মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১১৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদ: বিবাহ ইচ্ছুক ব্যক্তির ইস্তিখারা প্রসঙ্গে
(১১৫০) আবু আইয়ূব আল আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (সা) তাঁকে বলেছেন, তুমি বিবাহের প্রস্তাবের ব্যাপারটি গোপন রাখ। বরং প্রথমে সুন্দরভাবে ওযু কর অতঃপর আল্লাহ তোমার জন্য যে সালাত নির্ধারণ করেছেন তা আদায় কর এরপর তোমার রবের প্রশংসা জ্ঞাপন কর এবং তাঁর মহানত্ব বর্ণনা কর এরপর এই দু'আটি পাঠ কর-

اللهُمَّ إنكَ تَقْدِرُ وَلَا أقْدِرْ وَتَعْلَمُ وَلَا أعْلَمْ وأنْتَ عَلاَّمُ الغيُوبِ فإنْ رَأيْتَ لي فِي فُلانَةَ يُسَمِّيها باسْمِها خَيْراً فِي دِيني وَدُنْيايَ وآخِرَتِي فاقْدُرْها لِي وإنْ كانَ غَيْرُها خَيْراً لِيَ مِنْها فِي دِينِي وَدُنْيايَ وَآخِرَتي فاقْدُرْها لِي

হে আল্লাহ! তুমিই ভাগ্য নির্ণয় কর, আমি করি না, তুমিই জান আমি জানি না তুমি অদৃশ্য সম্পর্কে সর্বজ্ঞ। তুমি যদি অমুক মহিলাতে (মেয়ের নাম বলতে হবে আমার জন্য কল্যাণ রাখ আমার দীন, পার্থিব ও পরকালীন বিষয়ে, তবে তাকে আমার জন্য নির্ধারণ করে দাও, আর যদি উক্ত মহিলা ব্যতীত অন্য কাউকে আমার দীনি, পার্থিব ও পরকালীন বিষয়ে কল্যাণকর মনে কর তবে তাকে আমার জন্য ফায়সালা করে দাও। অথবা বললেন, তাকে আমার ভাগ্যে মুকাদ্দার করে দাও।
(তবারানী ও ইবন্ হিব্বান হাদীসের সনদে ইবন লাহিয়া আছে যার ব্যাপারে কথা আছে। হাদীসটি হাকিম ও মুস্তাদরাক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এর রাবীগণ শেষ দিকে বিশ্বস্ত। যাহাবী তাঁর এ অভিমত সমর্থন করেন।)
كتاب الصلاة
فصل منه فى الاستخارة لمن يريد الزواج
(1154) عن أبى أيوب الأنصارىِّ رضى الله عنه صاحب رسول الله
صلى الله عليه وسلم أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له اكتم الخطبة ثمَّ توضَّأ فأحسن وضوءك وصلِّ ما كتب الله لك ثمَّ احمد ربَّك ومجِّده ثمَّ قل اللَّهم إنَّك تقدر ولا أقدر، وتعلم ولا أعلم، أنت علاَّم الغيوب، فإن رأيت لى فى فلانة تسمِّيها باسمها خيرًا فى دينى ودنياى وآخرتى وإن كان غيرها خيرًا لى منها فى دينى ودنياى وآخرتى فاقض لى بها أو قال فاقدرها لي
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান