আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
৫- মসজিদ ও নামাযের স্থান সমূহের বর্ণনা
হাদীস নং: ১২১১
আন্তর্জাতিক নং: ৫৯০
- মসজিদ ও নামাযের স্থান সমূহের বর্ণনা
২৫. নামাযের মধ্যে এসব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা
১২১১। কুতয়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে যেমন কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন তেমনি এদুআও শিক্ষা দিতেন। বলতেন, বলঃ
اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ
(হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট পানাহ চাই জাহান্নামের আযাব থেকে, আমি আপনার নিকট পানাহ চাই কবরের আযাব থেকে, আমি আপনার নিকট পানাহ চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং আমি আপনার নিকট পানাহ চৗই জীবন-মরণের ফিতনা থেকে।)
মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ (রাহঃ) বলেন, আমি জানতে পেরেছি, তাউস তার পুত্রকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি তোমার নামাযে এই দুআ পড়েছ? সে বলল, না। তিনি বললেন, তোমার নামায আবার আদায় কর। কেননা, (তোমার পিতা) তাউস এই হাদীসটি তিনজন অথবা চারজন রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। অথবা তিনি যেরূপ বলেছেন।
اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ
(হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট পানাহ চাই জাহান্নামের আযাব থেকে, আমি আপনার নিকট পানাহ চাই কবরের আযাব থেকে, আমি আপনার নিকট পানাহ চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং আমি আপনার নিকট পানাহ চৗই জীবন-মরণের ফিতনা থেকে।)
মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ (রাহঃ) বলেন, আমি জানতে পেরেছি, তাউস তার পুত্রকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি তোমার নামাযে এই দুআ পড়েছ? সে বলল, না। তিনি বললেন, তোমার নামায আবার আদায় কর। কেননা, (তোমার পিতা) তাউস এই হাদীসটি তিনজন অথবা চারজন রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। অথবা তিনি যেরূপ বলেছেন।
كتاب المساجد ومواضع الصلاة
باب مَا يُسْتَعَاذُ مِنْهُ فِي الصَّلاَةِ
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، - فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ - عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُعَلِّمُهُمْ هَذَا الدُّعَاءَ كَمَا يُعَلِّمُهُمُ السُّورَةَ مِنَ الْقُرْآنِ يَقُولُ " قُولُوا اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ " . قَالَ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ بَلَغَنِي أَنَّ طَاوُسًا قَالَ لاِبْنِهِ أَدَعَوْتَ بِهَا فِي صَلاَتِكَ فَقَالَ لاَ . قَالَ أَعِدْ صَلاَتَكَ لأَنَّ طَاوُسًا رَوَاهُ عَنْ ثَلاَثَةٍ أَوْ أَرْبَعَةٍ أَوْ كَمَا قَالَ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আলোচ্য হাদীসে বর্ণিত দু'আটি দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় বিপদাপদ এবং সর্ববিধ অনভিপ্রেত অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি ব্যাপক দু'আ। এতে জাহান্নাম ও কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি লাভের দু'আ বিধৃত হয়েছে, যার শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ এবং যা মানুষের জন্য সবচেয়ে আধিক হতভাগ্য হওয়ার প্রমাণ। তার পর দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ফিতনাবাজ দাজ্জালের ফিতনা থেকে পানাহ চাওয়া হয়েছে, যার প্রভাব থেকে ঈমান নিরাপদ রাখা বড়ই কঠিন ব্যাপার। এর পর জীবন মরণের সর্ববিধ ফিতনা পরীক্ষা, ছোট বড় বালা মুসীবাত এবং ভ্রষ্টতা থেকে পানাহ চাওয়া হয়েছে। এ দু'আ পাঠের উপযুক্ত সময় হল শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পাঠের পর এবং সালামের পূর্বে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)