বনী-ইসরাঈল

সূরা নং: ১৭, আয়াত নং: ৭

তাফসীর
اِنۡ اَحۡسَنۡتُمۡ اَحۡسَنۡتُمۡ لِاَنۡفُسِکُمۡ ۟ وَاِنۡ اَسَاۡتُمۡ فَلَہَا ؕ فَاِذَا جَآءَ وَعۡدُ الۡاٰخِرَۃِ لِیَسُوۡٓءٗا وُجُوۡہَکُمۡ وَلِیَدۡخُلُوا الۡمَسۡجِدَ کَمَا دَخَلُوۡہُ اَوَّلَ مَرَّۃٍ وَّلِیُتَبِّرُوۡا مَا عَلَوۡا تَتۡبِیۡرًا

উচ্চারণ

ইন আহছানতুম আহছানতুম লিআনফুছিকুম ওয়া ইন আছা’তুম ফালাহা- ফাইযাজাআ ওয়া‘দুল আ-খিরাতি লিইয়াছূঊ উজূহাকুম ওয়ালিইয়াদখুলুল মাছজিদা কামা-দাখালূহু আওওয়ালা মাররাতিওঁ ওয়া লিইউতাব্বিরূমা-‘আলাও তাতবীরা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তোমরা সৎকর্ম করলে তা নিজেদেরই কল্যাণার্থে করবে আর যদি মন্দ কাজ কর, তাতেও নিজেদেরই অকল্যাণ হবে। অতঃপর যখন দ্বিতীয় ঘটনার নির্ধারিত কাল আসল, (তখন আমি তোমাদের উপর অপর শত্রু চাপিয়ে দিলাম,) যাতে তারা তোমাদের চেহারা বিকৃত করে দেয় এবং যাতে আগের বার তারা যেভাবে প্রবেশ করেছিল, এবারও সেভাবে মসজিদে প্রবেশ করে এবং যা-কিছুর উপর তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয় তা মিসমার করে দেয়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৫. কেউ কেউ বলেন, এই দ্বিতীয় শত্রু হল ‘এন্টিউকাস এপিফানিউস’। হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের আবির্ভাবের কিছুকাল আগে সে বায়তুল মাকদিসে হামলা করে ইয়াহুদীদের উপর গণহত্যা চালিয়েছিল। কারও মতে এর দ্বারা রোম সম্রাট তীতূসের আক্রমণকে বোঝানো হয়েছিল। সে আক্রমণ চালিয়েছিল হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে আসমানে তুলে নেওয়ার পর। যদিও বনী ইসরাঈল বিভিন্নকালে বিভিন্ন শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে, কিন্তু এ দুই শত্রু দ্বারাই তারা সর্বাপেক্ষা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সে কারণেই আল্লাহ তাআলা বিশেষভাবে এই দুই শত্রুর উল্লেখ করেছেন। তারা প্রথম শত্রু অর্থাৎ বুখত নাস্সারের হাতে আক্রান্ত হয়েছিল সেই সময়, যখন তারা হযরত মূসা আলাইহিস সালামের শরীয়ত অমান্য করে ব্যাপক পাপাচারে লিপ্ত হয়। আর দ্বিতীয় শত্রুর কবলে পড়েছিল হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের বিরুদ্ধাচরণ করে। সামনে বলা হচ্ছে, তোমরা যদি হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরোধিতায় লিপ্ত থাক, তবে তোমাদের সাথে পুনরায় একই আচরণ করা হবে।