হুদ

সূরা নং: ১১, আয়াত নং: ১১৯

তাফসীর
اِلَّا مَنۡ رَّحِمَ رَبُّکَ ؕ وَلِذٰلِکَ خَلَقَہُمۡ ؕ وَتَمَّتۡ کَلِمَۃُ رَبِّکَ لَاَمۡلَـَٔنَّ جَہَنَّمَ مِنَ الۡجِنَّۃِ وَالنَّاسِ اَجۡمَعِیۡنَ

উচ্চারণ

ইল্লা-মার রাহিমা রাব্বুকা ওয়া লিযা-লিকা খালাকাহুম ওয়া তাম্মাত কালিমাতু রাব্বিকা লাআমলাআন্না জাহান্নামা মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছি আজমা‘ঈন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

অবশ্য তোমার প্রতিপালক যাদের প্রতি দয়া করবেন, তাদের কথা ভিন্ন (আল্লাহ তাদেরকে সঠিক পথে প্রতিষ্ঠিত রাখবেন)। আর এরই (অর্থাৎ এই পরীক্ষারই) জন্য তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। ৭৬ তোমার প্রতিপালকের এই কথা পূর্ণ হবেই, যা তিনি বলেছিলেন যে, আমি জিন ও ইনসান উভয়ের দ্বারা জাহান্নাম ভরে ফেলব।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৭৬. কুরআন মাজীদে এ বিষয়টা বার বার স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, আল্লাহ তাআলা ইচ্ছা করলে সমস্ত মানুষকে জোরপূর্বক একই দীনের অনুসারী বানাতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি এ কারণে যে, বিশ্ব-জগত সৃষ্টি ও তাতে মানুষকে পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য মানুষকে পরীক্ষা করা। অর্থাৎ, তাকে ভালো-মন্দের পার্থক্য শিখিয়ে এই সুযোগ দিয়ে দেওয়া, যাতে সে নিজ এখতিয়ার ও পছন্দ মত দুই পথের মধ্যে যে কোনওটি অবলম্বন করতে পারে। এর দ্বারা তার পরীক্ষা হয়ে যায় যে, সে নিজ ইচ্ছা ও পছন্দের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে জান্নাত অর্জন করে, না তার ভুল ব্যবহারের পরিণতিতে জাহান্নামের উপযুক্ত হয়ে যায়। এই পরীক্ষার লক্ষ্যেই আল্লাহ তাআলা কাউকে তার বিনা ইচ্ছায় বিশেষ কোনও পথে চলতে বাধ্য করেননি।