মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৬. পবিত্রতা অর্জন
হাদীস নং: ২৯২
পবিত্রতা অর্জন
(১৪) ওযুর স্থান শুষ্ক থাকা, ধারাবাহিকতা রক্ষা করা ও উত্তমভাবে ওযু করা প্রসঙ্গে অধ্যায়
(২৯২) আবু রাওহা আল কালায়ী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (সা) আমাদের নিয়ে সকালের (ফজরের) নামায পড়লেন। তখন তিনি সূরা রূম পাঠ করছিলেন। এক আয়াত তিনি বার বার পড়লেন। যখন নামায শেষ করলেন তখন বললেন, আমার কাছে আল কুরআন সংমিশ্রণ হয়। কিছু লোক আমাদের সাথে নামায পড়ে তারা ভাল করে ওযু করে না। যারা আমাদের সাথে নামাযে উপস্থিত হবে তারা যেন ভাল করে ওযু করে।
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।) তাতে আরও আছে যে, শয়তান আমাদের কিরাআতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এমন কিছু লোকের জন্য যারা বিনা ওযুতে নামাযে আসে। তোমরা যখন নামাযে আসবে তখন ভাল করে ওযু করবে।
[হাইসুমী হাদীসটি উল্লেখ করেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ। হাদীসটি নাসাঈও বর্ণনা করেছেন।]
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।) তাতে আরও আছে যে, শয়তান আমাদের কিরাআতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এমন কিছু লোকের জন্য যারা বিনা ওযুতে নামাযে আসে। তোমরা যখন নামাযে আসবে তখন ভাল করে ওযু করবে।
[হাইসুমী হাদীসটি উল্লেখ করেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ। হাদীসটি নাসাঈও বর্ণনা করেছেন।]
كتاب الطهارة
(14) باب في اللمعة والموالاة والحث على إحسان الوضوء
(292) عن أبي روحٍ الكلاميِّ رضى الله عنه قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبح فقرأ بالرُّوم فتردَّد في آيةٍ فلما انصرف قال إنه يلبِّس علينا القرآن أن أقوامًا يصلون معنا لا يحسنون الوضوء، فمن شهد الصلاة معنا فليحسن الوضوء
(وعنه من طريق ثان بنحوه) (2) وفيه إنما لبس علينا
الشَّيطان القراءة من أجل أقوامٍ يأتون الصلاة بغير وضوء فإذا أتيتم الصلاة فأحسنوا الوضوء.
(وعنه من طريق ثان بنحوه) (2) وفيه إنما لبس علينا
الشَّيطان القراءة من أجل أقوامٍ يأتون الصلاة بغير وضوء فإذا أتيتم الصلاة فأحسنوا الوضوء.
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীস দ্বারা পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে যে, উযূবিহীন অবস্থা কিংবা উত্তমরূপে উযূ না করার প্রতিক্রিয়া অপরাপর উযূকারীদের উপর কিভাবে প্রভাব বিস্তার করে। এর ফলে কিরা'আতে বিভ্রাট সৃষ্টি হয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর উপর অপূর্ণ উযূর প্রভাব এত কার্যকর হয় তবে আমাদের ন্যায়সাধারণ লোকদের উপর তার অশুভ প্রভাব কী হবে তা সহজেই অনুমেয়। কিন্তু আমাদের অন্তরে মরিচার স্তর জমাট হয়ে যাওয়ায় এর অশুভ প্রতিক্রিয়া আমাদের অনুভূত হয় না। এ হাদীস থেকে এ কথা পরিষ্কার হয়ে উঠে যে, মানুষের অন্তরের উপর পাশের লোকের ভালমন্দ অবস্থার প্রভাব পড়ে। সূফী আউলিয়াগণ এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান রাখেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)