আল কাহ্‌ফ

সূরা নং: ১৮, আয়াত নং: ৫৫

তাফসীর
وَمَا مَنَعَ النَّاسَ اَنۡ یُّؤۡمِنُوۡۤا اِذۡ جَآءَہُمُ الۡہُدٰی وَیَسۡتَغۡفِرُوۡا رَبَّہُمۡ اِلَّاۤ اَنۡ تَاۡتِیَہُمۡ سُنَّۃُ الۡاَوَّلِیۡنَ اَوۡ یَاۡتِیَہُمُ الۡعَذَابُ قُبُلًا

উচ্চারণ

ওয়ামা-মানা‘আন্না-ছা আইঁ ইউ’মিনূ ইয জাআহুমুল হুদা-ওয়াইয়াছতাগফিরূরাব্বাহুম ইল্লাআন তা’তিয়াহুম ছুন্নাতুল আওওয়ালীনা আও ইয়া’তিয়াহুমুল ‘আযা-বুকুবুলা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

মানুষের কাছে যখন হিদায়াত এসে গেছে, তখন ঈমান আনয়ন ও নিজেদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা হতে তাদেরকে এ ছাড়া (অর্থাৎ, এই দাবী ছাড়া) অন্য কিছুই বিরত রাখছে না যে, তাদের ক্ষেত্রেও পূর্ববর্তীদের অনুরূপ ঘটনা ঘটুক অথবা আযাব তাদের একেবারে সামনে এসে যাক। ৩৬

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৩৬. অর্থাৎ, তাদের সামনে সব রকম দলীল-প্রমাণ চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এখন নিজেদের কুফরের পক্ষে তাদের হাতে এছাড়া আর কোন প্রমাণ অবশিষ্ট নেই যে, তারা নবীর কাছে দাবী করবে, পূর্ববর্তী জাতিসমূহকে যেমন শাস্তি দেওয়া হয়েছে, আমরা ভুল পথে থাকলে আমাদের উপরও সে রকম শাস্তি নিয়ে এসো। সুতরাং তারা এ দাবীই করেছিল। আল্লাহ তাআলা সামনে এর উত্তর দিয়েছেন যে, নিজ এখতিয়ারে শাস্তি অবতীর্ণ করা নবীর কাজ নয়। নবীর কাজ কেবল মানুষকে শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করা। আর আল্লাহ তাআলার নীতি হল, অবাধ্যদেরকে চটজলদি শাস্তি না দেওয়া; বরং তিনি নিজ দয়ায় তাদেরকে অবকাশ দেন, যাতে সেই অবকাশের ভেতর যাদের ঈমান আনার তারা ঈমান আনতে পারে। হ্যাঁ, অবাধ্যদেরকে শাস্তি দানের জন্য তিনি একটা সময় ঠিকই স্থির করে রেখেছেন। সেই সময় যখন আসবে, তখন আর তাদের শাস্তি টলানো যাবে না।