(২) অতি দ্রুত ও অস্পষ্ট কথা না বলা বরং এক একটা কথা স্পষ্ট করে উচ্চারণ করা। যাতে প্রত্যেকটা কথা ভালোভাবে বুঝা যায়।
- আবু দাউদ ২/৬৬৫
(৩) বোঝার জন্য প্রয়োজনে একই কথা তিনবার বলা।
- বুখারী ২/৯২৩
(৪) কথোপকথোনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণ মুখে কথা বলা। অহংকারীদের ন্যায় কিছু মুখ দিয়ে বের করা আর কিছু মুখের ভেতর রেখে চেপে চেপে কথা না বলা।
- শামায়েল ১৪
(৫) বিনা প্রয়োজনে কথা না বলা।
- শামায়েল ১৪
(৬) কথা বললে ভালো কথা বলা না হয় চুপ থাকা।
- বুখারী ২/৯৫৯
(৭) মজলিসে লোক তিনজন থাকলে কাউকে বাদ রেখে চুপি-চুপি কথা না বলা।
- বুখারী
(৮) রাসুল (ﷺ) কারো কথা শুনতে চাইলে রাস্তার এক কিনারে দাড়িয়ে বা কোথাও বসে কথা শুনতেন। ধনী- গরীব সকলের কথা শুনতেন। কথা বলার সময় বক্তার দিক থেকে মুখ ফিরাতেন না, যতক্ষন পর্যন্ত সেই লোক মুখ না ফেরাতো।
- ইবনে সাআদ, যাদুল মাআদ
(৯) রাসূল (ﷺ) কারো ভালো কথা শুনলে প্রসংশা করতেন, মন্দ কথা শুনলে বুঝিয়ে দিতেন।
- নাশরুত তীব
(১০) রাসূল (ﷺ) কাউকে ডাকতে হলে নাম ধরে না ডেকে উপনামে ডাকতেন। যেমন: হে আবু আমীন। কারো নাম জানা না থাকলে “ইয়া আব্দাল্লাহ/ইয়া আমাতাল্লাহ" বলে ডাকতেন।
- যাদুল মাআদ
(১১) রাসূল (ﷺ) কাউকে ডাকলে জবাবে শুধু “আমি” বললে নারায হতেন, তাঁকে পূর্ণ নাম এবং পিতার নামসহ বলতে নির্দেশ দিতেন।