আল বাকারা

সূরা নং: ২, আয়াত নং: ৯৭

তাফসীর
قُلۡ مَنۡ کَانَ عَدُوًّا لِّجِبۡرِیۡلَ فَاِنَّہٗ نَزَّلَہٗ عَلٰی قَلۡبِکَ بِاِذۡنِ اللّٰہِ مُصَدِّقًا لِّمَا بَیۡنَ یَدَیۡہِ وَہُدًی وَّبُشۡرٰی لِلۡمُؤۡمِنِیۡنَ

উচ্চারণ

কুল মান কা-না‘আদুওওয়ালিল জিবরীলা ফাইন্নাহূনাঝঝালাহূ ‘আলা-কালবিকা বিইযনিল্লা-হি মুসাদ্দিকাল লিমা-বাইনা ইয়াদাইহি ওয়া হুদাওঁ ওয়াবুশরা- লিলমু’মিনীন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

(হে নবী) বলে দিন, কোনও ব্যক্তি যদি জিবরাঈলের শত্রু হয়, ৭১ তবে (হোক না!) সে তো আল্লাহর অনুমতিক্রমেই এ কালাম তোমার অন্তরে অবতীর্ণ করেছে, যা তার পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের সমর্থন করে এবং যা ঈমানদারদের জন্য সাক্ষাৎ হিদায়াত ও সুসংবাদ।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৭১. কোনও কোনও ইয়াহুদী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেছিল, আপনার কাছে যিনি ওহী নিয়ে আসেন সেই জিবরাঈলকে আমরা আমাদের শত্রু মনে করি। কেননা তিনি আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন কঠিন বিধান নিয়ে আসতেন। আপনার কাছে যদি অন্য কোনও ফিরিশতা ওহী নিয়ে আসত তবে আমরা বিবেচনা করতে পারতাম। তাদের এ কথার জবাবেই আলোচ্য আয়াত নাযিল হয়। জবাবের সারমর্ম এই যে, হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম তো কেবল বার্তাবাহক। তিনি যা কিছু আনেন তা আল্লাহ তাআলার হুকুমেই আনেন। সুতরাং তার প্রতি শত্রুতা পোষণের যুক্তিসঙ্গত কোনও কারণ নেই এবং তার কারণে আল্লাহ তাআলার কালামকে প্রত্যাখ্যান করারও কোনও অর্থ নেই। (বরং তিনি যেহেতু আল্লাহর বার্তাবাহক, তাই তার প্রতি শত্রুতা পোষণ করলে তা আল্লাহরই প্রতি শত্রুতা পোষণের নামান্তর হবে)।