سَیَقُوۡلُوۡنَ ثَلٰثَۃٌ رَّابِعُہُمۡ کَلۡبُہُمۡ ۚ وَیَقُوۡلُوۡنَ خَمۡسَۃٌ سَادِسُہُمۡ کَلۡبُہُمۡ رَجۡمًۢا بِالۡغَیۡبِ ۚ وَیَقُوۡلُوۡنَ سَبۡعَۃٌ وَّثَامِنُہُمۡ کَلۡبُہُمۡ ؕ قُلۡ رَّبِّیۡۤ اَعۡلَمُ بِعِدَّتِہِمۡ مَّا یَعۡلَمُہُمۡ اِلَّا قَلِیۡلٌ ۬۟ فَلَا تُمَارِ فِیۡہِمۡ اِلَّا مِرَآءً ظَاہِرًا ۪ وَّلَا تَسۡتَفۡتِ فِیۡہِمۡ مِّنۡہُمۡ اَحَدًا ٪
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
১৮. এ আয়াত আমাদেরকে আলাদাভাবে একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দান করছে। তা এই যে, যে বিষয়ে মানুষের কোনও ব্যবহারিক ও কর্মগত মাসআলা নির্ভরশীল নয়, সে বিষয়ে অহেতুক খোঁড়াখুঁড়ি ও তত্ত্ব তালাশে লেগে পড়া উচিত নয়। আসহাবে কাহফের ঘটনা থেকে মৌলিকভাবে যে শিক্ষা লাভ হয়, তা হল প্রতিকূল পরিস্থিতির ভেতর সত্যের উপর অটল থাকার চেষ্টা করলে আল্লাহ তাআলা অবশ্যই সাহায্য করেন, যেমন যুবক দলটি সত্যের উপর অটল থাকার চেষ্টা করেছিল এবং শত বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও আপন বিশ্বাস থেকে টলেনি; বরং সত্যনিষ্ঠার পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছিল, ফলে আল্লাহ তাআলা কিভাবে তাদেরকে সাহায্য করেছিলেন!
বাকি থাকল এই প্রশ্ন যে, তারা সংখ্যায় কতজন ছিল? বস্তুত এটা মজলিস সরগরম করে তোলার মত কোন প্রশ্ন নয়, যেহেতু এর উপর বিশেষ কোন মাসআলা নির্ভরশীল নয়। তাই এ নিয়ে মাথা গরম করারও কোন প্রয়োজন নেই। বরং উপদেশ দেওয়া হয়েছে, কেউ যদি এ নিয়ে আলোচনা উঠায়ও, তবে সাদামাঠা উত্তর দিয়ে কথা শেষ করে ফেল। অহেতুক এর পেছনে সময় নষ্ট করো না।