মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৬. পবিত্রতা অর্জন
হাদীস নং: ২৩৭
পবিত্রতা অর্জন
(৬) অধ্যায়ঃ ওযুর সময় নিয়ত করা ও বিসমিল্লাহ বলা প্রসঙ্গে
(২৩৭) সাঈদ ইবন যাইদ (রা) বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি, যার ওযু নেই তার নামায হবে না। আর যে বিসমিল্লাহ বলে না তার ওযু হবে না। আর যে আমাকে বিশ্বাস করে না সে আল্লাহকে বিশ্বাস করে না। (যে আমার প্রতি ঈমান আনে না সে আল্লাহর প্রতিও ঈমান আনে না।) আর যে আনসারী (সাহাবীদের) ভালবাসে না সে আমার প্রতি ঈমান আনে না।
[তিরমিযী, বাযযার ইবন মাজাহ, দারু কুতনী ও হাশিম কর্তৃক বর্ণিত। আহমদ বলেন, এই অর্থের কোনো সহীহ হাদীস নেই। বুখারী বলেন, এ বিষয়ে এই হাদীসটিই সর্বোত্তম।]
[তিরমিযী, বাযযার ইবন মাজাহ, দারু কুতনী ও হাশিম কর্তৃক বর্ণিত। আহমদ বলেন, এই অর্থের কোনো সহীহ হাদীস নেই। বুখারী বলেন, এ বিষয়ে এই হাদীসটিই সর্বোত্তম।]
كتاب الطهارة
(6) باب في النية والتسمية عند الوضوء
(237) عن رباح (1) بن عبد الرَّحمن بن حويطبٍ قال حدثتني جدتي (2) أنها سمعت أباها يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا صلاة لمن لا وضوء له
ولا وضوء لمن لم يذكر اسم الله عليه ولا يؤمن بالله من لا يؤمن بي ولا يؤمن بي من لا يحبُّ الأنصار.
ولا وضوء لمن لم يذكر اسم الله عليه ولا يؤمن بالله من لا يؤمن بي ولا يؤمن بي من لا يحبُّ الأنصار.
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীস থেকে বুঝা যায় যে, যে উযূতে 'বিসমিল্লাহ' কিংবা অনুরূপ কোন বাক্য পাঠ করা হয় তার প্রভাবে সর্বাঙ্গ পূতপবিত্র ও জ্যোতির্ময় হয়ে উঠে। পক্ষান্তরে যে উযূ আল্লাহর নাম কিংবা অনুরূপ কোন বাক্য উচ্চারণ হীনভাবেই সম্পন্ন হয় তাতে কেবল উযূর অঙ্গ সমূহ-ই পবিত্র হয়। মোটাকথা এরূপ উযূ এক প্রকার অসম্পূর্ণ উযূ।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)