মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৪৭
নামাযের অধ্যায়
(১৯) আমীন বলা এবং কিরাআতে তা সরবে ও নিরবে উচ্চারণ করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫৪৩) আবু হুরায়রা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইমাম যখন 'আমীন' বলবেন তখন তোমরাও 'আমীন' বলবে। কেননা, যাঁর 'আমীন' ফেরেশতাদের আমীনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, তাঁর অতীতের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।
(বুখারী ও মুসলিম (র) একই সনদে এবং আবু দাউদ, নাসাঈ তিরমিযী ও ইবন মাজাহ ভিন্ন ভিন্ন সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
(বুখারী ও মুসলিম (র) একই সনদে এবং আবু দাউদ, নাসাঈ তিরমিযী ও ইবন মাজাহ ভিন্ন ভিন্ন সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(19) باب ما جاء فى التأمين والجهر به فى القراءة واخفائه
(547) ز وعنه أيضًا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا أمَّن القارئ (2) فأمِّنوا فإنَّه من وافق تأمينه تأمين الملائكة غفر له ما تقدَّم من ذنبه
হাদীসের ব্যাখ্যা:
কারো 'আমীন' বলা ফিরিশতাদের আমীনের অনুরূপ হওয়ার ভাষ্যকারগণ বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এর মধ্যে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হচ্ছে আমীন ফিরিশতাদের সাথেই বলতে হবে, আগেও নয় পরেও নয়। আর ফিরিশতাদের আমীন বলার সময় হচ্ছে তখনই যখন ইমাম আমীন বলেন। উপরিউক্ত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বাণীর সারমর্ম হচ্ছে এই যে, ইমাম যখন সূরা ফাতিহা পাঠ শেষে 'আমীন' বলেন, তখন মুক্তাদীদেরও তাঁর সাথে 'আমীন' বলা উচিত। কেননা আল্লাহর ফিরিশতাগণও ঐ সময় 'আমীন' বলে থাকেন। আর আল্লাহ্ তা'আলার সিদ্ধান্ত হচ্ছে এই যে, মুক্তাদী যখন ফিরিশতাদের সাথে 'আমীন' বলে, তখন আল্লাহ্ তাদের পূর্ববর্তীকৃত পাপসমূহ ক্ষমা করে দেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)