আল আম্বিয়া

সূরা নং: ২১, আয়াত নং: ২৪

তাফসীর
اَمِ اتَّخَذُوۡا مِنۡ دُوۡنِہٖۤ اٰلِہَۃً ؕ قُلۡ ہَاتُوۡا بُرۡہَانَکُمۡ ۚ ہٰذَا ذِکۡرُ مَنۡ مَّعِیَ وَذِکۡرُ مَنۡ قَبۡلِیۡ ؕ بَلۡ اَکۡثَرُہُمۡ لَا یَعۡلَمُوۡنَ ۙ الۡحَقَّ فَہُمۡ مُّعۡرِضُوۡنَ

উচ্চারণ

আমিত তাখাযূমিন দূ নিহীআ-লিহাতান কুল হা-তূবুরহা-নাকুম হা-যা-যিকরু মাম মা‘ইয়া ওয়া যিকরু মান কাবলী বাল আকছারুহুম লা-ইয়া‘লামূনাল হাক্কা ফাহুম মু‘রিদূ ন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তবে কি তারা তাকে ছেড়ে অন্য সব মাবুদ গ্রহণ করেছে? (হে নবী!) তাদেরকে বল, নিজেদের দলীল পেশ কর। এই তো (বর্তমান) রয়েছে (কুরআন, যা) আমার সঙ্গে যারা আছে তাদের জন্য উপদেশবাণী এবং রয়েছে (পূর্ববর্তী কিতাবসমূহ, যা) আমার পূর্বে যারা ছিল তাদের উপদেশবাণী। ১৩ কিন্তু বাস্তবতা হল, তাদের অধিকাংশেই সত্যে বিশ্বাস করে না, ফলে তারা মুখ ফিরিয়ে রেখেছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৩. আল্লাহ তাআলা যে এক, এর এক বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণ তো পূর্বের আয়াতে বর্ণিত হয়েছে এবং উপরের টীকায় তার ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। এবার এ আয়াতে নকলী (বর্ণনানির্ভর) দলীল বর্ণিত হচ্ছে যে, সমস্ত আসমানী কিতাবে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে যে বিষয়টা বর্ণিত হয়েছে, তা হল তাওহীদের আকীদা। কুরআন মাজীদে তো বটেই, এর আগেও যত কিতাব নাযিল করা হয়েছে, এ আকীদাই ছিল সবগুলোর প্রধান প্রতিপাদ্য। [এ কালের উপদেশবাণী কুরআনও সামনে আছে। এতে চোখ বুলালে তোমরা তাওহীদের শিক্ষাই পাবে। আর পূর্বে যেসব উপদেশবাণী নাযিল হয়েছিল, যেমন তাওরাত, যাবূর, ইনজীল ইত্যাদি, তাতে হাজারও বিকৃতি সত্ত্বেও ভালোভাবে লক্ষ করলে তাওহীদের কথাই পাবে। তা সত্ত্বেও কিসের ভিত্তিতে তোমরা শিরকের পথে চলছ? উল্লেখ্য, هٰذا দ্বারা ইশারা করা হয়েছে কুরআন ও অন্যান্য আসমানী কিতাবের প্রতি। এ ছাড়া এর ইঙ্গিত তাওহীদের প্রতিও হতে পারে, যে সম্পর্কে আলোচনা চলছে। সে হিসেবে তরজমা হবে ‘ইহাই (অর্থাৎ এই একত্ববাদের কথাই) আমার সঙ্গে যারা আছে তাদের জন্য উপদেশ এবং ইহাই উপদেশ ছিল আমার পূর্ববর্তীদের জন্য’। -অনুবাদক]