ইউনুস

সূরা নং: ১০, আয়াত নং: ৮৮

তাফসীর
وَقَالَ مُوۡسٰی رَبَّنَاۤ اِنَّکَ اٰتَیۡتَ فِرۡعَوۡنَ وَمَلَاَہٗ زِیۡنَۃً وَّاَمۡوَالًا فِی الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا ۙ رَبَّنَا لِیُضِلُّوۡا عَنۡ سَبِیۡلِکَ ۚ رَبَّنَا اطۡمِسۡ عَلٰۤی اَمۡوَالِہِمۡ وَاشۡدُدۡ عَلٰی قُلُوۡبِہِمۡ فَلَا یُؤۡمِنُوۡا حَتّٰی یَرَوُا الۡعَذَابَ الۡاَلِیۡمَ

উচ্চারণ

ওয়া কা-লা মূছা-রাব্বানাইন্নাকা আ-তাইতা ফির‘আওনা ওয়া মালাআহূঝীনাতাওঁ ওয়া আমওয়া-লান ফিল হায়া-তিদদুনইয়া- রাব্বানা-লিইউদিললূ‘আন ছাবীলিকা রাব্বানাতমিছ ‘আলাআমওয়া-লিহিম ওয়াশদুদ ‘আলা-কূলূবিহিম ফালা-ইউ’মিনূহাত্তাইয়ারাউল ‘আযা-বাল ‘আলীম।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

মূসা বলল, হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি ফির‘আউন ও তার অমাত্যদেরকে পার্থিব জীবনে বিপুল শোভা ও ধন-দৌলত দান করেছেন। হে আমাদের প্রতিপালক! তার ফল হচ্ছে এই যে, তারা মানুষকে আপনার পথ থেকে বিচ্যুত করছে। হে আমাদের প্রতিপালক! তাদের ধন-দৌলত ধ্বংস করে দিন এবং তাদের অন্তর এমন শক্ত করে দিন, যাতে মর্মন্তুদ শাস্তি প্রত্যক্ষ না করা পর্যন্ত তারা ঈমান না আনে। ৪৬

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৪৬. হযরত মূসা আলাইহিস সালাম ফির‘আউনী সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘকাল দাওয়াতী কার্যক্রম চালাতে থাকেন। কিন্তু তাদের উপর্যুপরি অস্বীকৃতি ও ক্রমবর্ধমান শত্রুতার কারণে এক সময় তাদের ঈমান আনা সম্পর্কে তিনি আশাহত হয়ে পড়েন। ফির‘আউন ঈমান না এনেই তো ক্ষান্ত থাকেনি; বরং সে এমন পাশবিক জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছিল যে, তাকে বিনা শাস্তিতে ছেড়ে দেওয়া হোক, এটা কোনও ন্যায়নিষ্ঠ লোকের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না। সম্ভবত তিনি ওহী মারফতও জানতে পেরেছিলেন যে, ফির‘আউনের ভাগ্যে ঈমান নেই। তাই শেষ পর্যন্ত তিনি এই বদদু‘আ করেন।
সূরা ইউনুস, আয়াত ১৪৫২ | মুসলিম বাংলা