মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১২২৫
নামাযের অধ্যায়
(১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২২১) হাফস্ থেকে বর্ণিত তিনি আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমাদেরকে সিরিয়ায় (খলীফা) আব্দুল মালিকের নিকট আমাদের ভাতা নির্ধারণের জন্য নিয়ে যাওয়া হল, তখন আমরা ছিলাম চল্লিশজন আনসারী। অতঃপর আমরা ফেরার পথে ফাজুন নাকাহ নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন তিনি (আনাস) আমাদের আসরের সালাত পড়ালেন। অতঃপর সালাম ফিরালেন এবং তাঁর তাঁবুতে প্রবেশ করলেন। আর এ দিকে লোকজন তাঁর সেই দুই রাকাতের সাথে আরো দুই রাকাত সালাত বৃদ্ধি করতে থাকল। রাবী বলেন, তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তাদের মুখমণ্ডল ধুলামলিন করুক। তারা সুন্নাত মতে আমল করে নি আর না রুখসাত (সুযোগ) গ্রহণ করেছে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি, কিছু কিছু লোক দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে। প্রকৃত পক্ষে তারা এর মাধ্যমে দীন থেকে বের হয়ে যাবে যেমন ধনুক থেকে তীর বের হয়ে যায়।
(মুসনাদে আহমদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এ হাদীসের সনদ উত্তম।)
(মুসনাদে আহমদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এ হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1225) عن حفص عن أنس بن مالك رضى الله عنه أنَّه قال انطلق بنا إلى الشَّام إلى عبد الملك ونحن أربعون رجلًا من الأنصار ليفرض لنا، فلمَّا رجع وكنَّا بفجِّ النَّاقة صلَّى بنا العصر ثمَّ سلَّم ودخل فسطاطه وقام القوم يضيفون إلى ركعتيه ركعتين أخريين، قال فقال قبح الله الوجوه فوالله ما أصابت السُّنَّة ولا قبلت الرُّخصة، فأشهد لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنَّ أقوامًا يتعمقون فى الدِّين يمرقون كما يمرق السَّهم من الرّميَّة