আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
১৪- রোযার অধ্যায়
হাদীস নং: ২৩৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮২-১
- রোযার অধ্যায়
৩. রমযানের আগের এক বা দু’দিন রোযা না রাখার নির্দেশ
২৩৮৯। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা ও আবু কুরায়ব (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা রমযানের একদিন বা দু’দিন পূর্বে (নফল) রোযা পালন করবে না। হ্যাঁ, যদি কোন ব্যক্তি এ সময় রোযা পালন করতে অভ্যস্ত থাকে, তবে সে রোযা পালন করতে পারে।
كتاب الصيام
باب لاَ تَقَدَّمُوا رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ وَلاَ يَوْمَيْنِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ عَلِيِّ، بْنِ مُبَارَكٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَقَدَّمُوا رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ وَلاَ يَوْمَيْنِ إِلاَّ رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صَوْمًا فَلْيَصُمْهُ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ইসলামী শরী‘আতে পূর্ণ রমযান মাসের রোযা ফরয করা হয়েছে এবং যেমন এইমাত্র জানা গেল যে, শরী‘আত এ নির্দেশও দিয়েছে যে, রমযানের চাঁদ দেখার ব্যাপারে বিশেষ যত্নবান থাকতে হবে- এমনকি এ উদ্দেশ্যে শা'বানের চাঁদ দেখার ব্যাপারেও খুব সতর্ক থাকতে হবে-যাতে কোন প্রকার ভ্রমে পড়ে অথবা উদাসীনতার কারণে রমযানের কোন রোযা ছুটে না যায়। কিন্তু শরী‘আতের সীমা রেখার হেফাযতের জন্য এ নির্দেশও দেওয়া হয়েছে যে, রমযানের এক দু'দিন পূর্ব থেকেই যেন রোযা রাখা শুরু করে দেওয়া না হয়। আল্লাহর ইবাদতে কোন অতি উৎসাহী মানুষ যদি এমনটি করতে যায়, তাহলে এ আশংকা থেকে যায় যে, অজ্ঞ সাধারণ মানুষ এটাকেই শরী‘আতের হুকুম ও মাসআলা মনে করে নেবে। এ জন্য এ প্রবণতা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)