(১) উযুর নিয়ত করা অর্থাৎ উযুকারী মনে মনে এই নিয়ত করবে যে,পবিত্রতা অর্জন করা ও নামাজ জায়েজ হওয়ার জন্য আমি উযু করছি।
- বুখারি ৬৬৮৯
(২) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম পড়ে উযু আরম্ভ করা।
- নাসায়ি ৭৮
(৩) উভয় হাত পৃথকভাবে কব্জিসহ তিনবার ধোয়া।
- বুখারি ১৫৯
(৪) মিসওয়াক করা। যদি মিসওয়াক না থাকে তাহলে আঙ্গুল দ্বারা দাঁত মাজা।
- তিরমিজি ২৩
(৫) তিনবার কুলি করা।
- বুখারি ১৮৫
(৬) তিনবার নাকে পানি দেয়া এবং নাক সাফ করা।
- সাহিহ ইবনে হিব্বান ১০৭৭, বুখারি ১৮৫
(৭) ততসঙ্গে প্রতিবারই নাক ঝারা।
- মুসলিম ৫৬০
(৮) প্রত্যেক অঙ্গকে পূর্ণভাবে তিনবার ধোয়া।
- বুখারি ১৫৯
(৯) দুই হাতে মুখ ধোয়া এবং মুখমন্ডল ধোয়ার সময় দাঁড়ি খিলাল করা।
- তিরমিযি ৩১
(১০) হাত ও পা ধোয়ার সময় আঙ্গুলসমুহ খিলাল করা।
- তিরমিযি ৩৮
(১১) একবার সম্পূর্ণ মাথা মাসেহ করা।
- তিরমিযি ৩৪
(১২) .উভয় কান মাসেহ করা ।উল্লেখ্য,কানের ছিদ্রের মধ্যে কনিষ্ঠাঙ্গুলি ঢুকিয়ে এবং ভিতরদিকের অবশিষ্টাংশে শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা মাসাহ করা।
- আবু দাউদ ১৩৫
(১৩) উযুর অঙ্গসমুহ হাতদ্বারা ঘষে-মেজে ধোয়া।
- সহিহ ইবনে খুযায়মা ১১৮
(১৪) এক অঙ্গ ধোয়ার পর অন্য অঙ্গ ধুতে বিলম্ব না করা।
- আবু দাউদ ১৭৩
(১৫) তরতীবের সাথে অযু করা। অর্থাৎ অযুর অঙ্গসমুহ ধোয়ার সময় ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
- আবু দাউদ ১৩৭
(১৬) ডানদিকের অঙ্গ আগে ধোয়া।
- বুখারি ১৬৮
(১৭) শীত অথবা অন্য কোনো কারণে যখন অযু করতে ইচ্ছা না হয় তখনও অযুর অঙ্গসমুহ উত্তমরূপে ধুয়ে অযু করা।
- তিরমিযি ৫১
(১৮) অযুর মধ্যে নিম্নক্ত দোয়াটি পড়া: اللهم اغفر لي ذنبي ووسع لي في داري وبارك لي في رزقي এবং অযু শেষ করে কালেমায়ে শাহাদাত পড়া।
- মুসলিম ২৩৪
(১৯) অতঃপর এই দোয়া পড়া: اللهم اجعلني من التوابين واجعلني من المتطهرين
- তিরমিজি ৫৫