মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৬. পবিত্রতা অর্জন
হাদীস নং: ৩৭৪
পবিত্রতা অর্জন
অনুচ্ছেদ: পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার কারণে ওযু ভঙ্গ হওয়া প্রসঙ্গে বুসরা বিনতে সাফাওয়ান-এর হাদীস প্রসঙ্গে
(৩৭৪) বুসরা বিনতে সাফাওয়ান বলেন, রাসুল (সা) বলেছেন, যে তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে সে যেন ওযু না করা পর্যন্ত নামায না পড়ে (দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) উরওয়া ইবন্ যুবাইর থেকে তিনি বলেন, মারওয়ান মদীনায় তাঁর শাসনকালে উল্লেখ করেন যে, পুরুষ তার হাত দ্বারা তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে তাকে ওযু করতে হবে। (একথা শুনে) আমি তাঁর এ কথার আপত্তি করলাম এবং বললাম, যে তা স্পর্শ করবে তাকে ওযু করতে হবে না। তখন মারওয়ান বলেন, আমাকে বুসরা বিনত সাফাওয়ান সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি কোন কোন কারণে ওযু করতে হয় তা আলোচনা করতে রাসূল (সা)-কে শুনেছেন, তখন সে প্রসঙ্গে রাসূল (সা) বলেন, আর পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলেও ওযু করবে।
উরওয়া বলেন, আমি মারওয়ানের কাছে বারংবার আপত্তি করতে থাকলে তিনি তার একজন পাহারাদারকে ডেকে তাকে তিনি যা বলেছেন সে প্রসঙ্গে বুসরার কাছে পাঠালেন, এ প্রসঙ্গে তিনি যা বলেছেন সে প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করতে। তখন বুশরা যেরূপ মারওয়ান আমাকে বলেছিলেন ঠিক সেরূপ খবর পাঠালেন তার কাছে, (তৃতীয় এক বর্ণনায় আছে।) বার্তাবাহক উল্লেখ করেছেন যে, তিনি (বুসরা) হাদীস বলেন যে, রাসূল (সা) বলেছেন যে, যে ব্যক্তি তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করবে সে যেন ওযু করে (চতুর্থ এক বর্ণনায় আছে।) উরওয়া বলেন, মারওয়ান তাকে বুসরা বিতে সাফাওয়ানের সূত্রে বলেছেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে সে যেন ওযু করে। তিনি বলেন, তখন মারওয়ান বুসরার কাছে একজন দূত প্রেরণ করলেন, সে সময় আমি তার কাছেই উপস্থিত ছিলাম। বুসরা উত্তরে বলেন, হ্যাঁ। এ সংবাদ নিয়ে বার্তাবাহক বুসরার কাছ থেকে ফিরে আসলেন।
[মালিক, শাফেয়ী, চার সুনান গ্রন্থ ইবন্ খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান, হাকিম, ইবন জারুদ প্রমুখ কর্তৃক বর্ণিত।]
তিরমিযী হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেন। বুখারী বলেন, এ হাদীসটি এ জাতীয় হাদীসের মধ্যে সর্বাধিক সহীহ। আবু দাউদ বলেন, আমি ইমাম আহমদকে বললাম, বুসরার হাদীসটি কি সহীহ্ নয়? তিনি বললেন, অবশ্যই সহীহ।
উরওয়া বলেন, আমি মারওয়ানের কাছে বারংবার আপত্তি করতে থাকলে তিনি তার একজন পাহারাদারকে ডেকে তাকে তিনি যা বলেছেন সে প্রসঙ্গে বুসরার কাছে পাঠালেন, এ প্রসঙ্গে তিনি যা বলেছেন সে প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করতে। তখন বুশরা যেরূপ মারওয়ান আমাকে বলেছিলেন ঠিক সেরূপ খবর পাঠালেন তার কাছে, (তৃতীয় এক বর্ণনায় আছে।) বার্তাবাহক উল্লেখ করেছেন যে, তিনি (বুসরা) হাদীস বলেন যে, রাসূল (সা) বলেছেন যে, যে ব্যক্তি তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করবে সে যেন ওযু করে (চতুর্থ এক বর্ণনায় আছে।) উরওয়া বলেন, মারওয়ান তাকে বুসরা বিতে সাফাওয়ানের সূত্রে বলেছেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে সে যেন ওযু করে। তিনি বলেন, তখন মারওয়ান বুসরার কাছে একজন দূত প্রেরণ করলেন, সে সময় আমি তার কাছেই উপস্থিত ছিলাম। বুসরা উত্তরে বলেন, হ্যাঁ। এ সংবাদ নিয়ে বার্তাবাহক বুসরার কাছ থেকে ফিরে আসলেন।
[মালিক, শাফেয়ী, চার সুনান গ্রন্থ ইবন্ খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান, হাকিম, ইবন জারুদ প্রমুখ কর্তৃক বর্ণিত।]
তিরমিযী হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেন। বুখারী বলেন, এ হাদীসটি এ জাতীয় হাদীসের মধ্যে সর্বাধিক সহীহ। আবু দাউদ বলেন, আমি ইমাম আহমদকে বললাম, বুসরার হাদীসটি কি সহীহ্ নয়? তিনি বললেন, অবশ্যই সহীহ।
كتاب الطهارة
فصل فى حديث بسرة بنت صفوان فى نقض الوضوء بمس الذكر
(374) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا يحيى بن سعيد عن هشام قال حدَّثنى بى أنَّ بسرة بنت صفوان رضى الله عنها أخبرته أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من مسَّ ذكره فلا يصلِّ حتَّى يتوضَّأ (ومن طريق ثان) "خط" قال عبد الله وجدت فى كتاب أبى بخطِّ يده ثنا أبو اليمان قال أنا شعيب عن الزُّهرىِّ قال أخبرنى عبد الله بن أبى بكر بن حزم الأنصارىُّ أنَّه سمع عروة بن الزُّبير يقول ذكر مروان فى إمارته على المدينة أنَّه يتوضَّأ من مسِّ الذَّكر إذا أفضى
الرجل بيده فأنكرت ذلك عليه فقلت لا وضوء على من مسَّه، فقال مروان أخبرتنى بسرة بنت صفوان أنَّها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر ما يتوضَّأ منه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ويتوضَّأ من مسِّ الذَّكر، قال عروة فلم أزل أمارى مروان حتَّى دعا رجلًا من حرسه فأرسله إلى بسرة يسألها عمَّا حدَّثت من ذلك، فأرسلت إليه بسرة يمثل الَّذى حدَّثنى عنها مروان (ومن طريق ثالث)
حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا إسماعيل بن عليَّة ثنا عبد الله بن أبى بكر ابن حزم بمثله وفيه فذكر الرَّسول أنَّها تحدِّث أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من مسَّ ذكره فليتوضَّأ (ومن طريق رابع) حدَّثنى أبى ثنا سفيان عن
محمَّد بن عمرو بن حزم أنَّه سمعه من عروة بن الزُّبير وهو مع أبيه يحدِّث أنَّ مروان أخبره عن بسرة بنت صفوان أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من مسَّ فرجه فليتوضَّأ، قال فأرسل إليها رسولًا وأنا حاضر فقالت نعم، فجاء من عندها بذاك
الرجل بيده فأنكرت ذلك عليه فقلت لا وضوء على من مسَّه، فقال مروان أخبرتنى بسرة بنت صفوان أنَّها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر ما يتوضَّأ منه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ويتوضَّأ من مسِّ الذَّكر، قال عروة فلم أزل أمارى مروان حتَّى دعا رجلًا من حرسه فأرسله إلى بسرة يسألها عمَّا حدَّثت من ذلك، فأرسلت إليه بسرة يمثل الَّذى حدَّثنى عنها مروان (ومن طريق ثالث)
حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا إسماعيل بن عليَّة ثنا عبد الله بن أبى بكر ابن حزم بمثله وفيه فذكر الرَّسول أنَّها تحدِّث أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من مسَّ ذكره فليتوضَّأ (ومن طريق رابع) حدَّثنى أبى ثنا سفيان عن
محمَّد بن عمرو بن حزم أنَّه سمعه من عروة بن الزُّبير وهو مع أبيه يحدِّث أنَّ مروان أخبره عن بسرة بنت صفوان أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من مسَّ فرجه فليتوضَّأ، قال فأرسل إليها رسولًا وأنا حاضر فقالت نعم، فجاء من عندها بذاك