মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৬২
নামাযের অধ্যায়
(১১) ফজরের নামাযের ওয়াক্ত এবং তা খুব ভোরে পড়া ও আলোকিত করে পড়া প্রসঙ্গে
(১৬২) আবুররবী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এক জানাযায় ইবন উমরের সাথে ছিলাম। তখন তিনি এক লোকের চিৎকার শুনতে পেলেন, তখন তার কাছে লোক পাঠিয়ে তাকে চুপ করালেন। তখন আমি বললাম, হে আবদুর রহমানের বাবা, আপনি তাকে কেন চুপ করালেন? তিনি উত্তরে বললেন, এর কারণে মৃত ব্যক্তিকে কবর না দেয়া পর্যন্ত তিনি কষ্ট পাচ্ছিলেন। তখন আমি তাঁকে বললাম, আমি আপনার সাথেই সকালের নামায পড়ি। অতঃপর এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখি (আঁধার), আমার সাথে বসা লোকদের মুখ দেখতে পাই না। আবার কখনও দেখি যে, আপনি ফজরের নামায ফর্সা করে পড়েন। তিনি উত্তরে বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে এভাবে নামায পড়তে দেখেছি। তাই রাসূল (ﷺ)-কে যেভাবে নামায পড়তে দেখেছি সেভাবে নামায পড়তে আমিও পছন্দ করি।
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান বলেন, হাদীসটি আমি অন্যত্র পাই নি। তবে হায়ছামী হাদীসটি উল্লেখ করে বলেন, ইমাম আহমদ এটা বর্ণনা করেছেন। তাতে বর্ণনাকারী আবূ রাবী' সম্বন্ধে দারাকুতনী অজ্ঞাত বলে মন্তব্য করেন।)
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান বলেন, হাদীসটি আমি অন্যত্র পাই নি। তবে হায়ছামী হাদীসটি উল্লেখ করে বলেন, ইমাম আহমদ এটা বর্ণনা করেছেন। তাতে বর্ণনাকারী আবূ রাবী' সম্বন্ধে দারাকুতনী অজ্ঞাত বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(11) باب وقت صلاة الصبح وما جاء في التغليس بها والأسفار
(162) عن أبي الرَّبيع قال كنت مع ابن عمر في جنازةٍ فسمع صوت إنسان يصيح فبعث إليه فأسكته، فقلت يا أبا عبد الرَّحمن لم أسكته؟ قال إنَّه يتأذَّى به الميِّت حتَّى يدخل قبره، فقلت له إنِّي أصلِّي معك الصبح، ثمَّ ألتفت فلا أرى وجه جليسي، ثمَّ أحيانًا تسفر، قال كذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأحبت أن أصلِّيها كما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّيها.