হুদ

সূরা নং: ১১, আয়াত নং: ৭০

তাফসীর
فَلَمَّا رَاٰۤ اَیۡدِیَہُمۡ لَا تَصِلُ اِلَیۡہِ نَکِرَہُمۡ وَاَوۡجَسَ مِنۡہُمۡ خِیۡفَۃً ؕ  قَالُوۡا لَا تَخَفۡ اِنَّاۤ اُرۡسِلۡنَاۤ اِلٰی قَوۡمِ لُوۡطٍ ؕ

উচ্চারণ

ফালাম্মা-রাআআইদিয়াহুম লা-তাসিলুইলাইহি নাকিরাহুম ওয়া আওজাছা মিনহুম খীফাতান কা-লূলা-তাখাফ ইন্নাউরছিলনাইলা-কাওমি লূত।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

কিন্তু যখন দেখল তাদের হাত সে দিকে (অর্থাৎ বাছুরের দিকে) বাড়ছে না, তখন তাদের ব্যাপারে তার খটকা লাগল এবং তাদের দিক থেকে অন্তরে শঙ্কা বোধ করল। ৪৭ ফিরিশতাগণ বলল, ভয় করবেন না। আমাদেরকে পাঠানো হয়েছে (আপনাকে পুত্র সন্তান জন্মের সুসংবাদ দেওয়ার জন্য এবং পাঠানো হয়েছে) লূতের সম্প্রদায়ের কাছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৪৭. ফিরিশতাগণ যেহেতু মানুষের বেশে এসেছিলেন, তাই হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম প্রথমে তাঁদেরকে চিনতে পারেননি, যে কারণে তিনি তাঁদের মেহমানদারি করার জন্য বাছুরের গোশত ভুনা করে নিয়ে আসেন। কিন্তু তাঁরা তো ফিরিশতা, যাদের পানাহারের প্রয়োজন নেই। তাই তাঁরা খাবারের দিকে হাত বাড়ালেন না। সেকালে রীতি ছিল মেজবান খাবার পরিবেশন করা সত্ত্বেও যদি মেহমান তা গ্রহণ না করত, তবে মনে করা হত সে একজন শত্রু এবং সে কোনও অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম ভয় পেয়ে গেলেন। তখন ফিরিশতাগণ স্পষ্ট করে দিলেন যে, তারা ফিরিশতা। দু’টি কাজের জন্য তাদেরকে পাঠানো হয়েছে।