আর রা'দ

সূরা নং: ১৩, আয়াত নং: ২

তাফসীর
اَللّٰہُ الَّذِیۡ رَفَعَ السَّمٰوٰتِ بِغَیۡرِ عَمَدٍ تَرَوۡنَہَا ثُمَّ اسۡتَوٰی عَلَی الۡعَرۡشِ وَسَخَّرَ الشَّمۡسَ وَالۡقَمَرَ ؕ کُلٌّ یَّجۡرِیۡ لِاَجَلٍ مُّسَمًّی ؕ یُدَبِّرُ الۡاَمۡرَ یُفَصِّلُ الۡاٰیٰتِ لَعَلَّکُمۡ بِلِقَآءِ رَبِّکُمۡ تُوۡقِنُوۡنَ

উচ্চারণ

আল্লা-হুল্লাযীরাফা‘আছছামা-ওয়া-তি বিগাইরি ‘আমাদিন তারাওনাহা- ছু ম্মাছ তাওয়া ‘আলাল ‘আরশি ওয়া ছাখখারাশশামছা ওয়াল কামারা কুল্লুইঁ ইয়াজরী লিআজালিম মুছাম্মা- ইউদাব্বিরুল আমরা ইউফাসসিলুল আ-য়া-তি লা‘আল্লাকুম বিলিকাই রাব্বিকুম তূকিনূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তিনিই আল্লাহ, যিনি আকাশমণ্ডলীকে উঁচুতে স্থাপন করেছেন এমন স্তম্ভ ছাড়া, যা তোমরা দেখতে পাবে। অতঃপর তিনি আরশে ‘ইসতিওয়া’ গ্রহণ করেন। এবং সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রতিটি বস্তু এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত আবর্তন করে। তিনি যাবতীয় বিষয় নিয়ন্ত্রণ করেন। তিনি এসব নিদর্শন সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা নিশ্চিত বিশ্বাস করতে পার যে, (একদিন) তোমাদেরকে স্বীয় প্রতিপালকের সঙ্গে মিলিত হতে হবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

২. অর্থাৎ, আকাশমণ্ডলী তোমাদের চোখে দেখার মত কোন স্তম্ভের উপর স্থাপিত নয়। আল্লাহ তাআলা তাঁর অপার শক্তিরই সহায়তায় তা দাঁড় করিয়ে রেখেছেন। আয়াতের এ ব্যাখ্যা হযরত মুজাহিদ (রহ.) থেকে বর্ণিত আছে (রূহুল মাআনী, ১৩ খণ্ড, ১১০ পৃষ্ঠা)।
﴾﴿