ত্বা-হা

সূরা নং: ২০, আয়াত নং: ৮৭

তাফসীর
قَالُوۡا مَاۤ اَخۡلَفۡنَا مَوۡعِدَکَ بِمَلۡکِنَا وَلٰکِنَّا حُمِّلۡنَاۤ اَوۡزَارًا مِّنۡ زِیۡنَۃِ الۡقَوۡمِ فَقَذَفۡنٰہَا فَکَذٰلِکَ اَلۡقَی السَّامِرِیُّ ۙ

উচ্চারণ

কা-লূমাআখলাফনা-মাও‘ইদাকা বিমালকিনা-ওয়ালা-কিন্না-হুম্মিলনাআও ঝা-রাম মিন ঝীনাতিল কাওমি ফাকাযাফনা-হা ফাকাযা-লিকা আলকাছছা-মিরিইয়ু।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তারা বলল, আমরা আপনার সাথে স্বেচ্ছায় ওয়াদা ভঙ্গ করিনি। বরং ব্যাপার এই যে, আমাদের উপর মানুষের অলংকারের বোঝা চাপানো ছিল। আমরা তা ফেলে দেই। ৩৯ তারপর একইভাবে সামেরীও (কিছু) ফেলে। ৪০

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৩৯. অন্যরা যখন তাদের অলংকার নিক্ষেপ করল, তখন সামেরী তার মুঠোর ভেতর করে কিছু একটা নিয়ে আসল এবং হযরত হারূন আলাইহিস সালামকে বলল, আমিও কি নিক্ষেপ করব? হযরত হারূন আলাইহিস সালাম মনে করলেন, তাও কোন অলংকারই হবে। তাই বললেন, নিক্ষেপ কর। তখন সে বলল, আপনি আমার জন্য দু‘আ করুন নিক্ষেপ কালে আমি যা ইচ্ছা করি তা যেন পূরণ হয়। হযরত হারূন আলাইহিস সালাম তার মুনাফেকী সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। তাঁর ধারণায় সে অন্যদের মতই খাঁটি মুমিন ছিল। কাজেই তিনি দু‘আ করলেন। প্রকৃতপক্ষে তার মুঠোর ভেতর কোন অলংকার ছিল না। সে এক মুঠো মাটি নিয়ে এসেছিল। হযরত হারূন আলাইহিস সালামের অনুমতি পেয়ে সে সেই মাটি অলংকারের স্তূপে ফেলে দিল। তাতে সেগুলো গলে গেল। তারপর সে তার দ্বারা একটা বাছুর আকৃতির মূর্তি তৈরি করল, যা থেকে বাছুরের মত হাম্বা ধ্বনি বের হচ্ছিল।