শা-‘ইরুন ফালইয়া’তিনা-বিআ-য়াতিন কামাউরছিলাল আওওয়ালূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

এতটুকুই নয়; বরং তারা একথাও বলে যে, এটা (অর্থাৎ কুরআন) অসংলগ্ন স্বপ্ন সম্ভার; বরং সে নিজে এটা রচনা করেছে। কিংবা সে একজন কবি। তা সে আমাদের সামনে কোন নিদর্শন নিয়ে আসুক না, যেমন পূর্ববর্তী নবীগণ (নিদর্শনসহ) প্রেরিত হয়েছিল!

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

২. ‘নিদর্শন’ দ্বারা মুজিযা (অলৌকিক বিষয়) বোঝানো হয়েছে। কাফেরদের সামনে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বহু মুজিযাই প্রকাশ পেয়েছিল, কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা নিত্য-নতুন মুজিযার দাবি করত। আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে জানাচ্ছেন, পূর্বের জাতিসমূহও তাদের মত মুজিযা দাবি করত। কিন্তু তাদের দাবি অনুযায়ী যখন তাদেরকে মুজিযা দেখানো হত, তখন যে তারা ঈমান আনত তা নয়; বরং তখন তারা নতুন বাহানা দেখাত। পরিণামে তাদেরকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। আল্লাহ তাআলার জানা আছে ফরমায়েশী মুজিযা দেখার পরও তারা ঈমান আনবে না। অথচ আল্লাহ তাআলার নীতি হল, কোন সম্প্রদায় তাদের ফরমায়েশী মুজিযা দেখার পরও যদি ঈমান না আনে, তবে তাদেরকে তিনি ধ্বংস করে দেন। কিন্তু এদেরকে তো এখনই ধ্বংস করা তাঁর অভিপ্রেত নয়। এ কারণেই তিনি তাদেরকে তাদের দাবি অনুযায়ী মুজিযা দেখাচ্ছেন না।