আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ

৪- নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ৭৪১
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮৮-২
- নামাযের অধ্যায়
৮. আযানের ফযীলত এবং তা শুনে শয়তানের পলায়ন
৭৪১। আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা ও আবু কুরায়বের সূত্রে আ’মাশ থেকেও হাদীসটি বর্ণিত আছে।
كتاب الصلاة
باب فَضْلِ الأَذَانِ وَهَرَبِ الشَّيْطَانِ عِنْدَ سَمَاعِهِ
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

আল্লাহর সৃষ্টিকুলে এমন অনেক সৃষ্টি রয়েছে যার একটি অপরটির জন্য অসহনীয় ও প্রতিপক্ষ। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে- অন্ধকারের কাজে সূর্য অসহ্য। কাজেই সূর্যের আলো ভেসে উঠে তখন সাথে সাথে অন্ধকার দূরীভূত হয়ে যায়। অনুরূপভাবে শীতের কাছে গরমের খরতাপ অসহনীয়। কারণ যেখানে আগুন জ্বালান হয় সেখান থেকে শীত বিদায় নেয়। ঠিক তদ্রূপ হয় আযান শুনার পর শয়তানের অবস্থা। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর বাণীর মর্ম এটাই। কারণ শয়তান যখনই আযানের শব্দ শুনতে পায় তখন আলায়ে মদীনা থেকে পালিয়ে রাওহা নামক স্থানে চলে যায়। হযরত জাবির (রা) থেকে এই হাদীস বর্ণনাকারী তালহা ইবনে নাফি বলেন, মদীনা থেকে রাওহার দূরত্ব হল ছত্রিশ মাইল। আযানে তাওহীদ ও ঈমানের সূর ধ্বনিত হয় এবং আযান শুনে আল্লাহর প্রিয় বান্দারা মসজিদে আসে- এই হচ্ছে আযানের মূল প্রাণশক্তি। পক্ষান্তরে অভিশপ্ত শয়তানের জন্য বোমার আঘাতস্বরূপ। মু'আযযিন যখন আযান শুরু করে তখন শয়তান ঐভাবে পালিয়ে যায় যেভাবে আলোর উপস্থিতিতে অন্ধকার পালায়। আল্লাহ্ তা'আলা সর্বজ্ঞ।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)