اِنۡ اَحۡسَنۡتُمۡ اَحۡسَنۡتُمۡ لِاَنۡفُسِکُمۡ ۟ وَاِنۡ اَسَاۡتُمۡ فَلَہَا ؕ فَاِذَا جَآءَ وَعۡدُ الۡاٰخِرَۃِ لِیَسُوۡٓءٗا وُجُوۡہَکُمۡ وَلِیَدۡخُلُوا الۡمَسۡجِدَ کَمَا دَخَلُوۡہُ اَوَّلَ مَرَّۃٍ وَّلِیُتَبِّرُوۡا مَا عَلَوۡا تَتۡبِیۡرًا
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
৫. কেউ কেউ বলেন, এই দ্বিতীয় শত্রু হল ‘এন্টিউকাস এপিফানিউস’। হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের আবির্ভাবের কিছুকাল আগে সে বায়তুল মাকদিসে হামলা করে ইয়াহুদীদের উপর গণহত্যা চালিয়েছিল। কারও মতে এর দ্বারা রোম সম্রাট তীতূসের আক্রমণকে বোঝানো হয়েছিল। সে আক্রমণ চালিয়েছিল হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে আসমানে তুলে নেওয়ার পর। যদিও বনী ইসরাঈল বিভিন্নকালে বিভিন্ন শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে, কিন্তু এ দুই শত্রু দ্বারাই তারা সর্বাপেক্ষা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সে কারণেই আল্লাহ তাআলা বিশেষভাবে এই দুই শত্রুর উল্লেখ করেছেন। তারা প্রথম শত্রু অর্থাৎ বুখত নাস্সারের হাতে আক্রান্ত হয়েছিল সেই সময়, যখন তারা হযরত মূসা আলাইহিস সালামের শরীয়ত অমান্য করে ব্যাপক পাপাচারে লিপ্ত হয়। আর দ্বিতীয় শত্রুর কবলে পড়েছিল হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের বিরুদ্ধাচরণ করে। সামনে বলা হচ্ছে, তোমরা যদি হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরোধিতায় লিপ্ত থাক, তবে তোমাদের সাথে পুনরায় একই আচরণ করা হবে।