আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ
৪- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১০১২
আন্তর্জাতিক নং: ৫০৫-২
৪৮. মুসল্লার সম্মুখ দিয়ে গমনকারীকে বাধা প্রদান
১০১২। শায়বান ইবনে ফাররুখ (রাহঃ) ......... হুমায়দ ইবনে হিলাল (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও আমার একজন সঙ্গী একটি নিয়ে আলোচনা করছিলাম। সহসা আবু সালিহ আস-সাম্মান বলে উঠল, আমি আবু সাঈদ (রাযিঃ) এর নিকট যা শুনেছি এবং দেখেছি, তা এখন তোমার নিকট বলব। আমি আবু সাঈদ (রাযিঃ)-এর নিকট ছিলাম। তিনি একটি ‘সুতরা’ সামনে রেখে শুক্রবার দিন নামায আদায় করছিলেন। ইত্যবসরে আবু মু’আইয়ত গোত্রের একজন জওয়ান এসে উপস্থিত হলো এবং সম্মুখ দিয়ে যেতে চাইল। আবু সাঈদ (রাযিঃ) তার বুকে হাত দিয়ে বাধা দিলেন। কিন্তু সে আবু সাঈদ (রাযিঃ) এর সম্মুখ ছাড়া অন্য কোনও পথ পালনা। তাই সে পূনরায় যেতে চাইল। আবু সাঈদ (রাযিঃ) এবার আরও জোরে তার বুকে ধাক্কা দিলেন। এবার সে ছবির মত দাঁড়িয়ে গেল এবং আবু সাঈদ (রাযিঃ) কে কটূক্তি করল।
তারপর লোকজন ঠেলে বের হয়ে গেল এবং (মদীনার গভর্ণর) মারওয়ানের নিকট গিয়ে অভিযোগ দায়ের করল। আবু সাঈদ (রাযিঃ)ও মারওয়ানের নিকটে প্রবেশ করলেন। তারপর মারওয়ান তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলল, আপনি ও আপনার ভাতিজার মধ্যে কি ঘটেছে? সে তো এসে আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। আবু সাঈদ (রাযিঃ) জওয়াব দিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ মানুষকে আড়াল করবার নিমিত্ত সুতরা রেখে নামায আদায় করবে এবং কোনও ব্যক্তি তার সম্মুখ দিয়ে যেতে চাইবে, সে যেন তার বুকে হাত দিয়ে বাধা দেয়। যদি সে না মানে, তবে তার সাথে লড়াই করবে। কেননা সে একটি শয়তান।
তারপর লোকজন ঠেলে বের হয়ে গেল এবং (মদীনার গভর্ণর) মারওয়ানের নিকট গিয়ে অভিযোগ দায়ের করল। আবু সাঈদ (রাযিঃ)ও মারওয়ানের নিকটে প্রবেশ করলেন। তারপর মারওয়ান তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলল, আপনি ও আপনার ভাতিজার মধ্যে কি ঘটেছে? সে তো এসে আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। আবু সাঈদ (রাযিঃ) জওয়াব দিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ মানুষকে আড়াল করবার নিমিত্ত সুতরা রেখে নামায আদায় করবে এবং কোনও ব্যক্তি তার সম্মুখ দিয়ে যেতে চাইবে, সে যেন তার বুকে হাত দিয়ে বাধা দেয়। যদি সে না মানে, তবে তার সাথে লড়াই করবে। কেননা সে একটি শয়তান।
باب مَنْعِ الْمَارِّ بَيْنَ يَدَىِ الْمُصَلِّي
حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا ابْنُ هِلاَلٍ، - يَعْنِي حُمَيْدًا - قَالَ بَيْنَمَا أَنَا وَصَاحِبٌ، لِي نَتَذَاكَرُ حَدِيثًا إِذْ قَالَ أَبُو صَالِحٍ السَّمَّانُ أَنَا أُحَدِّثُكَ، مَا سَمِعْتُ مِنْ أَبِي سَعِيدٍ، وَرَأَيْتُ، مِنْهُ قَالَ بَيْنَمَا أَنَا مَعَ أَبِي سَعِيدٍ، يُصَلِّي يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلَى شَىْءٍ يَسْتُرُهُ مِنَ النَّاسِ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ شَابٌّ مِنْ بَنِي أَبِي مُعَيْطٍ أَرَادَ أَنْ يَجْتَازَ بَيْنَ يَدَيْهِ فَدَفَعَ فِي نَحْرِهِ فَنَظَرَ فَلَمْ يَجِدْ مَسَاغًا إِلاَّ بَيْنَ يَدَىْ أَبِي سَعِيدٍ فَعَادَ فَدَفَعَ فِي نَحْرِهِ أَشَدَّ مِنَ الدَّفْعَةِ الأُولَى فَمَثَلَ قَائِمًا فَنَالَ مِنْ أَبِي سَعِيدٍ ثُمَّ زَاحَمَ النَّاسَ فَخَرَجَ فَدَخَلَ عَلَى مَرْوَانَ فَشَكَا إِلَيْهِ مَا لَقِيَ - قَالَ - وَدَخَلَ أَبُو سَعِيدٍ عَلَى مَرْوَانَ فَقَالَ لَهُ مَرْوَانُ مَا لَكَ وَلاِبْنِ أَخِيكَ جَاءَ يَشْكُوكَ . فَقَالَ أَبُو سَعِيدٍ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ إِلَى شَىْءٍ يَسْتُرُهُ مِنَ النَّاسِ فَأَرَادَ أَحَدٌ أَنْ يَجْتَازَ بَيْنَ يَدَيْهِ فَلْيَدْفَعْ فِي نَحْرِهِ فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ " .


বর্ণনাকারী: