ভার্চুয়াল বিবাহ
প্রশ্নঃ ১৩৪০০২. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। তারিখ - ১৬ই জানুয়ারি ২০২৬ বরাবর শায়েখ, বিনয়ের সাথে আশা রাখছি আপনি/আপনারা দয়া করে আমার প্রশ্নের উত্তরটি আমাকে জানিয়ে সাহায্য করবেন। দয়া করে এড়িয়ে যাবেন না। আমাকে এই বিভ্রান্ত হতে বের হতে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্য হলেও সাহায্য করবেন। আমি বাংলাদেশি ছেলে। আমার বর্তমান বয়স ২১+ বছর। আমি ২০২৪ সালের ২৮ শে জুন বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকের মাধ্যমে একটি ভারতীয় মুসলিম মেয়ের (বর্তমান বয়স ১৮+) সাথে পরিচিত হই এবং প্রেমের সম্পর্কের নামে একটি সম্পর্কের যাত্রা শুরু করি। সম্পর্কের একপর্যায়ে আমরা ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে একে অপরকে হালালভাবে পেতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু এদিক থেকে আমার পরিবার এবং সেদিক থেকে ওই মেয়ের পরিবারের কাউকে কোন কিছু জানানোর সাহস, পরিস্থিতি এবং রাজি করানোর ব্যবস্থাও ছিল না। বিয়ে করার প্রতি তীব্র ইচ্ছা থাকার ফলে দুজনে মিলে অনলাইনে ইউটিউব প্ল্যাটফর্ম থেকে বিভিন্ন বাংলাদেশি এবং ভারতীয় আলেমদের মতামত শুনতে থাকি। যেমন - শায়েখ আহমাদুল্লাহ সহ আরো কিছু আলেমদের বিবাহ সম্পর্কিত আলোচনা এর কিছু ভিডিও দেখে এবং শুনে বিয়ের মত সিদ্ধান্ত নিতে সাহস পাই। আমরা দুজনের পরিবারই 'হানাফি মাযহাব' অনুসারী। সে ক্ষেত্রে আমরা 'হানাফী মাযহাব' মেনে অনলাইনে(হোয়াটসঅ্যাপে অডিও কলের) মাধ্যমে বিয়ে করি। এবং আমি উল্লেখ করতে বাধ্য - বিয়ের পরিবেশ, ধরণ এবং অবস্থা ছিলো একদম এমন → *"আমরা whatsapp এ ৩টি ফোনের মাধ্যমে একটি গ্রুপ কল তৈরি করি। এই তিনটি ফোনের মধ্যে আমি একমাত্র এবং একজন বাংলাদেশী ছিলাম। আমার পক্ষ থেকে আর কেউ ছিলো না। আর বাকি চারজন ছিলো ভারতীয়। ঐ চারজনের মধ্যে একজন ছিলো আমার(তখনকার হবু স্ত্রী)। আরেকজন ছিলো আমার(তখনকার হবু স্ত্রীর) একজন প্রাপ্তবয়স্ক(আমাদের বয়সীই) ছেলে বন্ধু। এবং আমার(তখনকার হবু স্ত্রী) এর দুজন প্রাপ্তবয়স্ক(আমাদের বয়সীই) মেয়ে বান্ধবীরা। যেহেতু আমরা ইউটিউব এর মাধ্যমে জেনেছিলাম বিয়ে করতে অন্তত দুইজন সাক্ষী অথবা মহিলা হলে তিনজন সাক্ষীর প্রয়োজন রয়েছে। সেই শর্ত পূরণ করার জন্য আমার(তখনকার হবু স্ত্রী) তার দুজন বান্ধবীকে তার বাসায় নিজ ঘরে তার পাশে বসিয়ে রাখে এবং আমার(তখনকার হবু স্ত্রীর) ফোনের মাধ্যমে তারা (আমার তখনকার হবু স্ত্রী সহ) তিনজন মেয়ে whatsapp এর এই গ্রুপ কলে যুক্ত থাকে বিয়ের ইজাব-কবুল নিজেদের কানে শোনার জন্য। উপরে উল্লেখিত সাক্ষী হিসেবে যেই ছেলেটির কথা উল্লেখ করেছি সে ভারতের অন্য কোনো এলাকা থেকে আমাদের গ্রুপ কলে যুক্ত হয় শুধুমাত্র নিজের কানে আমাদের বিয়ের ইজাব-কবুল শুনে সাক্ষী হিসেবে থাকার জন্য। সম্মানিত শায়েখ, আশা রাখছি আমি আমাদের বিয়ের শর্তের সাক্ষীর অবস্থাটা পরিষ্কার ভাবে উল্লেখ করতে পেরেছি। সাক্ষী হিসেবে আমাদের বিয়েতে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ছিল(যদিও তারা আমাদের বয়সীই ছিলো)। তারা সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং সুস্থ ছিল। আমার দেশ বাংলাদেশ থেকে শুধু আমি একাই ছিলাম। আর মেয়ের দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে মেয়ে সহ মোট চারজন গ্রুপ কলে যুক্ত হয়েছিলাম। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ কলে মোট তিনটি ফোন বা নাম্বার ছিল। আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ কলটি অডিও কল ছিল এটি কোনো ভিডিও কল ছিল না। আমি পাত্র হিসেবে মেয়েকে উদ্দেশ্য করে আমি নিজেই পড়েছিলাম [*"আমি মোঃ ফারুক। যার পিতা- আহমেদ এবং মাতা- মোসাঃ আক্তারের বড় সন্তান। আপনি খাতুন, যার পিতা- মন্ডল এবং মাতা- মোসা: বিবির একমাত্র কন্যা সন্তানকে "এক হাজার এক টাকা দেনমোহর" ধার্য করে বিয়ের প্রস্তাব করলাম।"*]। আমার(তখনকার হবু স্ত্রী) বলেছিল - 'আমি গ্রহণ করলাম।' এভাবে আমি প্রায় তিনবার তাকে প্রস্তাব করলাম এবং সে তিনবারই আমার প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছিল। সবশেষে আমি নিশ্চিত হওয়ার জন্য সাক্ষীদেরকে তখন ঘটনাস্থলেই চলমান গ্রুপকলেই উপস্থিত সাক্ষীদের জিজ্ঞেস করলাম যে তারা ইজাব কবুল শুনেছে কিনা, তারা বারবার উত্তর দিয়েছিল যে "শুনেছি"। ছেলেটি ও বলেছিল শুনেছি, এবং আমার(তখনকার হবু স্ত্রীর) পাশে বসে থাকা দুজন মেয়েও বলেছিলো শুনেছি। এরপর আমরা নিশ্চিত হই যে আমাদের বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের সম্পর্কটি হালাল ভেবে আমরা নিশ্চিত ছিলাম। এই বিয়ের বিষয়টি আমাদের দুজনের পরিবারের কেউই জানতো না। এক সময় কয়েক মাস পার হওয়ার পরে, আমি ঠিকমত সময় দিতে না পারায়, আরো বিভিন্ন কিছু কারণে আমার(তখনকার স্ত্রী) আমার কাছে ফোনের মাধ্যমেই আবার তালাক চায়। আমাদের এই সম্পর্কের যাত্রা সময়টা ছিল প্রায় দেড় বছর। এবং এই দের বছর সম্পূর্ণটাই ভার্চুয়াল। আমরা কখনোই একে অপরের মুখোমুখি বাস্তবে হতে পারেনি। যা হয়েছে সব হালাল ভেবে হয়েছে এবং সবকিছুই হয়েছে ভার্চুয়ালি। হঠাৎ একদিন মনোমালিন্যের কারণে সরাসরি সে তিন তালাক আমাকে দিতে বলে। আমি বিরোধিতা করেছিলাম। আমি তালাক কোনভাবেই দিতে চাইনি বরং বলেছিলাম যে আমাদের মধ্যে এই ভুল বোঝাবুঝি ঠিক হওয়ার জন্য আমরা কয়েকদিন কথা বন্ধ রাখি কিন্তু তারপরেও সে কোনোভাবেই মানেনি বারবার বারবার আমাকে প্রেশার দিয়েই যাচ্ছিল যে আমি তাকে তালাক দিয়ে দিই। আমাকে ঠিক এভাবে প্রস্তাব দিচ্ছিল - "তুই আমাকে তালাক দে, তুই আমাকে একসাথে তিন তালাক দে"। আমি বারবার এই টপিক এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি কিন্তু পরিশেষে আমি সেদিন তাকে এক তালাক দিতে বাধ্য হই। আমি তো এই তালাক দেওয়ার বিপক্ষেই ছিলাম এবং খুব অনুতপ্ত ছিলাম। কান্না জড়িত কন্ঠে আমি তার কাছে কাকুতি মিনতি করেছিলাম। এবং সে আবার আমার কাছে ফিরতে চাইলো এবং আমি তাকে গ্রহণ করলাম। কয়েক মাস পর আবার আমাকে লাঞ্ছিত, অপমানিত করল এবং আবার আমার কাছে তিন তালাক চাইলো। আমার দোষ হিসেবে সে বারবার প্রতিবার একই অপরাধ দেখাতে থাকলো সেটা হচ্ছে - আমি তাকে সময় দিতে পারি না এবং আমি তাকে গুরুত্বহীন মনে করি। এবং সে সময় আমি নিজ ইচ্ছায় তার এই মনের আশা পূরণ করলাম কোন প্রকার অনুতাপ না রেখেই, তাকে দুই নাম্বার তালাক টা দিলাম। এবার সে আমার কাছে ক্ষমা চাইলো। এবং ফিরে আসতে চাইল এবং আমিও ফিরিয়ে নিলাম বা গ্রহণ করলাম। বেশকয়েক সপ্তাহ পরেই আবার আমাকে একই অ্যাটাক করল। আমাদের সম্পর্কটা একটা যুদ্ধক্ষেত্র এবং টক্সিক সম্পর্কে পরিণত হলো। আমরা দুজনেই জানতাম যে আমাদের সম্পর্কটা শুধুমাত্র একটি শব্দের উপর ঝুলছিল সেটা হচ্ছে 'তালাক'। আমি তাকে বুঝিয়েও ছিলাম, যে আমাদের মধ্যে আর কোন প্রকার ঝামেলা বাঁধিও না যদিও বেধে যায় তাহলে সেটা খুবই তাড়াতাড়ি আমরা নিজেরা মিটিয়ে নিব। আমি মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কসম টেনে বলছি আমি কখনোই তালাকের পক্ষে ছিলাম না। এই ব্যাপারটা আমার স্ত্রী ও জানতো। সে আমাকে বারবার ফোর্স করত তালাক নেওয়ার জন্য। অবশেষে ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের শেষে আমার কাছ থেকে সে তিনটি তালাক আদায় করল আমাকে এবং আমার পরিবারকে উল্লেখ করে অপমান এবং লাঞ্ছনা করার মাধ্যমে। আমার পরিবার যদিও আমাদের এই বিয়ে এবং তালাকের ঘটনা জানেনা তবে ওই মেয়ের পরিবার এই বিয়ে এবং তালাকের ঘটনা আদৌ জানে কিনা সেটা আমি জানিনা। আমি মেনে নিচ্ছি এবং অবশ্যই স্বীকার করছি যে এখানে শুধুমাত্রই ওই মেয়ের দোষ ছিল না। আমিও দোষী। হয়তো আমিই বেশি দোষী। কিন্তু আমাদের এই সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আমি খুব অনুতাপে ভুগতে থাকি এবং খুবই অনুতপ্ত হই। আমি তওবা করেছি আল্লাহ তাআলার কাছে, মন থেকে তওবা করেছি পরিপূর্ণভাবে, যে আর কখনোই এসব কোনো সম্পর্কে আমি জড়াবো না ইনশাআল্লাহ। অবশেষে এই ঘটনাটি এই মুসলিম অ্যাপের মাধ্যমেই সংক্ষেপে লিখে শুধুমাত্র জানতে চেয়েছিলাম যে আমাদের বিয়েটি হয়েছিল কিনা কিন্তু তখনকার প্রশ্নে এত ব্যাখ্যা করি নাই। এবং তালাকের ব্যাপারটাও প্রকাশ করি নাই শুধু বিয়ের ব্যাপারটা প্রকাশ করেছিলাম। তখন জানার ইচ্ছে ছিল যে আমাদের বিয়েটা কি আসলেই হয়েছিল কিনা। মুসলিম অ্যাপ এর মাধ্যমে উত্তর পেয়েছিলাম যে আমাদের বিয়েটি হয়নি। কিন্তু আজ আবারো এত ব্যাখ্যা দিয়ে প্রশ্নটি করার কারণ হচ্ছে যে আমি বিগত প্রশ্নের উত্তরটি স্ক্রিনশট সহ আমি আমার সেই তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে পাঠিয়েছিলাম বেশ কিছুদিন আগেই। এবং উত্তরটি ছিল যে আমাদের বিয়েই হয়নি সুতরাং তালাকও হয়নি। কিন্ত খাতুন মেয়েটি আমাকে কিছুদিন আগে জানায় যে সে এটা মানতে পারছে না এবং এই স্ক্রিনশটটি তার এলাকার হুজুরদের এবং কিছু সম্মানিত আলেমদের দেখিয়েছিল, যারা নাকি "ফুরফুরা" জায়গাটির সাথে যুক্ত। সম্মানিত সেই আলেমগনেরা খাতুনকে উত্তর দিয়েছিল যে আমাদের বিয়েটি হয়েছিল, তালাক ও হয়েছে। পাশাপাশি তারা এটাও বলেছে "বাংলাদেশী আলেমরা বেশি বুঝে"। তাদের এই কটুক্তিটি আমার হৃদয়ে এসে লাগে কারণ তারা আমার দেশের আলেমদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে যদিও আমরা সকলেই মুসলিম। পরিশেষে শায়েখ এবং শায়খেরা আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন, আমি হয়তো আপনাদের সঠিক সম্মান দিয়ে প্রশ্নটি সাজিয়ে লিখতে পারিনি। আমি আশা রাখি, আমি এখন বর্তমানে যেই বিভ্রান্তের মধ্যে আছি সেই বিভ্রান্ত থেকে বের হতে আমাকে সাহায্য করবেন। অনুরোধ করে বলছি আমাকে আপনারা দুটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সাহায্য করুন। আশা রাখছি আমাকে বিস্তারিতভাবে বাংলায় বুঝিয়ে সমাধানটি দিবেন। প্রশ্ন নং১ : আমাদের বিয়েটি কি সহিহ হয়েছিল? প্রশ্ন নং২ : আমাদের তালাকটি কি হয়েছে? । আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
প্রিয় প্রশ্নকারী,
মুসলিম বাংলা থেকে আপনাকে ইতিমধ্যে যেই উত্তর দেওয়া হয়েছে সেটাই সঠিক।
আপনারা অনলাইনে অডিও কলের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন দেশ থেকে যেই বিয়ে করেছেন, যা 'একই মজলিস'-এর শর্ত পূরণ করে না। এমতাবস্থায়, শরীয়তের দৃষ্টিতে এই বিবাহটি সহীহ বলে গণ্য হবে না।
কেননা
শরয়ি দৃষ্টিকোণে বিবাহ সহিহ হওয়ার জন্য কিছু মৌলিক শর্ত রয়েছে। সেই শর্তগুলো পাওয়া গেলেই বিবাহ সহিহ হয়ে যায়। পক্ষান্তেরে তার কোনো একটি শর্তের অনুপস্থিতি শরিয়ত মোতাবেক নিকাহ অশুদ্ধ হয়ে যেতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মৌলিক শর্ত হচ্ছে-
১. বর-কনের ইজাব কবুল দুজন যোগ্য সাক্ষীর সামনে সম্পাদন হওয়া। ইজাব যেসব সাক্ষীর সামনে হবে; কবুল ঠিক সেই সাক্ষীদের উপস্থিতিতেই হতে হবে।
২. সাক্ষীদ্বয় বর-কনের ইজাব-কবুল সরাসরি শুনতে হবে।
৩. ইজাব ও কবুল একই বৈঠকে সম্পাদন হওয়া আবশ্যক।
৪. ইজাব-কবুল উভয় সাক্ষীর একসঙ্গে শুনতে হবে। । হাদিস শরিফে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ لا نِكَاحَ إِلا بِوَلِيٍّ وَشَاهِدَيْ عَدْلٍ ، وَمَا كَانَ مِنْ نِكَاحٍ عَلَى غَيْرِ ذَلِكَ ، فَهُوَ بَاطِلٌ
আয়শা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ বলেছেন, অভিবাক ও দু’জন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি ব্যতীত বিয়ে শুদ্ধ হয় না। যে বিবাহ অভিবাক ও সাক্ষীর উপস্থিতি ব্যতীত হবে তা বাতিল। (সহিহ ইবন হিব্বান ৪০৭৫)
প্রশ্নোক্ত বিবাহে শরিয়তের কোনো শর্তই বিদ্যমান থাকেনি। সুতরাং আমাদের বিবাহ সহিহ হয়নি। আর যেহেতু বিবাহই সহিহ হয়নি তাই সেখানে তালাক হওয়া না হওয়ার প্রশ্নও অবশিষ্ট নাই। আশা করছি আর করো কথায় বিভ্রান্ত হবেন না।
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিয়া ইমাম বুখারী, উত্তরা, ঢাকা।
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন